Category Archives: বিবিধ

কর্পোরেট অফিস / বিজনেসের আইটি ট্রেনিং

Published by:

অনেক বই পড়ে শিখে থাকেন, অনেকে আবার ক্লাস এ পড়ে শিখতে চান, আবার অনেকে নিজের সুবিধামত বিভিন্ন শিক্ষামূলক ভিডিও দেখে শিখে থাকেন। যারা আইটিতে কাজ করেন, তারা জানেনে আইটি বইয়ের দাম প্রচুর, ইন ক্লাস ট্রেনিং এ যাওয়া ভাগ্যের ব্যাপার কারন সেটা আরো বেশি খরচ। অনেকের অফিসের ডাইরেক্টর বা ম্যনেজার তাদের আইটি স্টাফদের বিভিন্ন ট্রেনিং এ পাঠিয়ে থাকেন। কিন্তু এর অসুবিধে হলো মাত্র একজন বা দুইজন এর সুবিধা পান। কিন্তু যদি আপনার বড় একদল আইটি স্টাফ থাকে, তাহলে অন্যদের কি হবে? এতো গেল ক্লাস ট্রেনিং এর কথা। আবার ধরুন নেটওয়ার্কিং এর উপর একটা দুটো বই কিনবেন। এগুলো সাধারনত ৫০০+ এর বেশি পেজ এ ভরা। আর সবাই তো পুরো বই পড়েনা। হয়ত প্রয়োজনীয় কয়েকটি চ্যপ্টার পড়ে বইয়ের প্রয়োজন ফুরিয়ে যায়। কয়েকদিন পড়ে যদি অন্য কোন টপিকের বই চেয়ে বসেন, স্বভাবতই আপনার ম্যনেজার বাঁকা চোখে তাকাবে। তাহলে কি করা যায়? এই দুটোরই সমাধান আছে যেটি সাশ্রয়ী এবং পুনরায় ব্যবহারযোগ্য। অর্থাৎ ইন ক্লাস ট্রেনিং এ যাবার বদলে আপনার অফিস থেকে প্লুরালসাইট (Pluralsight) এবং সাফারীবুকস (Safari Books) নেয়া হয়, তাহলে দুটোরি সমাধান হয়ে যাবে এবং আপনার সম্পূর্ন আইটি স্টাফরা এর সুবিধা নিতে পারবে। যেহেতু এগুলো ভিডিও ট্রেনিং অন ডিমান্ড, সেহেতু অফিস স্টাফরা তাদের সময়, বারবার ভিডিও দেখে শিখে নিতে পারবে যেটা ক্লাস এ সম্ভব নয়। এছাড়া সাফারীবুকস এ থাকবে বইয়ের ইলেক্ট্রনিক ভার্সন। প্ল্যান অনুযায়ী এসব প্রিন্ট করে নেয়া যাবে তবে ব্রাউজার এবং স্মার্টফোনে ই-বুক পড়া যাবে। প্লুরালসাইটে এ রয়েছে আইটির হরেক রকম টপিকের উপর ভিডিও ট্রেনিং – সার্ভার, ইমেইল, ভিএমওয়্যার, মাইক্রোসফট, সিট্রিক্স, নেট ওয়ার্ক, লিনাক্স ইত্যাদি। আর সাফারী তে রয়েছে আইটির উপর লেখা হাজার হাজার বইয়ের ইলেক্ট্রনিক ভার্সন। এগুলো কিন্তু আবার ব্যক্তিগত খরচায় নেয়া সম্ভব। ওয়েবসাইটে গিয়ে দেখুন কোন প্ল্যানটি আপনার জন্য বা আপনার অফিসের জন্য প্রযোজ্য।

BOINC – দান করুন আপনার কম্পিউটার স্মার্টফোনের শক্তি

Published by:

এটাও কি হয়? আপনার অব্যবহৃত স্মার্টফোনের প্রসেসিং পাওয়ার দান করতে পারেন মানবতার কাজে। অনেকে বিভিন্ন মানবতার সেবায় কিছু অর্থ দান করতে চান বা কিছুটা সময় দিতে চান। কিন্তু অনেকক্ষেত্রে সেটা সম্ভবপর হয়ে ঊঠেনা বিভিন্ন কারনে। তাহলে অন্তত এভাবে আপনারা ট্যবলেট, কম্পিউটার, বা ফোনের শক্তি দান করতে পারেন বিভিন্ন প্রজেক্টে। ইউনিভার্সিটি অফ বার্কেলীর একটি ডিস্ট্রিবিউটেড কম্পিউটিং প্লাটফর্ম BOINC. এর মাধ্যমে আপনার ডিভাইসে প্রয়োজনীয় সফটওয়্যার ইন্সটল করে তারপর নিজের পছন্দমতো প্রজেক্টে দান করতে পারেন আপনার ডিভাইসের ক্ষমতা। আমাদের ডিভাইসের প্রসেসর কিন্তু প্রায়শ আইডল পড়ে থাকে। এই আইডল সময়টাকে কাজে লাগিয়ে সহয়তা করুন। বিভিন্ন ধরনের প্রজেক্ট রয়েছে যেমন – রোগ ব্যাধীর রিসার্চ, জলবায়ুর গবেষণা, মহাকাশে পালসার ডিসকভারী, ফিজিক্স, এস্ট্রোনমী, কেমিস্ট্রি ইত্যাদি। পিসির মাধ্যমে সব প্রজেক্টে যোগদান করা যাবে, এরপর রয়েছে ম্যকিন্টোশ কম্পিউটার। লিনাক্স কম্পিউটার এবং এন্ড্রয়েড ফোনের মাধ্যমেও সাহায্য করতে পারেন। উইন্ডোজ এবং আইওএস ফোনে আপাতত সম্ভব নয়। এরপর আপনাকে আপনার প্রজেক্ট পছন্দ করে নিতে হবে।

বাংলায় টাইপিং – কম্পিউটার এবং মোবাইল

Published by:

আমরা সফটওয়্যার ডেভেলপারদের ধন্যবাদ দেয়া উচিত। তাদের অক্লান্ত পরিশ্রমের ফলস্বরুপ আমরা আজ কম্পিউটার এবং মোবাইলে সাবলীলভাবে বাংলা লিখতে পারছি। কম্পিউটারে কয়েকবছর আগেও বাংলা লিখার পদ্ধতি ছিল। তবে এখন বেশিরভাগ হয়েছে ফোনেটিক। ফোনেটিকের সুবিধে হলো আপনাকে বিশেষ কোন কিবোর্ড লেয়াউট মুখস্ত করে রাখা লাগেনা। বাংলায় “আমি” লিখতে হলে কেবল “ami” চেপে ফোনেটিক টাইপিং করা সম্ভব। ফোনেটিকের পাশাপাশি আরো ছিল – বিজয়, বৈশাখী, ন্যশনাল, মুনির, ইউনিজয়, প্রভাব, ইত্যাদি। এগুলো ছিল প্রোপ্রায়েটারী এবং লেয়াউটটা ছিল ভিন্নরকম। খুব সহজেই মুখস্ত না করে টাইপিং করার সুবিধা থাকায় ফোনেটিক পদ্ধতি অত্যন্ত জনপ্রিয়। আজ কম্পিউটার এবং মোবাইলে কিভাবে বাংলা টাইপিং করবেন তার সম্পর্কে লিখছি.

