Category Archives: মোবাইল

বিভিন্ন মোবাইল বিষয়ক খবরাখবর নিয়ে সাজানো এই পেজ।

কন্টাক্ট এবং ক্যলেন্ডার ম্যানেজমেন্ট

Published by:

পরিচিত লোকজন ছাড়াও আমরা নতুন কারু সাথে পরিচয় হওয়া লোকেদের নাম্বার আমরা সাধারণত আমাদের ফোন এ সেভ করি। কোন সমস্যা নেই এতে। কিন্তু আপনার সাধের এই ফোন নষ্ট হয়ে গেল, বা চুরি হয়ে গেল, বা হারিয়ে গেল। এবার কি হবে? আপনার ফোন তো গেলোই তার সাথে সেখানে সেভ করা সব তথ্যগুলোও চলে গেল। সবার ফোন নাম্বার হারালেন আপনি, সবার ছবি হারালেন। আপনি কিভাবে অতি সহজেই এই সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে পারেন? আমি ধরে নিচ্ছি আপনার হ্যন্ডসেটটি একটি আধুনিক অপারেটিং সিস্টেম রান করে যেমন এন্ড্রয়েড বা উইন্ডোজ মোবাইল, ব্ল্যকবেরী বা আইওএস। আপনার নিশ্চয় আউটলুক ইমেইল, ইয়াহু মেইল, বা জিমেইল ইত্যাদি রয়েছে। আমরা সেখানেই সব কিছু করে নেব। বিস্তারিত আলোচনায় যাবার আগে ক্যলেন্ডার সম্পর্কে একটূ বলে নেই। গুরুত্বপূর্ণ দিনগুলো – জন্মদিন, বিবাহবার্ষিকী, ডাক্তারের এপয়েন্টমেন্ট, জব ইন্টারভিউ ইত্যাদি জিনিসগুলো ক্যলেন্ডারে সেভ করতে হবে। এটা আবার কোন ক্যলেন্ডার? ভড়কে যাবেন না। আপনার ইমেইল একাউন্টের সাথে এই ক্যলেন্ডার ফিচারটিও আছে। আপনার যদি কয়েকটী ইমেইল একাউন্ট থাকে, তাহলে আপনি বেছে নিন কোন একাউন্ট আপনার মেইন একাউন্ট। আমরা সেটাতেই সব কিছু সেটাপ করে নেব। মূলত আপনি আপনার প্রিয় ইমেইল একাউন্টে কম্পিউটারে লগিন করে সব তথ্য (কন্টাক্ট, ক্যলেন্ডার ইভেন্ট ইত্যাদি) সেভ করে নেবেন। আধুনিক সব ইমেইল প্রোভাইডার এসব ফিচার দিয়ে থাকে। আপনার প্রোভাইডার এর ইন্সট্রাকশন দেখতে পারেন এ বিষয়ে। আপনার ফোন এ যদি ২০০ টি নাম্বার সেভ করা থাকে, তাহলে কি আপনাকে জিমেইলে (বা অন্য ইমেইল একাউন্টে) লগিন করে কি ২০০ বার টাইপিং করে সেভ করা লাগবে? ভয় পাবেন না। এন্ড্রয়েড ফোন এ আপনি কন্টাক্টগুলো ফোন থেকে “এক্সপোর্ট” করে একটা ফাইল হিসেবে সেভ করে নিতে পারেন। এরপর জিমেইলে সেই ফাইলটী “ইম্পোর্ট” করে নিন। সঠিকভাবে করার পরে আপনার ২০০ কন্টাট ইনফরমেশন জিমেইলে কোন টাইপিং ছাড়াই সেভ হয়ে যাবে। যাই হোক, এবার তো আপনি বর্তমান ২০০ কন্টাক্ট সেভ করে নিলেন। ধরুন আজকে নতুন কারো সাথে পরিচিত হলেন। তার নাম্বার কি ফোন এ সেভ করবেন নাকি জিমেইলে? উত্তর হবে – অবশ্যই জিমেইল। কারন অনেক। এক হলো আপনার ফোনের যাই হোক, একবার জিমেইলে সেভ করে নিলে, সেই কন্টাক্ট আর হারাবেনা। আরো একটি সুবিধা হলো আপনার যদি মাল্টিপল ডিভাইস থাকে (একাধিক হ্যন্ডসেট বা ট্যাবলেট), যখনি আপনি একি জিমেইল দিয়ে লগিন করবেন, তখন সব কন্টাক্ট আপনার সেই ডিভাইসে চলে আসবে। আলাদাভাবে ৫ টি হ্যন্ডসেট এ সেভ করা লাগেনা। এটাও অনেক বড় সুবিধা। কন্টাক্ট এর মত একিভাবে আপনি বিভিন্ন ক্যলেন্ডার ইভেন্ট সেভ করে নিন জিমেইল এ। সিঙ্ক করার পর আপনার সব ডিভাইসে কন্টাক্ট এবং ক্যলেন্ডার ইভেন্ট চলে আসবে।

