Author Archives: কামরুল হাসান

কন্টাক্ট এবং ক্যলেন্ডার ম্যানেজমেন্ট

Published by:

পরিচিত লোকজন ছাড়াও আমরা নতুন কারু সাথে পরিচয় হওয়া লোকেদের নাম্বার আমরা সাধারণত আমাদের ফোন এ সেভ করি। কোন সমস্যা নেই এতে। কিন্তু আপনার সাধের এই ফোন নষ্ট হয়ে গেল, বা চুরি হয়ে গেল, বা হারিয়ে গেল। এবার কি হবে? আপনার ফোন তো গেলোই তার সাথে সেখানে সেভ করা সব তথ্যগুলোও চলে গেল। সবার ফোন নাম্বার হারালেন আপনি, সবার ছবি হারালেন। আপনি কিভাবে অতি সহজেই এই সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে পারেন? আমি ধরে নিচ্ছি আপনার হ্যন্ডসেটটি একটি আধুনিক অপারেটিং সিস্টেম রান করে যেমন এন্ড্রয়েড বা উইন্ডোজ মোবাইল, ব্ল্যকবেরী বা আইওএস। আপনার নিশ্চয় আউটলুক ইমেইল, ইয়াহু মেইল, বা জিমেইল ইত্যাদি রয়েছে। আমরা সেখানেই সব কিছু করে নেব। বিস্তারিত আলোচনায় যাবার আগে ক্যলেন্ডার সম্পর্কে একটূ বলে নেই। গুরুত্বপূর্ণ দিনগুলো – জন্মদিন, বিবাহবার্ষিকী, ডাক্তারের এপয়েন্টমেন্ট, জব ইন্টারভিউ ইত্যাদি জিনিসগুলো ক্যলেন্ডারে সেভ করতে হবে। এটা আবার কোন ক্যলেন্ডার? ভড়কে যাবেন না। আপনার ইমেইল একাউন্টের সাথে এই ক্যলেন্ডার ফিচারটিও আছে। আপনার যদি কয়েকটী ইমেইল একাউন্ট থাকে, তাহলে আপনি বেছে নিন কোন একাউন্ট আপনার মেইন একাউন্ট। আমরা সেটাতেই সব কিছু সেটাপ করে নেব। মূলত আপনি আপনার প্রিয় ইমেইল একাউন্টে কম্পিউটারে লগিন করে সব তথ্য (কন্টাক্ট, ক্যলেন্ডার ইভেন্ট ইত্যাদি) সেভ করে নেবেন। আধুনিক সব ইমেইল প্রোভাইডার এসব ফিচার দিয়ে থাকে। আপনার প্রোভাইডার এর ইন্সট্রাকশন দেখতে পারেন এ বিষয়ে। আপনার ফোন এ যদি ২০০ টি নাম্বার সেভ করা থাকে, তাহলে কি আপনাকে জিমেইলে (বা অন্য ইমেইল একাউন্টে) লগিন করে কি ২০০ বার টাইপিং করে সেভ করা লাগবে? ভয় পাবেন না। এন্ড্রয়েড ফোন এ আপনি কন্টাক্টগুলো ফোন থেকে “এক্সপোর্ট” করে একটা ফাইল হিসেবে সেভ করে নিতে পারেন। এরপর জিমেইলে সেই ফাইলটী “ইম্পোর্ট” করে নিন। সঠিকভাবে করার পরে আপনার ২০০ কন্টাট ইনফরমেশন জিমেইলে কোন টাইপিং ছাড়াই সেভ হয়ে যাবে। যাই হোক, এবার তো আপনি বর্তমান ২০০ কন্টাক্ট সেভ করে নিলেন। ধরুন আজকে নতুন কারো সাথে পরিচিত হলেন। তার নাম্বার কি ফোন এ সেভ করবেন নাকি জিমেইলে? উত্তর হবে – অবশ্যই জিমেইল। কারন অনেক। এক হলো আপনার ফোনের যাই হোক, একবার জিমেইলে সেভ করে নিলে, সেই কন্টাক্ট আর হারাবেনা। আরো একটি সুবিধা হলো আপনার যদি মাল্টিপল ডিভাইস থাকে (একাধিক হ্যন্ডসেট বা ট্যাবলেট), যখনি আপনি একি জিমেইল দিয়ে লগিন করবেন, তখন সব কন্টাক্ট আপনার সেই ডিভাইসে চলে আসবে। আলাদাভাবে ৫ টি হ্যন্ডসেট এ সেভ করা লাগেনা। এটাও অনেক বড় সুবিধা। কন্টাক্ট এর মত একিভাবে আপনি বিভিন্ন ক্যলেন্ডার ইভেন্ট সেভ করে নিন জিমেইল এ। সিঙ্ক করার পর আপনার সব ডিভাইসে কন্টাক্ট এবং ক্যলেন্ডার ইভেন্ট চলে আসবে।

