Category Archives: নিরাপত্তা

এখানে মূলত সিকিউরিটি বিষয়ক টপিক নিয়ে গঠিত হবে।

ডিজিটাল ডাটা নিরাপত্তার ভবিষ্যত

Published by:

আমরা আমাদের কম্পিউটারে ভাইরাস, ম্যলওয়্যার ঢুকলো কিনা, এডওয়্যার ইন্সটল হয়ে গেল কিনা এই নিয়ে চিন্তিত থাকি। কম্পিউটার, মোবাইল, ট্যবলেট এসবের প্রচলন বেড়েছে। সেই সাথে বেড়েছে এসব ভিন্ন ধরনের ডিজিটাল থ্রেটগুলো। বহুবছর আগে আমরা কেবল ভাইরাস নিয়ে ভাবতাম এবং কম্পিউটারে একটি এন্টিভাইরাস ইন্সটল করেই মোটামুটী নিরাপদেই থাকতাম। কিন্তু এরপর এলো এডওয়্যার, স্পাইওয়্যার আরো কত কি। এগুলোর মোকাবেলার জন্য চাই ভিন্ন স্ট্র্যাটেজি। এন্টিভাইরাস আপনাকে সকল কিছু থেকে নিরাপত্তা দেবেনা। কম্পিঊটারে নিরাপদ থাকার জন্য এবং বিপদমুক্ত থাকার জন্য এন্টিভাইরাসের পাশাপাশি থাকা চাই কিছু ইউজার নলেজ। যাই হোক, আজ সংক্ষিপ্তভাবে লিখবো আরো একটু জেনারেল, ব্রড ভাবে কিভাবে ডাটা নিরাপদ করা হবে ভবিষ্যতে।

বর্তমান –

আপনি যদি হোম ইউজার হয়ে থাকেন, তাহলে হয়ত আপনার একটি বা দুটি কম্পিউটার রয়েছে। হয়ত আছে আরো কিছু ফোন বা ট্যবলেট। আমাদের বেশিরভাগ সবাই কিন্তু ওই কম্পিউটারেই যতকিছু আছে তা সেভ করি। ছবি, গান, ভিডিও ইত্যাদি সব সেখানেই সেভ করি। ধরা যাক আপনি সাধারন ইউজারের তুলনায় আরো স্মার্ট। আপনি সব ডাটার দুটো করে কপি করে রেখেছেন। মানে এক্সটার্নাল হার্ড ডিস্কে বা অন্য কোন অপ্টিকাল মিডিয়াতে বার্ন করে রেখেছেন। এটা অবশ্যই ভালো করেছেন। ধরা যাক আপনার কম্পিউটারে একটি ম্যলওয়ার ঢুকলো, সেটি ফলস্বরুপ আপনার সব ডাটা করাপ্ট করে ফেলবে। যেহেতু আপনি আগেই আরেকটী ডুপ্লিকেট করে রেখেছেন, এ যাত্রায় বেঁচে যাবেন। কিন্তু ধরুন একজন সাধারন ইউজারের কি হবে এক্ষেত্রে? তার তো হায় হায় করা ছাড়া উপায় নেই? এবারে আসুন, দেখি বড় বড় অফিস বা বিজনেসগুলো কিভাবে তাদের ডাটা সংরক্ষণ করে। অফিস সাধারনত সব কর্মচারীর কম্পিউটার থাকে কিন্তু তারা যেসব ফাইল নিয়ে কাজ করে, সেগুল থাকে অন্য একটি সার্ভার বা নেটওয়ার্কে ফোল্ডারে। কোন কর্মচারীর কম্পিউটারে ম্যলওয়ার ঢুকে গেলেও সেই নেটওয়ার্ক ফোল্ডারে রাখা তথ্যগুলো নিরাপদ নয় কি? ব্যপারটা আসলে ততটা সহজ নয়। এর উত্তর নির্ভর করছে ঠিক কোন ম্যলওয়ার মেশিনটিকে ইনফেক্ট করেছে কারন কিছু কিছু ম্যলওয়ার আছে যেগুলো লোকাল কম্পিউটারের ফাইল ছাড়াও নেটওয়ার্ক ফাইল ও করাপ্ট করতে সক্ষম। এখানে বলাবাহুল্য যে অফিস বা বিজনেস এনভারনমেন্টে যথেষ্ট প্রটেকশন মেকানিজন এপ্লাই করা হয় কিন্তু এরপরেও ম্যলওয়ার ঢুকতে পারে। কাজেই দেখা যাচ্ছে সাধারন হোম ইউজারের তুলনায় সতর্ক থাকার পরেও বিজনেস/অফিস ফাইল ম্যলওয়ার দ্বারা আক্রান্ত হতে পারে।

