Category Archives: ভার্চুয়ালাইজেশন

ভার্চুয়ালাইজেশন এবং ভিএমওয়্যার বিষয়ক লেখালেখি এবং টিউটোরিয়াল।

ভিএমওয়্যার ভিসেন্টার সার্ভার এপ্লায়েন্স ৬ ইন্সটল

Published by:

বন্ধুরা, ভিসেন্টার ৬ দুই ভাবে ইন্সটল করা যায়। এক হলো উইন্ডোজ ভার্সন, আরেকটি হলো লিনাক্সভিত্তিক এপ্লায়েন্স ভার্সন। উইন্ডোজ ভার্সনে বলাবাহুল্য, আপনার লাগবে একটি উইন্ডোজ সার্ভার, একটি আলাদা এসকিউএল সার্ভার। লিনাক্স এপ্লায়েন্স ভার্সনে সবকিছু বিল্ট-ইন। আলাদা কিছু লাগেনা। অনেকে আজকাল উইন্ডোজ ভার্সন ছেড়ে এপ্লায়েন্সে পরিনত করেছেন কারন এতে মেইন্টেনেন্স কম, আলাদা এসকিউএল লাগেনা এবং সর্বোপরি, ফাংশানে তেমন কোন তফাত নেই। আজকে লিনাক্স ভিত্তিক এপ্লায়েন্স কিভাবে ইন্সটল করা যায় তা নিয়ে লিখছি। vmware ওয়েবসাইটে এ পাবেন ভিসেন্টার এপ্লায়েন্স। আগেই উল্লেখ করেছিলাম ভিসেন্টার টা অপশোনাল। আপনার ল্যবের জন্য ভিসেন্টার লাগবেই, এমন নয়। তবে এটা থাকলে কিছু সুবিধা আছে। ভার্চুয়াল হোস্ট, ভার্চুয়াল মেশিন, ইত্যাদি ম্যনেজ করতে সুবিধে হয়। এটি কিছুটা এক্টিভ ডাইরেক্টরির আদলে তৈরি। যেমন একটিমাত্র ভিসেন্টার দিয়ে অনেকগুলো হোস্ট ম্যনেজ করা যায়। আপনি একটি পলিসি বা সেটিংস চেঞ্জ করলে সেই পরিবর্তন ভিসেন্টারের সকল হোস্টে চলে যাবে। ধরুন আপনাকে আলাদা করে বার বার সেই একি সেটিংস পরিবর্তন করা লাগবেনা।

ভিসেন্টার ৬ এপ্লায়েন্স পাবেন একটি আইসো ফাইল হিসেবে। এর সাইজ প্রায় ৩ গিগ এর মতো। ডাউনলোড করে আইসো ফাইলটি এক্সট্রাক্ট করুন কোথাও। সেখানে দেখবেন প্রায় ৩ মেগাবাইটের ফাইল (vcsa-setup.html)। পছন্দের ব্রাউজারে খুলুন এই ফাইল। এটি মূলত ব্রাউজারভিত্তিক উইজার্ড। লাইসেন্সে এগ্রি করে, আপনি ভার্চুয়াল হোস্টের ইনফরমেশন দিন। এরপর বিভিন্ন তথ্য প্রবেশ করাতে হবে যেমন হোস্ট নেম, আইপি এড্রেস, ডিএনএস, সাবনেট মাস্ক, ইত্যাদি দিতে হবে। আমি স্টেপ বাই স্টেপ তালিকা দিচ্ছিঃ

১। লাইসেন্স এগ্রিমেন্ট

২। এবারে আপনাকে ভার্চুয়াল হোস্টের সাথে যুক্ত হতে হবে। অর্থাৎ এই সার্ভারে আপনি এপ্লায়েন্স ইন্সটল করবেন। এখানে লগিন করুন।

৩। এরপর এপ্লায়েন্সের নামকরন করতে হবে। আমি নাম দিয়েছি vcenter, এরপর ইচ্ছেমত পাসওয়ার্ড পছন্দ করুন। ইউজারনেম root. মনে রাখবেন, এটি হচ্ছে কেবল এপ্লায়েন্সে লগিন করার জন্য। ভিসেন্টারের লগিন আলাদা।

৪। সিলেক্ট ডিপ্লয়মেন্ট টাইপ – আমি বলতে পারি অন্তত ৮০% ক্ষেত্রে এম্বেডেড অপশনটি প্রযোজ্য। বিশাল বড় বিজনেজ হলে বা মস্তবড় আইটি শপ হলে তখন একাধিক ভিসেন্টারের জন্য এক্সটার্নাল অপশন চুজ করা যায়।

