Category Archives: প্রযুক্তি

সাধারন প্রযুক্তির বিভিন্ন খবর।

মিউজিক ফাইল ট্যাগিং

Published by:

ব্যক্তিগতভাবে আমার বিশাল এক বাংলা গানের ভান্ডার আছে। অনেক বছর ধরে সংগ্রহ করা এই কালেকশানে আছে নতুন/পূরনো/ক্লাসিক/মেটাল/পপ/রক/সিনেমা সব ধরনের গান। যাই হোক, অলসতার কারনে বা সময়ের অভাবে আমি যথার্থভাবে সব ফাইলগুলো ট্যাগিং করতে পারিনি। মিনিমাম ফোল্ডার করে ফাইলগুলো মোটামুটি গানের কলি দিয়ে নামকরন করা হয়েছে। এখন ট্যাগিং করতে চাইছি। ট্যাগিং টা যদিও অপশোনাল কিন্তু এটি অনেক কাজে আসে। আপনার ফোন, মিডিয়া প্লেয়ার এসব কিন্তু ফাইল নেম কে এড়িয়ে ট্যাগিং টা প্রথমে রিড করে। তাই ঠিকমতো ট্যাগিং করা না থাকলে যখন আপনি ফাইলগুলো ফোনে কপি করবেন বা মিডিয়া প্লেয়ারে চালাতে যাবেন, তখন অনাকাংখিতভাবে এদিক সেদিক হতে পারে। উদাহরন হিসেবে বলতে পারি যেমন একি গান কিন্তু একাধিক শিল্পী গাইতেই পারেন। আপনি কেবল যদি ফাইলনেম দিয়ে থাকেন, দুটো ফাইলই একি সাথে থাকবে। ট্যাগিং করে দিলে আপনি আর্টিস্ট, বা এলবাম এসব দিক দিয়ে সর্টিং করতে পারবেন। আমার কালেকশন বেশ বড় হওয়ায় অনেক ঝামেলা হয়। তাই অনেক হন্যে হয়ে ভালো একটা ট্যাগিং প্রোগ্রাম খুঁজে নিয়েছি। এর নাম TagScanner এবং এর সর্বশেষ ভার্সন 6.01 (জানুয়ারী ২০১৬) তে মুক্তিপ্রাপ্ত।

এটি ফ্রী সফটওয়্যার। প্রথমে ইন্টারফেস দেখে ভয় পাবার কারন নেই। এটি অনেক পাওয়ারফুল প্রোগ্রাম। যদিও আপনি হয়ত কেবলমাত্র দুএকটি ফাংশন ব্যবহার করবেন। আপনার পরিস্থিতি হয়ত আমার থেকে আলাদা। হয়ত আপনি ফাইলগুলো কোন জেনেরিক নাম (Track01.mp3, Music01.mp3 ইত্যাদি) দিয়ে রেখে দিয়েছেন। সেক্ষেত্রে আপনার যদি ট্যাগিং ঠিকমত করা থাকে, তাহলে সহজেই ট্যাগিং থেকে ফাইলগুলো রিনেম করতে পারবেন। আবার যদি ধরুন আপনার যথার্থ ট্যাগিং নেই কিন্তু আপনি অন্তত আমার মত ফাইলগুলো ঠিক মত নামে সেভ করেছেন (Amar Shonar Bangla.mp3 বা Bhalobashi Bhalobashi.mp3), এক্ষেত্রে আপনি ফাইলনেম থেকে ট্যাগিং জেনারেট করতে পারবেন।

১। শুরুতে আপনাকে Path ফিল্ডে যেখানে মিডিয়া ফাইলগুলো আছে, সেটা পেস্ট করুন যেমন – D:\moved\music\[BANGLA]\Sumon Chattopadhay\