ভবিষ্যত –

এটাকের ধরন পাল্টেছে। এর সাথে পাল্টাতে হবে প্রটেকশন মেকানিজম। আজকাল ভার্চুয়ালাইজেশন নিয়ে অনেক কিছু হচ্ছে। এটাই মুলত ভবিষ্যত। এর অনেক সুবিধে রয়েছে। এই ভার্চুয়ালাইজেশনের একটি অংশ হচ্ছে ভিডিআই (VDI) বা ভার্চুয়াল ডেস্কটপ ইনফ্রাস্ট্রাকচার। এই ভিডিআই আবার কি? এর মাধ্যমে আপনার কাছে থাকবে একটি ডাম্ব থিন ক্লায়েন্ট। থিন ক্লায়েন্ট একটি ছোট কম্পিউটারের মত। এর নিজস্ব তেমন কোন পাওয়ার নেই এবং এটি উইন্ডোজ বা লিনাক্সের অতি অতি সংক্ষিপ্ত ভার্সনে চলে। মাত্র হাতে গোনা কয়েকটি ফিচার থাকে। এগুলোর মূল কাজ হলো ইউজার কে নেটওয়ার্কের সাথে যুক্ত করা। মূলত ইউজার লগিন করার পর তাদের একটি ভার্চুয়াল “সেশন” দেয়া হয়। এই সেশন একটী ফুল ব্লোওন উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেম হতে পারে, অথবা হতে পারে ভার্চুয়ালাইজড এপ্লিকেশন। ইউজার যখন লগ-আউট করবে, সেই ভার্চুয়াল সেশন চিরতরে হারিয়ে যাবে। যেহেতু ডাটা ফাইল গুলো থাকে অন্যত্রে, কাজেই এই সেশনের কোন মূল্য নেই। ধরা যাক একটি সেশন ভাইরাসে আক্রান্ত হলো, কিন্তু যেহেতু এগুলো ডিস্পোজেবল, ইউজার লগ-আউট করার সাথে সাথেই সেই ভাইরাস বা অন্য থ্রেট টিও চিরতরে হারিয়ে যাবে সেশনের সাথে। কিন্তু আগেই উল্লেখ করেছি কিছু কিছু ম্যলওয়ার নেটওয়ার্ক এট্যাক করতে সক্ষম। তাই হারিয়ে যাবার আগেই হয়ত সিফস শেয়ার (নেটওয়ার্ক শেয়ার) এ রক্ষিত ফাইল ইনফেক্ট করতে পারে। ট্র্যাডিশনাল ডেস্কটপ মুলত একটি হাব এ পরিনত হবে। এর মধ্যে কোন ফাইল থাকবেনা বটে, তবে এটি দিয়ে ফাইল এক্সেস করা হবে যেগুলো অন্য জায়গায় রক্ষিত। সাধারনত স্যান বা ন্যাস এ রাখা হয় এসব। এর সুবিধে হলো ডাটার স্ন্যপশট নেয়া যায়। যদি ফাইল ডীলিট হয়ে যায় বা ইনফেক্টেড হয়ে যায়, ঘড়ির কাঁটা ঘুরিয়ে পেছনে যাওয়া যায়।

দেখা যাচ্ছে সব কিছু ভার্চুয়াল করেও একদম ১০০% নিরাপদ থাকা যাচ্ছেনা। এটা কখনো সম্ভব হবেনা।

এড ব্লকার প্লাগিন – ফায়ারফক্স / ক্রোম ব্রাউজার

Published by:

ওপেরা, ক্রোম এবং ফায়ারফক্স অত্যন্ত জনপ্রিয় ব্রাউজার। বর্তমানে সর্বাধিক প্রচলিত ব্রাউজার হচ্ছে যথাক্রমে – ক্রোম, ফায়ারফক্স, ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার, ওপেরা। ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার ছাড়া আর বাকি সবগুলো এমনকি আপনার মোবাইল প্লাটফর্মেও পাবেন। ডেস্কটপ ভার্সনে নিরাপদে ব্রাউজিং এর জন্য আপনারা দুটো পদক্ষেপ নিতে পারেন। এক – ম্যকাফি সাইট এডভাইজর (McAfee SiteAdvisor) ইন্সটল করে নেবেন, দুই – একটি ভালো এড ব্লকার (যেমন – ঘোস্টারী / Ghostery) ইন্সটল করে নেবেন। এগুলো দুটোই আপনাকে সুরক্ষিত রাখবে। সাইট এডভাইজর আপনাকে ম্যলওয়ার সাইটে ঢোকার আগেই সতর্কবানী দেখাবে, আর ঘোস্টারীর মাধ্যমে আপনি ওয়েবসাইটের বিরক্তিকর এড দেখা থেকে বেচে যাবেন। ডেস্কটপে এই প্লাগিন দুটো মোটামুটি সব ব্রাউজারেই ইন্সটল হবে। কাজেই আজি ইন্সটল করে সুরক্ষিত করুন। এবারে মোবাইলে কিভাবে সুরক্ষিত থাকবেন?