৫। সিঙ্গেল সাইন-অন – এখানে থাকবে দুটি অপশন। এক হল নতুন তৈরি, অথবা অন্য আরেকটি ভিসেন্টার এর অধীনে যোগদান করা। সিলেক্ট করুন Create a new SSO domain এবং যথানুযায়ী পাসওয়ার্ড এবং ইউজারনেম লিখুন।

৬। এপ্লায়েন্স সাইজ – আমি টাইনি সিলেক্ট করেছি কারন আমাদের জন্য এটাই বেশি প্রযোজ্য।

৭। এখানে সিলেক্ট করুন কোন ডাটাস্টোরে এই ভার্চুয়াল এপ্লায়েন্স আপলোড হবে। বাম পাশে নিচের দিকে খেয়াল করুন Enable Thin Disk Mode. সেটিও সিলেকট করুন। ব্যখ্যা পরে দেব।

৮। কি ধরনের ডাটাবেস ব্যবহার করবেন? এপ্লায়েন্সে কেবল দু ধরনের ডাটাবেস সাপর্ট রয়েছে। চাইলে এম্বেডেড পোস্টগ্রেস অথবা এক্সটার্নাল ওরাকল ডাটাবেস ব্যবহার করতে পারেন।

৯। এ পর্যায়ে আছে নেটওয়ার্ক কনফিগারেশন। আইপি, ডিএনএস, মাস্ক, গেটওয়ে, ইত্যাদি তথ্য সরবরাহ করুন। এগুলো ছাড়াও এনটিপি সেটিং এবং এসএসএইছ সেটিংস পরিবর্তন করতে পারেন। আমি এসএসএইছ এনেবল করেছি এবং ESXi হোস্ট এর সাথে টাইম সিঙ্ক্রোনাইজেশন করেছি।

১০। সমাপ্ত!

সব ভালোয় ভালোয় হয়ে গেলে কয়েক মিনিট সময় লাগবে এটি আপলোড হতে। সফলভাবে ইন্সটলের পরে ভিসেন্টারে ব্রাউজারের মাধ্যমে লগিন করতে পারেন। মনে রাখবেন, স্টেপ ৫ এ পছন্দ করা লগিন ইনফরমেশন দিয়ে লগিন করতে হবে।

ভিএমওয়্যারের ইন্টারনাল নেটওয়ার্ক তৈরি

Published by:

বন্ধুরা, আগে লিখেছিলাম কিভাবে উইন্ডোজ ডোমেইন কন্ট্রোলার কিভাবে ইন্সটল করবো এবং ভিএমওয়্যার সফটওয়্যার নিয়ে। আজ লিখছি কিভাবে ইন্টারনাল নেটওয়ার্ক তৈরি করবেন তা নিয়ে। আগে আসুন দেখি কেন দরকার এই ইন্টারনাল নেটওয়ার্ক।

আপনার ভার্চুয়াল হোস্ট যুক্ত থাকবে আপনার ফিজিকাল রাউটারের সাথে। এটা ছাড়া আপনি হোস্টের ভেতরে থাকা ভার্চুয়াল মেশিনগুলো ম্যনেজ করতে পারবেন না। কিন্তু আবার দেখুন, ভেতরের সেই ভার্চুয়াল মেশিনগুলোর কিন্ত কোন ইন্টারনেট এক্সেস দরকার নেই। সেগুলো একটি অন্যটির সাথে যোগাযোগ করতে পারলেই আমাদের জন্য যথেস্ট। এই ভার্চুয়াল মেশিনগুলোর সাথে আপনার ফিজিকাল রাউটারের কোণ সম্পর্ক থাকবেনা। কিন্তু এগুলো একে অন্যের সাথে যোগাযোগ করার জন্য চাই আরেকটি নেটওয়ার্ক। তা না হলে ইন্টার-কমিউনিকেশন সম্ভব হবেনা। তাই আমরা আগেই ইন্সটল করেছি উইন্ডোজ ডিএইচসিপি সার্ভার। এই সার্ভার সব ক্লায়েন্ট কে দেবে একটি করে আইপি এড্রেস। আমাদের তৈরি ডিএইচসিপি সার্ভার আবার কিন্তু ডিএনএস সার্ভার হিসেবেও কাজ করবে। তাহলে ব্যপারটা আরো সহজ হয়ে গেল। নেটওয়ার্কিং এর জন্য ডিএনএস অতি গুরুত্তপূর্ন। একবার ডোমেইন কন্ট্রোলার, ডিএনএস এবং ডিএইচসিপি সার্ভার ঠিকভাবে সেটাপ করে নিলে পরে সেটা অনেক কাজে আশবে। এছাড়া এই একি কাজ বারবার আমাদের রিপিট করা লাগবেনা।