২। এরপর উপরে EDIT অপশন এ গিয়ে ডান পাশে দেখুন অনেকগুলো ফিল্ড আছে। আমি কেবল বেসিক আর্টিস্ট এবং টাইটেল দিতে চাই। এলবাম যেটাই হোক, আর্টিস্ট তো একি। তাই আর্টিস্ট এর নাম দিয়ে দিন। এডিট অপশন থেকে অন্তত এই ফিল্ডটি আপডেট করতে পারেন।

৩। আপনার ফাইলগুলো যদি ঠিকমত নামকরন করা হয়ে থাকে, তাহলে এবার GENERATE অপশন এ আসুন ফাইলনেম থেকে ট্যাগিং করার জন্য। এখানে আবার ডানে দেখুন “Generate tag from filename” অপশন আছে। এটি মূলত আপনার ফাইলনেম রিড করে সেটাকে “Title” ট্যাগ এ পরিণত করবে। আপনার ফাইল ঠিকমত না হলে এটি তেমন কাজে আসবেনা।

ট্যাগ স্ক্যানার মেইন স্ক্রীন

ডিজিটাল ডাটা নিরাপত্তার ভবিষ্যত

Published by:

আমরা আমাদের কম্পিউটারে ভাইরাস, ম্যলওয়্যার ঢুকলো কিনা, এডওয়্যার ইন্সটল হয়ে গেল কিনা এই নিয়ে চিন্তিত থাকি। কম্পিউটার, মোবাইল, ট্যবলেট এসবের প্রচলন বেড়েছে। সেই সাথে বেড়েছে এসব ভিন্ন ধরনের ডিজিটাল থ্রেটগুলো। বহুবছর আগে আমরা কেবল ভাইরাস নিয়ে ভাবতাম এবং কম্পিউটারে একটি এন্টিভাইরাস ইন্সটল করেই মোটামুটী নিরাপদেই থাকতাম। কিন্তু এরপর এলো এডওয়্যার, স্পাইওয়্যার আরো কত কি। এগুলোর মোকাবেলার জন্য চাই ভিন্ন স্ট্র্যাটেজি। এন্টিভাইরাস আপনাকে সকল কিছু থেকে নিরাপত্তা দেবেনা। কম্পিঊটারে নিরাপদ থাকার জন্য এবং বিপদমুক্ত থাকার জন্য এন্টিভাইরাসের পাশাপাশি থাকা চাই কিছু ইউজার নলেজ। যাই হোক, আজ সংক্ষিপ্তভাবে লিখবো আরো একটু জেনারেল, ব্রড ভাবে কিভাবে ডাটা নিরাপদ করা হবে ভবিষ্যতে।