এন্ড্রয়েড – ক্রোম এবং ফায়ারফক্স দুটোই আছে এই প্লাটফর্মে তবে শুধু ফায়ারফক্স এ ঘোস্টারী প্লাগিন ইন্সটল হবে। আপাতত ক্রোম এ প্লাগিন সাপোর্ট নেই।

আইওএস – আইওএস এ ফায়ারফক্স ব্রাউজার নেই। এতে আছে ক্রোম, সাফারী এবং অন্য কিছু থার্ড-পার্টী ব্রাউজার। এগুলোর কোন কোনটার মধ্যে হয়ত নিজস্ব এড ব্লকিং থাকতে পারে। অবশ্য আইওএস ৯ এ সাফারীতে কিছু এড ব্লকিং যুক্ত হয়েছে।

ব্যকবক্স (BackBox Linux) লিনাক্স ৪.৪

Published by:

আপনারা জানেন লিনাক্স একটি ওপেন সোর্স কম্পিউটার অপারেটিং সিস্টেম। বিভিন্ন ডেভেলপার এবং কোম্পানী এটিকে বিভিন্নভাবে কাজে লাগাচ্ছে। তেমনি একটি প্রজেক্ট ব্যকবক্স লিনাক্স। এর মূল উদ্দেশ্য সিকিউরিটি রিসার্চ। ইতালিয়ান ডেভেলপারদের উবুন্তু নির্ভর ব্যকবক্স (BackBox Linux) মোটামুটি ভালোই জনপ্রিয়। তবে নিরাপত্তা রিসার্চারদের কাছে সবচে জনপ্রিয় ক্যালি (Kali Linux) যেটি আগে ব্যকট্র্যক (BackTrack Linux) হিসেবে পরিচত ছিল। ব্যকবক্সের সর্বশেষ সংস্করণ ভার্সন ৪.৪। এর ব্যবহার সহজ, নিয়মিত আপডেট হয়। উবুন্তুর আদলে তৈরি হলেও ব্যকবক্সের রয়েছে নিজস্ব সফটওয়্যার রিপোজিটরি এবং সিকিউরিটি রিলেটেড অসংখ্য টুলস। সাধারন ব্যবহারের পাশাপাশি এটিকে আপনি বিভিন্ন কাজে ব্যবহার করতে পারেন যেমন – পেন টেস্টিং, ইনসিডেন্ট রিসপন্স, কম্পিউটার ফরেনজিক, ইন্টেলিজেন্স গ্যাদারিং। ভার্সন ৪.৪ এর কার্নেল ৩.১৯।

ব্যকবক্স লিনাক্স স্ক্রীনশটঃ https://www.backbox.org

সাইটএডভাইজর (McAfee SiteAdvisor)

Published by:

McAfee SiteAdvisor (ম্যকাফি সাইট এডভাইজর)

বিশ্বখ্যাত এন্টিভাইরাস কোম্পানী ম্যকাফি আপনাদের বিনামূল্যে দিচ্ছে – সাইট এডভাইজর। এই সাইট এডভাইজরের কাজ কি? এটি মুলত কেবল একটি ব্রাউজার প্লাগিন। ইন্টারনেটে রয়েছে হাজার হাজার ওয়েবসাইট কিন্তু অনেক ওয়েবসাইট আপনার ডেস্কটপের জন্য ক্ষতিকারক। এগুলো পপ-আপ্ এড থেকে শুরু করে বিভিন্ন অনাকাংখিত প্রোগ্রাম ইন্সটল করে ফেলে। এসব থেকে আপনাকে প্রটেকশন দেবে সাইট এডভাইজর। আপনি কোন ক্ষতিকর ওয়েবসাইটে ঢোকার আগেই সতর্কবানী দেখাবে। জেনে রাখুন, আপনাকে কোনভাবেই ব্লক বা মনিটর করা হবেনা। এটি কেবল এডভাইস দেবে। আপনি চাইলে উপদেশ উপেক্ষা করেও যেকোন ওয়েবসাইটে যেতে পারেন।

আরেকটি বিশেষ ফিচার হলো, সাইট সার্চিং করলে আপনি পাশেই গ্রীন ইন্ডিকেটর দেখবেন, যার মানে হলো সাইটটী নিরাপদ। আজি এটি ইন্সটল করে নিন উপরের লিঙ্ক থেকে।