সাইটএডভাইজর (McAfee SiteAdvisor)

Published by:

McAfee SiteAdvisor (ম্যকাফি সাইট এডভাইজর)

বিশ্বখ্যাত এন্টিভাইরাস কোম্পানী ম্যকাফি আপনাদের বিনামূল্যে দিচ্ছে – সাইট এডভাইজর। এই সাইট এডভাইজরের কাজ কি? এটি মুলত কেবল একটি ব্রাউজার প্লাগিন। ইন্টারনেটে রয়েছে হাজার হাজার ওয়েবসাইট কিন্তু অনেক ওয়েবসাইট আপনার ডেস্কটপের জন্য ক্ষতিকারক। এগুলো পপ-আপ্ এড থেকে শুরু করে বিভিন্ন অনাকাংখিত প্রোগ্রাম ইন্সটল করে ফেলে। এসব থেকে আপনাকে প্রটেকশন দেবে সাইট এডভাইজর। আপনি কোন ক্ষতিকর ওয়েবসাইটে ঢোকার আগেই সতর্কবানী দেখাবে। জেনে রাখুন, আপনাকে কোনভাবেই ব্লক বা মনিটর করা হবেনা। এটি কেবল এডভাইস দেবে। আপনি চাইলে উপদেশ উপেক্ষা করেও যেকোন ওয়েবসাইটে যেতে পারেন।

আরেকটি বিশেষ ফিচার হলো, সাইট সার্চিং করলে আপনি পাশেই গ্রীন ইন্ডিকেটর দেখবেন, যার মানে হলো সাইটটী নিরাপদ। আজি এটি ইন্সটল করে নিন উপরের লিঙ্ক থেকে।

ভার্চুয়ালাইজেশনের ফ্রী টুলস

Published by:

পড়ূন – ভার্চুয়ালাইজেশন কি এবং কেন?

ভার্চুয়ালাইজেশন কি, কেন, কিভাবে ইত্যাদি নিয়ে একটু পরে লিখছি। কিন্তু আপাতত এখানে কিছু টুলস এর তালিকা দিচ্ছি যেগুলো আমাদের কাজে আসবে পরবর্তী টিউটোরিয়ালে। এখানে আমি চারটি টুলস লিস্ট করলাম। দুটি সার্ভার বেসড, দুটি ডেস্কটপ বেসড। মানে হলো, সার্ভার বেসড টুলস এর জন্য ডেডিকেটেড পাওয়ারফুল ডেস্কটপ বা সার্ভার হলে ভাল হয়। আর যে দুটো ডেস্কটপ বেসড, সেগুলো উইন্ডোজের ভেতরেই চলবে তবে যথেস্ট সিপিইউ, আর র‍্যম থাকলে বেশ হয়। এসএসডী থাকলে তো কোন কথাই নেই। সবকিছু হবে অত্যন্ত দ্রুত।

ডেস্কটপ টুলস (এগুলো উইন্ডোজের মধ্যেই ইন্সটল হবে) – এর সুবিধা হচ্ছে, এই ভার্চুয়াল সিস্টেমগুলো খুবি পোর্টেবল। তবে সার্ভারের মত ফ্লেক্সিবল না। এছাড়াও এগুলোর জন্য কোন মেশিন ডেডিকেট করা লাগেনা। আপনার যদি আলাদা সিস্টেম  না থাকে যেটিকে সার্ভারে পরিনত করা যাবেনা, তাহলে এখান থেকে একটি ইন্সটল করুন।