বর্তমান –

আপনি যদি হোম ইউজার হয়ে থাকেন, তাহলে হয়ত আপনার একটি বা দুটি কম্পিউটার রয়েছে। হয়ত আছে আরো কিছু ফোন বা ট্যবলেট। আমাদের বেশিরভাগ সবাই কিন্তু ওই কম্পিউটারেই যতকিছু আছে তা সেভ করি। ছবি, গান, ভিডিও ইত্যাদি সব সেখানেই সেভ করি। ধরা যাক আপনি সাধারন ইউজারের তুলনায় আরো স্মার্ট। আপনি সব ডাটার দুটো করে কপি করে রেখেছেন। মানে এক্সটার্নাল হার্ড ডিস্কে বা অন্য কোন অপ্টিকাল মিডিয়াতে বার্ন করে রেখেছেন। এটা অবশ্যই ভালো করেছেন। ধরা যাক আপনার কম্পিউটারে একটি ম্যলওয়ার ঢুকলো, সেটি ফলস্বরুপ আপনার সব ডাটা করাপ্ট করে ফেলবে। যেহেতু আপনি আগেই আরেকটী ডুপ্লিকেট করে রেখেছেন, এ যাত্রায় বেঁচে যাবেন। কিন্তু ধরুন একজন সাধারন ইউজারের কি হবে এক্ষেত্রে? তার তো হায় হায় করা ছাড়া উপায় নেই? এবারে আসুন, দেখি বড় বড় অফিস বা বিজনেসগুলো কিভাবে তাদের ডাটা সংরক্ষণ করে। অফিস সাধারনত সব কর্মচারীর কম্পিউটার থাকে কিন্তু তারা যেসব ফাইল নিয়ে কাজ করে, সেগুল থাকে অন্য একটি সার্ভার বা নেটওয়ার্কে ফোল্ডারে। কোন কর্মচারীর কম্পিউটারে ম্যলওয়ার ঢুকে গেলেও সেই নেটওয়ার্ক ফোল্ডারে রাখা তথ্যগুলো নিরাপদ নয় কি? ব্যপারটা আসলে ততটা সহজ নয়। এর উত্তর নির্ভর করছে ঠিক কোন ম্যলওয়ার মেশিনটিকে ইনফেক্ট করেছে কারন কিছু কিছু ম্যলওয়ার আছে যেগুলো লোকাল কম্পিউটারের ফাইল ছাড়াও নেটওয়ার্ক ফাইল ও করাপ্ট করতে সক্ষম। এখানে বলাবাহুল্য যে অফিস বা বিজনেস এনভারনমেন্টে যথেষ্ট প্রটেকশন মেকানিজন এপ্লাই করা হয় কিন্তু এরপরেও ম্যলওয়ার ঢুকতে পারে। কাজেই দেখা যাচ্ছে সাধারন হোম ইউজারের তুলনায় সতর্ক থাকার পরেও বিজনেস/অফিস ফাইল ম্যলওয়ার দ্বারা আক্রান্ত হতে পারে।

ভবিষ্যত –

এটাকের ধরন পাল্টেছে। এর সাথে পাল্টাতে হবে প্রটেকশন মেকানিজম। আজকাল ভার্চুয়ালাইজেশন নিয়ে অনেক কিছু হচ্ছে। এটাই মুলত ভবিষ্যত। এর অনেক সুবিধে রয়েছে। এই ভার্চুয়ালাইজেশনের একটি অংশ হচ্ছে ভিডিআই (VDI) বা ভার্চুয়াল ডেস্কটপ ইনফ্রাস্ট্রাকচার। এই ভিডিআই আবার কি? এর মাধ্যমে আপনার কাছে থাকবে একটি ডাম্ব থিন ক্লায়েন্ট। থিন ক্লায়েন্ট একটি ছোট কম্পিউটারের মত। এর নিজস্ব তেমন কোন পাওয়ার নেই এবং এটি উইন্ডোজ বা লিনাক্সের অতি অতি সংক্ষিপ্ত ভার্সনে চলে। মাত্র হাতে গোনা কয়েকটি ফিচার থাকে। এগুলোর মূল কাজ হলো ইউজার কে নেটওয়ার্কের সাথে যুক্ত করা। মূলত ইউজার লগিন করার পর তাদের একটি ভার্চুয়াল “সেশন” দেয়া হয়। এই সেশন একটী ফুল ব্লোওন উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেম হতে পারে, অথবা হতে পারে ভার্চুয়ালাইজড এপ্লিকেশন। ইউজার যখন লগ-আউট করবে, সেই ভার্চুয়াল সেশন চিরতরে হারিয়ে যাবে। যেহেতু ডাটা ফাইল গুলো থাকে অন্যত্রে, কাজেই এই সেশনের কোন মূল্য নেই। ধরা যাক একটি সেশন ভাইরাসে আক্রান্ত হলো, কিন্তু যেহেতু এগুলো ডিস্পোজেবল, ইউজার লগ-আউট করার সাথে সাথেই সেই ভাইরাস বা অন্য থ্রেট টিও চিরতরে হারিয়ে যাবে সেশনের সাথে। কিন্তু আগেই উল্লেখ করেছি কিছু কিছু ম্যলওয়ার নেটওয়ার্ক এট্যাক করতে সক্ষম। তাই হারিয়ে যাবার আগেই হয়ত সিফস শেয়ার (নেটওয়ার্ক শেয়ার) এ রক্ষিত ফাইল ইনফেক্ট করতে পারে। ট্র্যাডিশনাল ডেস্কটপ মুলত একটি হাব এ পরিনত হবে। এর মধ্যে কোন ফাইল থাকবেনা বটে, তবে এটি দিয়ে ফাইল এক্সেস করা হবে যেগুলো অন্য জায়গায় রক্ষিত। সাধারনত স্যান বা ন্যাস এ রাখা হয় এসব। এর সুবিধে হলো ডাটার স্ন্যপশট নেয়া যায়। যদি ফাইল ডীলিট হয়ে যায় বা ইনফেক্টেড হয়ে যায়, ঘড়ির কাঁটা ঘুরিয়ে পেছনে যাওয়া যায়।