কম্পিউটারে বাংলা লিখনঃ

অভ্র কিবোর্ড (Avro Keyboard) – এ মূহুর্তে অভ্র কিবোর্ড সেরা। যদিও এটি ফুল ওয়ার্ড প্রসেসর নয়, তবুও এটার সুবিধা হচ্ছে আপনি কম্পিউটারের যেকোন এপ্লিকেশনের সাথে এটি ব্যবহার করতে পারবেন। এটি একটি সিস্টেম প্লাগিনের মত কাজ করে। অর্থাৎ কিবোর্ডে একটি কি চেপে বাংলা/ইংলিশে মোড পরিবর্তন করা হয়। ফলে মাইক্রোসফট ওয়ার্ড, এক্সেল, আউটলুক, পাওয়ার পয়েন্ট, যেকোন ব্রাউজার ইত্যাদিতেই বাংলা লিখা সম্ভব। অভ্রর রয়েছে বিশাল এক সাপোর্ট কমিউনিটি। এছাড়াও অভ্র কিবোর্ড পাওয়া যাবে – উইন্ডোজ, ম্যকিন্টোশ, লিনাক্সের জন্য। আপনি চাইলে ইউএসবি ড্রাইভে এর পোর্টেবল ভার্সন ইন্সটল না করেই সরাসরি ব্যবহার করতে পারবেন। Avro Keyboard is highly recommended for computers.

বাংলা ওয়ার্ড (BanglaWord) – এটি একটি ফুল ওয়ার্ড প্রসেসিং সফটওয়ার। ফোনেটিকের মাধ্যমে সহজেই বাংলা ওয়ার্ড প্রসেসিং করতে পারবেন। যদিও এটি অনেকদিন আপডেট হয়নি, তবুও কাজ করে। এর দুটি ভার্সন রয়েছে। ফ্রী ভার্সনে কোন টাইম লিমিট বা কোন অপূর্নতা নেই। আরেকটি কমার্শিয়াল ভার্সন। দুটোই হুবহু একি। এর ডাউনলোড লিঙ্ক পেতে হলে আপনাকে Google এর শরনাপন্ন হতে হবে কারন মূল বাংলাওয়ার্ড সাইটের ডাউনলোড লিঙ্কগুলো অকেজো।

টি-বাংলা ওয়ার্ড প্রসেসর (T-Bangla Word Processor) – এটি জাভা বেসড ফোনেটিক/ইউনিজয় ওয়ার্ড প্রসেসর। যেহেতু জাভা বেসড, এটি উইন্ডোজ, ম্যক, এবং লিনাক্সে চলবে। চাইলে কিবোর্ড লেয়াউট পরিবর্তন করা সম্ভব। এর ডেভেলপার একুশের ওয়েবসাইটে এর পাশাপাশি আরো পাওয়া যাবে ফন্ট, ওয়েবসাইট বাংলা টুলস ইত্যাদি।

মোবাইলে বাংলা লিখনঃ

এন্ড্রয়েড – রিদ্মিক কিবোর্ড (Ridmik Keyboard) – এন্ড্রয়েডের সেরা বাংলা কিবোর্ড রিদ্মিক। খুবি লাইটওয়েট, ফাস্ট, ফ্রী, রিসোর্স খায়না বললেই চলে। সহজেই ইংলিশ/বাংলা মোডে পরিবর্তন করা যায় স্পেস বার স্লাইডিং করে। এতে ইংলিশ, বাংলা ফোনেটিক, প্রভাত, ন্যশনাল লেয়াউট রয়েছে। যেহেতু এটি এন্ড্রয়েড সিস্টেম কিবোর্ড, সেহেতু যেকোন এপ এ আপনি বাংলা টাইপ করতে পারবেন। এসএমএস, ফেসবুক, ভাইবার, ইমেইল, হোয়াটসএপ সবকিছুতে বাংলা লিখতে পারবেন। গুগল প্লে স্টোরে এর পাশাপাশি আরো কিছু বাংলা কিবোর্ড পাওয়া যাবে তবে সেগুলোর মধ্যে আরেকটি ভালো কিবোর্ড হোলো – Mayabi Keyboard. এ দুটোই আপাতত সেরা এন্ড্রয়েড বাংলা কিবোর্ড। রিদ্মিক ১ নম্বরে, মায়বী ২ এ।