মোবাইলে অফলাইন ন্যভিগেশন

Published by:

গুগল ম্যপ যারা নিয়মিত ড্রাইভিং করে থাকেন, তাদের জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয় একটি সার্ভিস/এপ। কিন্তু গুগল ম্যপের একটি সমস্যা হচ্ছে এটি সম্পুর্ণ ইন্টারনেট নির্ভর। এর সুবিধা/অসুবিধা দুটোই রয়েছে। মূল অসুবিধেটা হলো যখন আপনার সেলফোনে সার্ভিস থাকবেনা, বা ইন্টারনেট স্লো থাকবে, তখন কিভাবে চলবে এটি? এসব কারনে ন্যভিগেশনের জন্য ব্যবহার করতে পারেন “অফলাইন” ন্যভিগেশন এপ। এগুলোতে আগে থেকেই নির্দিষ্ট দেশের পুরো ম্যপটাই ডাউনলোড করে নিতে পারেন। তাহলে পরে রাস্তায় আর কখনো ইন্টারনেটের প্রয়োজন পড়বেনা। এন্ড্রয়েড এবং আইওএস এ পাবেন হরেক রকম অফলাইন জিপিএস ন্যভিগেশন এপ। এগুলোর মধ্যে বেশ ভালো এবং জনপ্রিয় কয়েকটি হচ্ছে – নোকিয়া হিয়ার ম্যাপস, সিজিক ম্যপস, টমটম ম্যপস, ইত্যাদি। এগুলোর অনেকগুলো আগে বেশ কিছু টাকা দিয়ে কেনা লাগতো। কিন্তু তারা এখন বিজনেস মডেল পরিবর্তন করায় এখন এপস এবং ম্যপগুলো মোটামুটি ফ্রীতেই পাবেন সব। তবে টার্ন বাই টার্ন ন্যভিগেশন করতে গেলে কয়েকটি এপস এ পে করা লাগাবে। এর মধ্যে একমাত্র নোকিয়া সম্পুর্ণ ফ্রীতে এই সুবিধা দিচ্ছে। টমটমে এ ৫০ মেইল পর্যন্ত টার্ন বাই টার্ন ন্যভিগেশন পাওয়া যাবে।

আইওএস ৯ জেলব্রেক হয়েছে

Published by:

এপল আইওএস অত্যন্ত জনপ্রিয় এতে সন্দেহ নেই। ফাংশান তুলনামূলক কম থাকা সত্ত্বেও এটি অনেক জনপ্রিয়। কিন্তু প্লাটফর্মটি বেশ লকড-ডাউন হবার কারনে অনেকে ব্যবহার করেন না। আবার কিছু ব্যবহারকারী আইওএস এ আরেকটু স্বাধীনতা পেতে চান। তাদের জন্যই এ “জেলব্রেক” পদ্ধতি। এই জেলব্রেক মূলত কি? এটি তেমন কিছুই নয়, এটি কেবল সুপারইউজার অনুমতি লাভ করা যেটা সাধারনত দেয়া হয়না। আইওএস এ জেলব্রেকের পর চাইলে এপল এপস্টোরের বাইরে থেকেও এপ্লিকেশন ইন্সটল করা যায়। ভিন্ন এপ্লিকেশন ইন্সটল ছাড়াও আরো দু’একটি সুবিধা পাওয়া যায় জেলব্রেকের পরে। তবে কিছু কিছু ক্ষেত্রে জেলব্রেকের পরে ফোন আনস্টেবল হয়ে যায়, ফোনের ওয়ার‍্যেন্টি আর থাকেনা, সিকিউরটি কম্প্রোমাইজড হয়ে যায়। এসব বিবেচনা করে আবার অনেকেই জেলব্রেক করা থেকে বিরত থাকেন। যাই হোক, যারা জেলব্রেক করতে চান, তাদের জন্য সুখবর। পাংগু (Pangu) এর মাধ্যমে আইওএস ৯ থেকে শুরু করে ৯.০.২ পর্যন্ত জেলব্রেক করা যায়। আপাতত কেবল উইন্ডোজে ভার্সনে পাংগু ইন্সটল করে আপনার আইফোন জেলব্রেক করতে হবে।

এন্ড্রয়েডের অসাধারন কিছু এপস ১

Published by:

অনেকের কাছে আজকাল এন্ড্রয়েড ফোন দেখা যায়। দেখা যায় বেশিরভাগ ব্যবহারকারীরা এর ফুল পটেনশিয়াল উপলব্ধি করেন না। শুধু কলিং, টেক্সটিং, ফেসবুক এর মত গুটিকয়েক কাজে ব্যবহার করে থাকেন। দেখা যাক আরো কি কি করা যেতে পারে। নিন্মের প্রায় সব এপ্লিকেশন সরাসরি গুগল প্লে এপ স্টোরেই পাওয়া যাবে ফ্রী তে।

এয়ারড্রয়েড (Airdroid): অসাধারন একটি এপ। আপনার লোকাল ওয়াইফাই নেটওয়ার্কে এয়ারড্রয়েডের মাধ্যমে প্রায় সব কিছুই করতে পারবেন ফোন না ধরেই। সেটা ছাড়াও ইন্টারনেটের মাধ্যমেও এসব করা সম্ভব। যেকোন কম্পিউটারে কোন কেবল ছাড়াই ব্যকাপ, ফাইল ট্রান্সফার, ছবি/ভিডিও দেখা, এপ ইন্সটল করা যায়। ধরুন আপনার বন্ধুর বাসায় গিয়ে ফোনে কিছু ফাইল ঢুকাবেন বা বন্ধুকে ফোন থেকে কিছু ফাইল কম্পিউটারে ট্রান্সফার করবেন কিন্তু কেবল টা যে নেই? কোন সমস্যা নেই। এয়ারড্রয়েডে ওয়াইফাই অন করে ট্রান্সফার করুন কেবল ছাড়াই। নেটওয়ার্ক স্পীড ভালো হলে ফোনের ক্যমেরা থেকেই ভিডিও স্ট্রিমিং করতে পারবেন। আরেকটি বিশেষ ব্যপার হলো, আপনি ফোন না ধরেই এসএমএস পাঠানো, রিপ্লাই সবি করতে পারবেন। ধরুন আপনি ফোন বাসায় রেখে অফিসে চলে গেছেন। কিন্তু এয়ারড্রয়েড একাউন্ট সেট করে নিলে অফিসে বসে বসে ফোনের এসএমএস পড়া/পাঠানো দুটোই করতে পারবেন। বলতে গেলে প্রায় ৮০% কাজ ফোন না ধরেই, ওয়াইফাই দিয়ে সেরে ফেলা যায়।

