Author Archives: কামরুল হাসান

Bootable Rescue CDs

Published by:

বেসিক নেটওয়ার্ক ট্রাবলশুটিং কমান্ড

Published by:

ping – পিং কমান্ড দিয়ে নেটওয়ার্কে কোন হোস্ট লাইভ আছে কিনা দেখা যায়। ট্রাবলশুটিং এর জন্য সবচে মৌলিক এই কমান্ড। সবকিছু মুলত পিং দিয়েই শুরু করা হয়। সিন্টাক্স ping 128.228.100.10 এই কমান্ড দেবার পরে যদি রিসপন্স আসে, তাহলে বোঝা যাবে যে সেই অন্য হোস্টটি নেটওয়ার্কে লাইভ আছে। এখানে বলাবাহুল্য, রিসপন্স না পেলেও কিন্তু অন্য হোস্ট নেটওয়ার্কে এ লাইভ থাকতে পারে। এর কারণ হলো অনেক নেটওয়ার্কে PING কমান্ড ব্লক করা থাকে ফায়ারওয়ালে। কাজেই এটি মনে রাখা উচিত।

nslookup – ডিএনএস বা অন্য নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত সমস্যা সমাধানের জন্য nslookup অনেক জরুরী একটা কমান্ড। এনএসলুকাপ দিয়ে ফরোয়ার্ড এবং রিভার্স লুকাপ করে ডিএনএস ট্রাবলশুটিং করা হয়। ধরুন একটি হোস্ট থেকে একটি নেটওয়ার্ক এড্রেস রিসল্ভ হচ্ছেনা। সেক্ষেত্রে সেই হোস্ট থেকে এই কমান্ড দিয়ে ফরোয়ার্ড এবং রিভার্স রেকর্ড দেখে কিছু আইডিয়া পাওয়া যায়। ধরুন- এড্রেস ধরলাম www.google.com এবং এর আইপি 167.206.12.93 এবার ফরোয়ার্ড লুকাপ টেস্ট করুন nslookup www.google.com তারপর দেখুন কি হয়। এবার রিভার্স লুকাপ করুন nslookup 167.206.12.93 তারপর দুটোর আউটপুট তুলনা করে দেখুন। ডিএনএস ঠিকভাবে সেটাপ করা থাকলে দুভাবেই এড্রেস রিসল্ভ হবে।

tracert –

ipconfig –

বিবিধ নেটওয়ার্ক এবং সিস্টেম ট্রাবলশুটিং টুলসঃ

WireShare:

Microsoft Network Monitor:

SysInternal Suite:

উইন্ডোজ স্টার্টাপ কে আরো দ্রুত করা

Published by:

উইন্ডোজ ৭ বা ৮ ব্যবহারকারীরা হয়ত লক্ষ্য করেছেন যে কম্পিউটার চালু করার পরে অনেকগুলো প্রোগ্রাম একসাথে শুরু হয়ে যায়। এগুলোর কোনটাই হয়ত আপনি চান নি। মূলত এগুলো স্বয়ংক্রিয়ভাবে স্টার্টাপ সেটিং এ যুক্ত হয়ে নিজে নিজেই চালু হয়ে যায় কম্পিউটার অন করার পরে। এর সুবিধার চেয়ে অসুবিধা বেশি। কারন আপনার কম্পিউটারের মেমরি ব্যবহার করে এগুলো, তদুপরি কিছুটা ধীরগতির হয়ে যায়। এর সমাধান আছে অবশ্য। অনেক সফটওয়্যার সেটিংস এ গিয়ে এই অটো-স্টার্টাপ অপশন ডিসেবল করে দেয়া যায়। কিন্তু কিছু প্রোগ্রাম ঠিকি চালু হয়ে যায় কিন্তু সেটিংস এ আপনাকে এ অপশন অফার করেনা। আপনি চাইলে প্রতিটি প্রোগ্রামের সেটিংস এ গিয়ে খুঁজে দেখতে পারেন। তবে এটা ছাড়াও আরো একটি জায়গা থেকে এসব ডিসেবল করা যায়। সেটা উইন্ডোজ এ বিল্ট ইন। মূলত এখান থেকেই চাইলে সব কিছু নিয়ন্ত্রণ করতে পারেন। এভাবে করলে আর আলাদাভাবে প্রতিটি প্রোগ্রামের সেটিংস এ যাবার প্রয়োজন নেই।