দেখা যাচ্ছে সব কিছু ভার্চুয়াল করেও একদম ১০০% নিরাপদ থাকা যাচ্ছেনা। এটা কখনো সম্ভব হবেনা।

উইন্ডোজ ১০ সয়ংক্রিয়ভাবে আপডেট

Published by:

মাইক্রোসফটের সর্বশেষ কনজুমার অপারেটিং সিস্টেম উইন্ডোজ ১০। অনেক নতুন ফিচার রয়েছে এতে কোন সন্দেহ নেই। তবে আবার অনেক ইউজাররাই উইন্ডোজ ৭ বা ৮ এ থেকে যেতে চান। বলাবাহুল্য, মাইক্রোসফট সম্পুর্ণ বিনামূল্যে উইন্ডোজ ১০ সরবরাহ করছে। লিগাল লাইসেন্সধারী যে কেউ চাইলেই উইন্ডোজ ১০ ডাউনলোড করে নিতে পারেন। এর পাশাপাশি মাইক্রোসফট চাইছে যেভাবেই হোক, সবাই ১০ এ আপগ্রেড করে নিক। এজন্য তারা উইন্ডোজ আপডেটের মাধ্যমে অটোমেটিক ইন্সটলার ফাইলগুলো ডাউনলোড করে নিচ্ছে যাতে সহজেই আপডেট করা যাবে। তবে বন্ধুরা, সতর্ক থাকবেন। অজান্তেই হয়ত ১০ এ আপগ্রেড হয়ে যাবে। তাই উইন্ডোজ আপডেট করার সময় ঠিক কোন কোন আপডেট ইন্সটল হচ্ছে তার দিকে নজর দেবেন। বিশেষ এই আপডেট ফাইলের সাইজ অন্তত ৩ গিগাবাইট। এছাড়া বর্ণনা দেখবেন লেখা থাকবে “Upgrade to Windows 10“।  কিছু ইউজার বিরক্ত হয়ে মাইক্রোসফটের কাছে নালিশ দিয়েছেন। অনেকের হয়ত পর্যাপ্ত স্পেস থাকেনা। সেখানে ৫/৬ গিগাবাইট অযাচিত ডাউনলোড করে স্পেস বরাদ্দ করার প্রয়োজনীয়তা অনেকে দেখেন না। আত্মপক্ষ সমর্থন করে মাইক্রোসফট বলেছে এটা তাদের অনাকাংখিত ভুল। তবে যারা চাইবে, তারা নিজ দায়িত্বে আপডেট করে নিতে পারবে।

বাংলায় টাইপিং – কম্পিউটার এবং মোবাইল

Published by:

আমরা সফটওয়্যার ডেভেলপারদের ধন্যবাদ দেয়া উচিত। তাদের অক্লান্ত পরিশ্রমের ফলস্বরুপ আমরা আজ কম্পিউটার এবং মোবাইলে সাবলীলভাবে বাংলা লিখতে পারছি। কম্পিউটারে কয়েকবছর আগেও বাংলা লিখার পদ্ধতি ছিল। তবে এখন বেশিরভাগ হয়েছে ফোনেটিক। ফোনেটিকের সুবিধে হলো আপনাকে বিশেষ কোন কিবোর্ড লেয়াউট মুখস্ত করে রাখা লাগেনা। বাংলায় “আমি” লিখতে হলে কেবল “ami” চেপে ফোনেটিক টাইপিং করা সম্ভব। ফোনেটিকের পাশাপাশি আরো ছিল – বিজয়, বৈশাখী, ন্যশনাল, মুনির, ইউনিজয়, প্রভাব, ইত্যাদি। এগুলো ছিল প্রোপ্রায়েটারী এবং লেয়াউটটা ছিল ভিন্নরকম। খুব সহজেই মুখস্ত না করে টাইপিং করার সুবিধা থাকায় ফোনেটিক পদ্ধতি অত্যন্ত জনপ্রিয়। আজ কম্পিউটার এবং মোবাইলে কিভাবে বাংলা টাইপিং করবেন তার সম্পর্কে লিখছি.

কম্পিউটারে বাংলা লিখনঃ

অভ্র কিবোর্ড (Avro Keyboard) – এ মূহুর্তে অভ্র কিবোর্ড সেরা। যদিও এটি ফুল ওয়ার্ড প্রসেসর নয়, তবুও এটার সুবিধা হচ্ছে আপনি কম্পিউটারের যেকোন এপ্লিকেশনের সাথে এটি ব্যবহার করতে পারবেন। এটি একটি সিস্টেম প্লাগিনের মত কাজ করে। অর্থাৎ কিবোর্ডে একটি কি চেপে বাংলা/ইংলিশে মোড পরিবর্তন করা হয়। ফলে মাইক্রোসফট ওয়ার্ড, এক্সেল, আউটলুক, পাওয়ার পয়েন্ট, যেকোন ব্রাউজার ইত্যাদিতেই বাংলা লিখা সম্ভব। অভ্রর রয়েছে বিশাল এক সাপোর্ট কমিউনিটি। এছাড়াও অভ্র কিবোর্ড পাওয়া যাবে – উইন্ডোজ, ম্যকিন্টোশ, লিনাক্সের জন্য। আপনি চাইলে ইউএসবি ড্রাইভে এর পোর্টেবল ভার্সন ইন্সটল না করেই সরাসরি ব্যবহার করতে পারবেন। Avro Keyboard is highly recommended for computers.

বাংলা ওয়ার্ড (BanglaWord) – এটি একটি ফুল ওয়ার্ড প্রসেসিং সফটওয়ার। ফোনেটিকের মাধ্যমে সহজেই বাংলা ওয়ার্ড প্রসেসিং করতে পারবেন। যদিও এটি অনেকদিন আপডেট হয়নি, তবুও কাজ করে। এর দুটি ভার্সন রয়েছে। ফ্রী ভার্সনে কোন টাইম লিমিট বা কোন অপূর্নতা নেই। আরেকটি কমার্শিয়াল ভার্সন। দুটোই হুবহু একি। এর ডাউনলোড লিঙ্ক পেতে হলে আপনাকে Google এর শরনাপন্ন হতে হবে কারন মূল বাংলাওয়ার্ড সাইটের ডাউনলোড লিঙ্কগুলো অকেজো।

টি-বাংলা ওয়ার্ড প্রসেসর (T-Bangla Word Processor) – এটি জাভা বেসড ফোনেটিক/ইউনিজয় ওয়ার্ড প্রসেসর। যেহেতু জাভা বেসড, এটি উইন্ডোজ, ম্যক, এবং লিনাক্সে চলবে। চাইলে কিবোর্ড লেয়াউট পরিবর্তন করা সম্ভব। এর ডেভেলপার একুশের ওয়েবসাইটে এর পাশাপাশি আরো পাওয়া যাবে ফন্ট, ওয়েবসাইট বাংলা টুলস ইত্যাদি।