টাস্কার (Tasker): টাস্কার আরেকটি দারুন এপ পাওয়ার ইউজারদের জন্য। এর মূল ফাংশান হোলো অটোমেশন। টাস্কার শিখতে একটু সময় লাগতে পারে। তবে একবার এর মর্ম বুঝতে পারলে এর ক্ষমতা টের পাবেন। এটা দিয়ে কি করতে পারি, এ প্রশ্ন না করে আপনি উলটো বলবেন যে টাস্কার দিয়ে কি করা যায়না? টাস্কারের রয়েছে দুটো ভাগ – কন্টেক্সট এবং টাস্ক। কন্টেক্সট টা হচ্ছে কি, কিসের নির্ভর করে, টাইম, লোকেশন, ক্যলেন্ডার ইত্যাদি। টাস্ক হলো কি কাজ করবে, ফোন সাইলেন্ট করবে, মেসেজ পাঠাবে, কাউকে কল দেবে ইত্যাদি। ধরুন আপনার বন্ধুর জন্মদিন জানুয়ারীর ১২ তারিখ। রাত ১২টায় তাকে শুভেচ্ছা এসএমএস পাঠাতে চান। বেশ, টাস্কের এটি ডিফাইন করে দিন সেই মতো। ১২ তারিখ রাত বারোটায় আপনার মেসেজ চলে যাবে যখন আপনি ঘুমিয়ে থাকবেন। তারপর ধরুন রাত ১০টা থেকে সকাল ৬টা পর্যন্ত ফোন ভাইব্রেশন এ রাখতে চান এবং ডাটা/ওয়াইফাই কানেকশান অফ করে দিতে চান। টাস্কারে সেভাবে একটি টাস্ক ডিফাইন করুন। প্রতিদিন সেই সময়ে সব নেট কানেকশান বন্ধ হয়ে যাবে। আবার ধরুন অফিসে মিটিং এ যাচ্ছেন, টাস্কারে আপনি চাইলে অটোমেটিকভাবে ফোন ভাইব্রেশনে বা সাইলেন্টে পাঠিয়ে দিতে পারেন যেটা আপনার ক্যলেন্ডারের উপর নির্ভর করবে। তারপর আরো ধরুন আপনি ড্রাইভিং করছেন সে সময় কল বা এসএমএস এলো, টাস্কার চাইলে একটা অটো রিপ্লাই দিতে পারে আপনার হয়ে। অতএব দেখতেই পাচ্ছেন টাস্কারের কোন প্রিডিফাইন্ড ফাংশান নেই। আপনাকেই জানাতে হবে যে টাস্কারের মাধ্যমে আপনি কি করতে চান।

ইউনিফাইড রিমোট (Unified Remote): আরো একটি দারুন এপ এটি। আপনার ফোনের স্ক্রীন কে একটি ওয়ারলেস কিবোর্ড/মাউসে পরিণত করতে পারেন। এর জন্য অবশ্য আপনার ডেস্কটপ বা ল্যপটপে ছোট্ট একটি প্রোগ্রাম ইন্সটল করা লাগবে। এরপর এপ ইন্সটল করে দূরে থেকেই কন্ট্রোল করুন আপনার পিসি। বেসিক কিবোর্ড মাউস ছাড়াও এর আরো অনেক ফাংশান রয়েছে। এছাড়াও আপনার ফোনে যদি IR blaster বা ইনফ্রারেড থাকে, তাহলে এটি দিয়ে আপনার টিভি, কেবল, ডিভিডি প্লেয়ার ইত্যাদি কন্ট্রোল করতে পারবেন।

আজ এই তিনটি নিয়ে লিখলাম। পরে আরো কিছু যোগ করবো।

মোবাইল – কি কিনবো? কি কেনা উচিত? শপিং গাইড

Published by:

বেশিরভাগ ব্যক্তিগত মোবাইল আজকাল একটি স্ট্যাটাস সিম্বল। কেউ কেউ আছেন স্বল্পদামী মোবাইল ব্যবহার করেন, কেউ নামি-দামী মোবাইল সেট পছন্দ করেন, কেউ বাহ্যিক আকারের কারনে ব্যবহার করেন, কেউ কেউ ফাংশানের জন্য ব্যবহার করে থাকেন। যার যা পছন্দ এবং প্রয়োজন সেভাবে তার মোবাইল সেট সিলেক্ট করে থাকেন। এখানে রাইট বা রং এর কিছুই নেই। সবকিছুর মূলে অবশ্য বাজেট। আমি দশ হাজার টাকার মোবাইল কিনবো নাকি ষাট হাজার টাকার মোবাইল কিনবো সেটা আমার উপরেই। বাজেট ঠিক হবার পরে কি কি ফিচার দেখা উচিত তা নিয়ে লিখছিঃ

ক্যমেরা – ছবি তোলা কে না পছন্দ করেন। ছবি অমূল্য। আপনার ফোন পাল্টাতে পারবেন এক নিমিষেই কিন্তু হারিয়ে যাওয়া ছবি আর পাবেন না। জীবনের সুন্দর মূহুর্তগুলো ক্যমেরাবন্দী করার জন্য ভালো ক্যমেরা চাই। মেগাপিক্সেলের পাশাপাশি লেন্স কোয়ালিটি অনেক গুরুত্বপূর্ণ। বর্তমানে খুব কম স্মার্টফোনেই অপটিকাল ইমেজ স্ট্যাবিলাইজেশন (OIS) রয়েছে। নোকিয়া/মাইক্রোসফটের আগামী কিছু ফোনে এ ফিচার থাকার কথা রয়েছে। তাই পছন্দের মোবাইলে জেনে নিন ক্যমেরা কার তৈরি, রিভিউ কেমন, কোয়ালিটি কেমন। প্রফেশনাল ফটোগ্রাফারদের দ্বারা লেখা ফোন ক্যমেরা রিভিউ দেখুন ডিপিরিভিউ (DP Review) এবং সেরা ক্যমেরা তালিকা দেখুন ডিএক্সও মার্ক (DxO Mark) এ। বর্তমানে সেরা দশ ক্যমেরা ফোন হলো (এক থেকে দশ) –

সনি এক্সপেরিয়া জি৫ > স্যমসাং এস৬ এজ > গুগল নেক্সাস ৬পি > এলজি জি৪ > স্যমসাং নোট ৪ > মোটোরলা এক্স স্টাইল > সনি এক্সপেরিয়া জি৩+ > এপল আইফোন ৬+ > এপল আইফোন ৬ > স্যমসাং এস৫

স্টোরেজ – আইফোনে এ স্টোরেজ ফিক্সড। কাজেই আইফোন কেনার আগে এ স্টোরেজ নিয়ে একটু ভেবে দেখবেন। এন্ড্রয়েড এবং উইন্ডোজ ফোনের স্টোরেজ ক্যপাসিটি মেমরি কার্ড দিয়ে খুব সহজেই এবং সস্তায় বাড়ানো যায় যেটা আইফোনে সম্ভব নয়। আপনি ফোন এ কি কি রাখতে চান? এক গাদা ফাইল? পোর্টেবল পেন ড্রাইভ বা হার্ড ড্রাইভ হিসেবে ব্যবহার করতে চান? ছবি? গান? ভিডিও? প্রশ্ন করুন নিজেকে। এন্ড্রয়েড স্টোরেজ এবং আইওএস স্টোরেজ নিয়ে বিস্তারিত জানতে এগুলো পড়ে নিন।

নেটওয়ার্ক – আপনি আপনার ডিভাইসটি কোথায় ব্যবহার করবেন? বাংলাদেশ? আমেরিকা? সেখানে ৩জি বা ৪জি নেটওয়ার্কের কোন কোন ফ্রিকোয়েন্সীতে চলে? আপনার সার্ভিস কোন ব্যন্ড এ চলে? আপনার সম্ভাব্য ফোনে সেই ব্যন্ডগুলো আছে তো? এসব তথ্য পাবেন ফোনের টেকনিকাল স্পেসিফিকেশন পেজ এ। ফোন ডাটাবেজ পিডিএডিবি (PDAdb) থেকেও পেতে পারেন এসব তথ্য। এছাড়াও ফোন এরেনা (PhoneArena) তে পাবেন আরো অনেক তথ্য এবং রিভিউ।