আইওএস (Ridmik) – আইওএস ৮ এর আগ পর্যন্ত আইফোনে বাংলা লিখা খুবি বিরক্তিকর ছিল। বাংলা লিখার জন্য সম্পুর্ন আলাদা একটা এপ ইন্সটল করা লাগতো, সেখানে বাংলা লিখে সেটা কপি করে তারপর অন্যত্র পেস্ট করা লাগতো। আইওএস ৮ এ যখন অল্টারনেটিভ কিবোর্ড সাপোর্ট যুক্ত হয়, তখন এ সমস্যার সমাধান হয়। রিদ্মিক নিয়ে নতুন কিছু বলার নেই যেহেতু একটু আগেই সেটা বর্ণনা করলাম। আইওএস এ ইন্সটল করে নিতে পারেন রিদ্মিক। আইটিউনসে এপ স্টোরে গিয়ে সার্চ করলেই পেয়ে যাবেন রিদ্মিক। আইওএস এ অল্টারনেটিভ কিবোর্ডে যে সমস্যা দেখেছি সেটা হলো মাঝে মাঝে আইফোন তার ডিফল্ট কিবোর্ডে চেঞ্জ হয়ে যায়। তখন আবার আপনাকে সেটিংস এ গিয়ে অল্টারনেটিভ কিবোর্ড সিলেক্ট করতে হয়। এটা কিন্তু রিদ্মিকের সমস্যা নয়, এটা যেকোন নন এপল কিবোর্ডে হয়।

ডু নট কল রেজিস্ট্রী

Published by:

যারা আমেরিকায় থাকেন এবং মোবাইল ব্যবহার করেন, তারা এর ভুক্তভোগী। আপনি এখানে মোবাইল নিলে, আপনার নাম্বারটি আপনার অজান্তেই টেলিমার্কেটারদের কাছে বিক্রি হয়। টেলিমার্কেটাররা অনেক সোর্স থেকে আপনার নাম্বার পেতে পারে। তবে যেখান থেকেই সংগ্রহ করুক, এখানে কিন্তু একটি ন্যশনাল রেজিস্ট্রি আছে যেখানে আপনার নাম্বার দিলে, টেলিমার্কেটাররা আইনত আপনাকে কোন কল দিয়ে বিরক্ত করতে পারবেনা। আপনি দুই ভাবে রেজিস্ট্রী করতে পারেন।

এক – ওয়েবসাইটের মাধ্যমেঃ https://donotcall.gov/register/reg.aspx

দুই – টোল ফ্রী নাম্বারে কল দিয়েঃ 1-888-382-1222

টেকবাংলায় স্বাগতম

Published by:

বন্ধুরা, টেকবাংলায় সবাইকে স্বাগতম। আমি চেষ্টা করবো বাংলায় প্রযুক্তি নিয়ে লেখালেখি করতে। আমি দেখেছি বাংলায় প্রযুক্তি নিয়ে খুব কম ওয়েবসাইট বা ব্লগ রয়েছে। আমার নিজের লেখার পাশাপাশি, আপনাদের সাথে ইন্টারনেটে পাওয়া অন্যন্য আর্টিকেলগুলো এখানে পাবলিশ করতে চেষ্টা করবো। যেকোন প্রশ্ন, মতামত ইত্যাদি জানাতে ভুলবেন না। প্রতিটি ব্লগে ফেসবুক, গুগল এবং অন্যন্য সামাজিক মাধ্যমগুলোর লিঙ্ক থাকবে যাতে আপনারা পরিচিতদের সাথে সহজেই শেয়ার করতে পারেন। আর নিয়মিত সাবস্ক্রাইব করতে ভুলবেন না যেন!

লগিন করুন – আজি আপনার ফেসবুক, জিমেইল, টুইটার, লিঙ্কডইন, আমাজন, ইনস্টাগ্রাম, আমাজন বা মাইক্রোসফট লাইভ আইডী দিয়ে।

আরএসএস ফিড সাবস্ক্রাইব করুন – এখানে পাবেন সিম্পলিফাইড আরএসএস ফিড। মোবাইল এবং ব্যন্ডউইথ ফ্রেন্ডলী।

শেয়ার করুন – প্রতিটি লেখার পাশেই পাবেন অসংখ্য শেয়ারিং অপশন যেমন – ফেসবুক, টুইটার, গুগল, টাম্বলার, লিঙ্কডইন, রেডিট, ডিগ ইত্যাদি। বন্ধুদের কাছে পাঠাতে ভুলবেন না।

ধন্যবাদ।