Start > Run > msconfig লিখে এন্টার চাপুন। এবারে দেখবেন ছোট একটি প্রোগ্রাম চালু হয়েছে। সেখানে বেশ কয়েকটি ট্যব রয়েছে। এবারে Startup ট্যব এ চাপুন। এই ট্যব এ আসার পরে অনেক কিছু দেখতে পাবেন। যেমন – স্টার্টাপ আইটেম, কমান্ড, লোকেশন ইত্যাদি। এখানে কিন্তু কিছু গুরুত্বপূর্ণ আইটেম আছে। যদি আপনি এখান থেকে কিছু মডিফাই করেন, তাহলে বেশ সতর্কতার সাথে করবেন। কেবলমাত্র ১০০% নিশ্চিত হয়ে আপনি এখান থেকে এক বা একাধিক আইটেম ডিসেবল করতে পারেন। যেগুলো আপনার পরিচিত মনে হচ্ছেনা, সেগুলো ছোঁবেন না। কারন উল্টোপালটা কিছু ডিসেবল করে হয়ত উইন্ডোজ এ সমস্যা দেখা দিতে পারে। তাই সতর্ক থাকবেন এখানে। নিশ্চিত হবার পরে আপনি কেবল টিক চিহ্ন টি উঠিয়ে দেবেন। আনসিলেক্ট করার পরে নিচের Apply বা OK বাটনে চাপুন। এবার এই কনফিগারেশন সেভ হয়ে যাবে। এরপর যখন আপনি কম্পিউটার রিস্টার্ট করবেন, দেখবেন সেসব অনাকাংখিত প্রোগ্রামগুলো আর অটোমেটিক স্টার্ট হচ্ছেনা। বলাবাহুল্য, আমরা কিন্তু কেবল এগুলোর স্টার্টাপ টা পরিবর্তন করেছি। এসব প্রোগ্রাম এখনো কিন্তু কম্পিউটারে ইন্সটল করা আছে। সম্পূর্ণভাবে রিমুভ করতে চাইলে আপনাকে কন্ট্রোল প্যানেলে গিয়ে আনইন্সটল করে নিতে হবে।

ইন্টারনেট ব্রাউজারে প্রাইভেসী রক্ষার উপায়

Published by:

বন্ধুরা, আগেই কুকিজ নিয়ে একটু লিখেছিলাম। কুকিজ হচ্ছে কিছু টেক্সট ফাইল যেগুলো আপনি বিভিন ওয়েবসাইটে যাবার পরে কম্পিউটারে সেভ হয়ে থাকে। উল্লেখ্য, ভিন্ন অপারেটিং সিস্টেম এবং ভিন্ন ব্রাউজারে কুকিজ গুলো বিভিন্ন ডাইরেক্টরিতে সেভ করা থাকে। কুকিজ প্রযুক্তিটা খারাপ না কিন্তু একে এবিউজ করা যায়। সচেতন ওয়েবসাইট এডমিন আপনার কম্পিউটারে কুকি সেট করলেও তা এমনভাবে করবে যা একদিন বা একটা নির্দিষ্ট সময় পরে অকেজো হয়ে পড়ে বা ডিলিট হয়ে যাবে। আবার কিছু কুকিজ স্থায়ীভাবে থেকে যাবার চেষ্টা করবে এবং আপনার ব্রাউজিং এক্টিভিটি মনিটরিং করবে। এগুলো বেশিরভাগই টার্গেটেড এডভার্টাইজিং এর জন্য ব্যবহার করা হয়। এছাড়াও আপনি একটি সাইট ভিজিট করলেও, আরেকটি সম্পূর্ণ ভিন্ন সাইটও কিন্তু আপনার কম্পিউটারে কুকি সেট করতে পারে যদি আপনার ভিজিট করা সেই সাইটে অন্য থার্ড পার্টি সাইটের লিঙ্ক থাকে। এটা ঘটে আপনারি অজান্তে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে কিন্তু আপনি চাইলে এটা কন্ট্রোল করতে পারেন যদিও ঠিক কোন সাইট তা আপনার অজানা রয়ে যাবে কিন্তু আপনি ব্রাউজারে সেটিং করে দিলে এই থার্ড পার্টি কুকিজ আর সেভ হবেনা আপনার কম্পিউটারে। দু’একটি ক্ষেত্র ছাড়া, আপনি থার্ড পার্টি কুকি বন্ধ করলেও কোন সমস্যা হবেনা। আপনার প্রয়োজনীয় একটি সাইট যদি থার্ড পার্টি কুকিজ ব্যবহার করে থাকে, তাহলে আপনি চাইলে কেবলমাত্র সেই সাইটটিকে ট্রাস্টেড হিসেবে গন্য করে তা থেকে কুকিজ এক্সেপ্ট করতে পারেন।

মিউজিক ফাইল ট্যাগিং

Published by:

ব্যক্তিগতভাবে আমার বিশাল এক বাংলা গানের ভান্ডার আছে। অনেক বছর ধরে সংগ্রহ করা এই কালেকশানে আছে নতুন/পূরনো/ক্লাসিক/মেটাল/পপ/রক/সিনেমা সব ধরনের গান। যাই হোক, অলসতার কারনে বা সময়ের অভাবে আমি যথার্থভাবে সব ফাইলগুলো ট্যাগিং করতে পারিনি। মিনিমাম ফোল্ডার করে ফাইলগুলো মোটামুটি গানের কলি দিয়ে নামকরন করা হয়েছে। এখন ট্যাগিং করতে চাইছি। ট্যাগিং টা যদিও অপশোনাল কিন্তু এটি অনেক কাজে আসে। আপনার ফোন, মিডিয়া প্লেয়ার এসব কিন্তু ফাইল নেম কে এড়িয়ে ট্যাগিং টা প্রথমে রিড করে। তাই ঠিকমতো ট্যাগিং করা না থাকলে যখন আপনি ফাইলগুলো ফোনে কপি করবেন বা মিডিয়া প্লেয়ারে চালাতে যাবেন, তখন অনাকাংখিতভাবে এদিক সেদিক হতে পারে। উদাহরন হিসেবে বলতে পারি যেমন একি গান কিন্তু একাধিক শিল্পী গাইতেই পারেন। আপনি কেবল যদি ফাইলনেম দিয়ে থাকেন, দুটো ফাইলই একি সাথে থাকবে। ট্যাগিং করে দিলে আপনি আর্টিস্ট, বা এলবাম এসব দিক দিয়ে সর্টিং করতে পারবেন। আমার কালেকশন বেশ বড় হওয়ায় অনেক ঝামেলা হয়। তাই অনেক হন্যে হয়ে ভালো একটা ট্যাগিং প্রোগ্রাম খুঁজে নিয়েছি। এর নাম TagScanner এবং এর সর্বশেষ ভার্সন 6.01 (জানুয়ারী ২০১৬) তে মুক্তিপ্রাপ্ত।

এটি ফ্রী সফটওয়্যার। প্রথমে ইন্টারফেস দেখে ভয় পাবার কারন নেই। এটি অনেক পাওয়ারফুল প্রোগ্রাম। যদিও আপনি হয়ত কেবলমাত্র দুএকটি ফাংশন ব্যবহার করবেন। আপনার পরিস্থিতি হয়ত আমার থেকে আলাদা। হয়ত আপনি ফাইলগুলো কোন জেনেরিক নাম (Track01.mp3, Music01.mp3 ইত্যাদি) দিয়ে রেখে দিয়েছেন। সেক্ষেত্রে আপনার যদি ট্যাগিং ঠিকমত করা থাকে, তাহলে সহজেই ট্যাগিং থেকে ফাইলগুলো রিনেম করতে পারবেন। আবার যদি ধরুন আপনার যথার্থ ট্যাগিং নেই কিন্তু আপনি অন্তত আমার মত ফাইলগুলো ঠিক মত নামে সেভ করেছেন (Amar Shonar Bangla.mp3 বা Bhalobashi Bhalobashi.mp3), এক্ষেত্রে আপনি ফাইলনেম থেকে ট্যাগিং জেনারেট করতে পারবেন।

১। শুরুতে আপনাকে Path ফিল্ডে যেখানে মিডিয়া ফাইলগুলো আছে, সেটা পেস্ট করুন যেমন – D:\moved\music\[BANGLA]\Sumon Chattopadhay\

২। এরপর উপরে EDIT অপশন এ গিয়ে ডান পাশে দেখুন অনেকগুলো ফিল্ড আছে। আমি কেবল বেসিক আর্টিস্ট এবং টাইটেল দিতে চাই। এলবাম যেটাই হোক, আর্টিস্ট তো একি। তাই আর্টিস্ট এর নাম দিয়ে দিন। এডিট অপশন থেকে অন্তত এই ফিল্ডটি আপডেট করতে পারেন।

৩। আপনার ফাইলগুলো যদি ঠিকমত নামকরন করা হয়ে থাকে, তাহলে এবার GENERATE অপশন এ আসুন ফাইলনেম থেকে ট্যাগিং করার জন্য। এখানে আবার ডানে দেখুন “Generate tag from filename” অপশন আছে। এটি মূলত আপনার ফাইলনেম রিড করে সেটাকে “Title” ট্যাগ এ পরিণত করবে। আপনার ফাইল ঠিকমত না হলে এটি তেমন কাজে আসবেনা।

ট্যাগ স্ক্যানার মেইন স্ক্রীন