ব্যটারি লাইফ – আজকাল স্মার্টফোনে কেবল শুধু কথাই নয়, ছবি তোলা থেকে শুরু করে চ্যাটিং, ব্যঙ্কিং, শপিং সবকিছু হয়ে থাকে। আর এসবের জন্য চাই ভালো, দীর্ঘমেয়দী ব্যটারি লাইফ। বর্তমানে ফোনগুলো গড়ে একদিন চলে নরমাল্ ব্যবহারে। এখন আপনি যদি খুব হেভি ইউজার হয়ে থাকেন, তাহলে আপনার এটা নিয়ে চিন্তা করা উচিত। সব সময় আপনি চার্জারের আশেপাশে থাকবেন? আলাদা ব্যটারী বা চার্জার সঙ্গে নিয়ে ঘুরবেন? আজকাল অবশ্য কিছু পোর্টেবল ব্যটারী “জুস প্যক” পাওয়া যায়। এগুলো দেখতে অনেকটা মোবাইল সেটের মতই, যেগুলো থেকে ইউএসবি তার দিয়ে আপনার মোবাইল রিচার্জ করা সম্ভব। হেভি ইউজারদের জন্য এটি আরেকটি বিকল্প।

সর্বশেষে একটা কথা বলতে চাই। সেটা হলো যারা পাওয়ার ইউজার আছেন, তাদের কাছে এন্ড্রয়েড প্লাটফর্ম পছন্দ হবে। এতে প্রচুর অপশন/ফিচার রয়েছে যেগুলো আইওএস এ কল্পনাতীত। আইওএস পাওয়ার ইউজারদের জন্য ভীষণভাবে লিমিটেড। মনে রাখবেন, “এন্ড্রয়েড” কোন ফোন নয়, এটা একটা প্লাটফর্ম। এন্ড্রয়েডে পাঁচ হাজার টাকার ফোন আছে আবার পঞ্চাশ হাজার টাকার ফোন ও আছে। এখন কেউ যদি স্বল্পদামী এন্ড্রয়েড ব্যবহার করে বলে থাকে যে এন্ড্রুয়েড ফালতু, স্লো, এটা কেবল তাদের অজ্ঞতারই প্রকাশ। এন্ড্রয়েড ব্যবহার খুবি সহজ। আপনি যেভাবে মন চায় সেভাবে পার্সোনালাইজড এবং কন্ট্রোল করতে পারবেন। এন্ড্রয়েড ভালো না লাগলে মাইক্রোসফট উইন্ডোজ ফোন অথবা এপল আইফোন নিতে পারেন। এগুলোর ব্যবহার ও সহজ। তবে উইন্ডোজে এ এপ্লিকেশন সংখ্যা একটু কম। যদিও উইন্ডোজ ১০ রিলিজের পর এটি অনেক বেড়ে যাবে। উইন্ডোজ বা আইওএস এগুলো কোনটাই এন্ড্রয়েডের মত ফিচার রিচ বা ফ্লেক্সিবল নয়। আপনি যদি শুধু গুটিকয়েক কাজের জন্য স্মার্টফোন নিয়ে থাকেন তাহলে আপনি এন্ড্রয়েড, আইওএস বা উউন্ডোজেই যান না কেন, সেটা খুব একটা প্রভাব ফেলবেনা। যখনি আপনি আপনার মত ইচ্ছেমত কিছু করতে যাবেন, তখনি আপনি এন্ড্রয়েডের ফ্লেক্সিবিলিটি আর আইওএস এর লিমিটেশন বুঝতে পারবেন।