VMWare Workstation Player – রেজিস্টার করে এই ফ্রী সফটওয়্যারটি নামিয়ে নিন।

VirtualBox – এটিও ফ্রি। সরাসরি নামানো যাবে।

সার্ভার টুলস (ফুল ডেডিকেটেড সিস্টেম লাগবে, ডেস্কটপ কে সার্ভারে কনভার্ট করতে হবে) – এসবে কোন ইন্টারফেস থাকেনা। অর্থাত এগুলো ইন্সটল করে, নেটওয়ার্কে যুক্ত করে পরে অন্য কোন ডেস্কটপ বা ল্যপটপ থেকে এই সার্ভারগুলো ম্যনেজ করতে হবে। যেসব ভার্চুয়াল সিস্টেম ইন্সটল হবে, সেগুল সার্ভারেই থাকবে।

vSphere Hypervisor -এটি ভিএমওয়্যার ভিস্ফিয়ার হাইপারভাইজর।

Microsoft HyperV – মাইক্রোসফট হাইপার-ভি।

আইফোন ৬এস/+ এখন সিম ফ্রী পাওয়া যাচ্ছে

Published by:

আইফোনের সর্বশেষ সংস্করন – আইফোন ৬এস এবং ৬এস+। গতকাল থেকে উত্তর আমেরিকার বাজারে এখন থেকে এটি পাওয়া যাচ্ছে সিম ফ্রী, আনলকড। আমেরিকায় সাধারনত মোবাইলগুলো অপারেটর লকড থাকে কারন ক্রেতারা ফোন এর জন্য ফুল পেমেন্ট করেন না। অর্থাৎ আপনি চাইলে লকড ভার্সন মাত্র ১৯৯ ডলারে নিতে পারবেন, কিন্তু আপনার মোবাইল অপারেটর ফোনটি লক করে রাখবে এবং অন্তত দুই বছর তাদের সার্ভিস নিতে হবে। অবশ্য ক্রেতারা এখন পালটে যাচ্ছেন। বর্তমানে অনেক ক্রেতাই ফুল পেমেন্ট করে তাদের ফোন কিনে থাকেন যাতে কোনরুপ কন্ট্রাক্টে যেতে না হয়। ৬এস পাবেন চারটি ভিন্ন রঙে – সিলভার, গোল্ড, রোজ গোল্ড এবং স্পেস গ্রে। অনেকেই ধারনা করেছিল যে অন্তত বেস মডেলটি ৩২গিগাবাইট থেকে শুরু হবে। অর্থাৎ ৩২, ৬৪, ১২৮ গিগাবাইট হবে ফোনগুলো। কিন্তু এপল তাদের বাণিজ্যিক কারনে অত্যন্ত সুচারুভাবে ৩২গিগাবাইট মডেলটী রিলিজ করেনি। কারন ৩২ মডেল থাকলে অনেক ক্রেতাই ৬৪ বা ১২৮ মডেলগুলো কিনবেন না। কিন্তু এখন ১৬গিগবাইট মডেল কিনতে গিয়ে অনেক ক্রেতাই চিন্তা করবেন যে না, আমি ১০০ ডলার বেশি দিয়ে ৬৪ গিগাবাইট মডেলটাই কিনি। ৩২ গিগ মডেল বের না করার কোন টেকনিকাল কারন নেই। এপলের সর্বমোট $210 এর মত খরচ পরে প্রতিটি আইফোন তৈরি করতে।

আইফোন ৬এস এর মুল্য – ১৬ গিগাবাইট $649, ৬৪ গিগাবাইট $749 এবং ১২৮ গিগাবাইট $849

আইফোন ৬এস+ এর মুল্য – ১৬ গিগাবাইট $749, ৬৪ গিগাবাইট $849 এবং ১২৮ গিগাবাইট $949

ডু নট কল রেজিস্ট্রী

Published by:

যারা আমেরিকায় থাকেন এবং মোবাইল ব্যবহার করেন, তারা এর ভুক্তভোগী। আপনি এখানে মোবাইল নিলে, আপনার নাম্বারটি আপনার অজান্তেই টেলিমার্কেটারদের কাছে বিক্রি হয়। টেলিমার্কেটাররা অনেক সোর্স থেকে আপনার নাম্বার পেতে পারে। তবে যেখান থেকেই সংগ্রহ করুক, এখানে কিন্তু একটি ন্যশনাল রেজিস্ট্রি আছে যেখানে আপনার নাম্বার দিলে, টেলিমার্কেটাররা আইনত আপনাকে কোন কল দিয়ে বিরক্ত করতে পারবেনা। আপনি দুই ভাবে রেজিস্ট্রী করতে পারেন।

এক – ওয়েবসাইটের মাধ্যমেঃ https://donotcall.gov/register/reg.aspx

দুই – টোল ফ্রী নাম্বারে কল দিয়েঃ 1-888-382-1222