মোবাইলে বাংলা লিখনঃ

এন্ড্রয়েড – রিদ্মিক কিবোর্ড (Ridmik Keyboard) – এন্ড্রয়েডের সেরা বাংলা কিবোর্ড রিদ্মিক। খুবি লাইটওয়েট, ফাস্ট, ফ্রী, রিসোর্স খায়না বললেই চলে। সহজেই ইংলিশ/বাংলা মোডে পরিবর্তন করা যায় স্পেস বার স্লাইডিং করে। এতে ইংলিশ, বাংলা ফোনেটিক, প্রভাত, ন্যশনাল লেয়াউট রয়েছে। যেহেতু এটি এন্ড্রয়েড সিস্টেম কিবোর্ড, সেহেতু যেকোন এপ এ আপনি বাংলা টাইপ করতে পারবেন। এসএমএস, ফেসবুক, ভাইবার, ইমেইল, হোয়াটসএপ সবকিছুতে বাংলা লিখতে পারবেন। গুগল প্লে স্টোরে এর পাশাপাশি আরো কিছু বাংলা কিবোর্ড পাওয়া যাবে তবে সেগুলোর মধ্যে আরেকটি ভালো কিবোর্ড হোলো – Mayabi Keyboard. এ দুটোই আপাতত সেরা এন্ড্রয়েড বাংলা কিবোর্ড। রিদ্মিক ১ নম্বরে, মায়বী ২ এ।

আইওএস (Ridmik) – আইওএস ৮ এর আগ পর্যন্ত আইফোনে বাংলা লিখা খুবি বিরক্তিকর ছিল। বাংলা লিখার জন্য সম্পুর্ন আলাদা একটা এপ ইন্সটল করা লাগতো, সেখানে বাংলা লিখে সেটা কপি করে তারপর অন্যত্র পেস্ট করা লাগতো। আইওএস ৮ এ যখন অল্টারনেটিভ কিবোর্ড সাপোর্ট যুক্ত হয়, তখন এ সমস্যার সমাধান হয়। রিদ্মিক নিয়ে নতুন কিছু বলার নেই যেহেতু একটু আগেই সেটা বর্ণনা করলাম। আইওএস এ ইন্সটল করে নিতে পারেন রিদ্মিক। আইটিউনসে এপ স্টোরে গিয়ে সার্চ করলেই পেয়ে যাবেন রিদ্মিক। আইওএস এ অল্টারনেটিভ কিবোর্ডে যে সমস্যা দেখেছি সেটা হলো মাঝে মাঝে আইফোন তার ডিফল্ট কিবোর্ডে চেঞ্জ হয়ে যায়। তখন আবার আপনাকে সেটিংস এ গিয়ে অল্টারনেটিভ কিবোর্ড সিলেক্ট করতে হয়। এটা কিন্তু রিদ্মিকের সমস্যা নয়, এটা যেকোন নন এপল কিবোর্ডে হয়।

ফেসবুকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা ভিডিও

Published by:

অচিরেই আপনার প্রিয়জনকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা ভিডিওর মাধ্যমে জানাতে পারবেন। আপাতত কিছু কিছুই আইওএস (আইফোন) ব্যবহারকারীদের ফেসবুক এপ এ এই ফিচারটি দেখা গিয়েছে। আশাকরা যাচ্ছে এ ফিচার সব ফোনের ফেসবুকে এপ এ এবং ওয়েবসাইটে যুক্ত হবে। ২০ সেকেন্ডের ভিডিও শুভেচ্ছা জানান আপনার বন্ধুর জন্মদিনে। পোস্ট করার আগেই অবশ্য নিজেই রিভিউ করে নিতে পারেন। যারা টাইপ করতে চান না, তাদের দারুন কাজে আসবে এই ফিচার।