vswitch-internal-network

ঊপরের ছবিটি লক্ষ্য করুন। আমি vSphere Client দিয়ে কানেক্ট হয়েছি আমার ভার্চুয়াল হোস্টের সাথে। হোস্টের আইপি 192.168.1.123 যেখানে আপনারা দুটি ভার্চুয়াল মেশিন দেখতে পাচ্ছেন (DC1 এবং DC2). এই দুটী ডোমেইন কন্ট্রোলার দিয়ে আমি পুর্বে তৈরি করেছিলাম একটিভ ডাইরেক্টরী। যাই হোক, আপনাকে যেটা করতে হবে এখন, সেটা হচ্ছে – ভার্চুয়াল হোস্টের নাম বা আইপিএ এড্রেসের উপর ক্লিক করুন। এরপর উপরে দেখবেন Configuration ট্যাব, সেখান থেকে Hardware সেকশানে পাবেন Networking যেখানে হবে আমাদের কাজ। বাই ডিফল্ট হয়ত সেখানে দেখবেন vSwitch0 যেটি ফিজিকাল এডাপ্টারের মাধ্যমে আপনার ফিজিকাল নেটওয়ার্ক/রাউটারের সাথে যুক্ত। আমরা মূলত এখানে বাড়তি একটি ফেক নেটওয়ার্ক সুইচ তৈরি করবো যেটির মাধ্যমে ইন্টারনালি ভার্চুয়াল মেশিনগুলো কমিউনিকেট করবে। ভড়কে যাবেন না যদি আমার স্ক্রীনশটের সাথে আপনার সাথে হুবহু না মিলে। সাধারনত ডিফল্ট এডাপ্টারের নাম থাকে vmnic0 যেটি ডিফল্ট vSwitch0 এর সাথে থাকে। সঠিকভাবে করার পরে দেখবেন আপনার ভার্চুয়াল হোস্টে দুটি স্ট্যান্ডার্ড সুইচ তৈরি হবে যথাক্রমে – vSwitch0 এবং vSwicth1. এই ভিসুইচ২ হবে আমাদের ফেক/ইন্টারনাল নেটওয়ার্ক সুইচ। এটির মাধ্যমে ডিসি১ এবং ডিসি২ নেটওয়ার্ক ক্লায়েন্টদের আইপি এড্রেস এবং ডিএনএস ইনফরমেশন দেবে। ভিসুইচ১ তৈরির জন্য উপরে ডান দিকে ক্লিক করুনঃ

Add Networking… চাপুন

Connection Types – Virtual Machine সিলেক্ট করে নেক্সট এ চাপুন

Create a vSphere standard switch সিলেক্ট করে নেক্সট এ আসুন। এখানে লক্ষ্য করবেন আপনাকে এক/একাধিক এডাপ্টার সিলেক্ট করতে হবে।

Network Label: এ নাম দিন, আমি দিয়েছি Internal Network. আপনাকে প্রিভিউ দেখাবে স্ক্রীনের নিন্মের অংশে।

এবার নেক্সট এ গিয়ে ফিনিশ করুন ভার্চুয়াল সুইচ তৈরি।

সবকিছু ঠিকঠাকমত সম্পন্ন করে থাকলে আপনি দেখবেন দুটি সুইচ তৈরি হয়েছে আমার দেয়া স্ক্রীণশট এর মত। সুইচ তৈরির পরে আপনি চাইলে তার Properties দেখতে পারেন, তবে সেসব কোন কিছু পরিবর্তনের প্রয়োজন নেই। সব ডিফল্টে রেখে দিন। আগামী পর্বে দেখাবো কিভাবে ডিসি১ এবং ডিসি২ কিভাবে এই সুইচ কে ইউটিলাইজ করবে।

ভিএমওয়ার ল্যব তৈরি ১

Published by:

বন্ধুরা, ধারাবাহিকভাবে লিখবো বাসায় কিভাবে একটি ভার্চুয়াল ল্যব তৈরি করবেন।  (চাইলে এখন এই ব্লগের “ভার্চুয়ালাইজেশন‘ সেকশনে গিয়ে আরো কিছু প্রাথমিক ধারনা নিতে পারেন) এখানে কিছু হাইলেভেল ওভারভিউ দেয়া হলো। আমি আশা করছি আপনাদের সম্যক ধারনা আছে এ বিষয়ে।

আমাদের সিনারিও হবে এমনঃ

আপনার একটি মুল ডেস্কটপ বা ল্যপটপ থাকবে। মুলত এখান থেকেই আপনি সবকিছু কন্ট্রোল করবেন। এটাই হবে আপনার কমান্ড এন্ড কন্ট্রোল স্টেশন। এটি আপনার ফিজিকাল রাউটারের সাথে যুক্ত থাকবে।

ডেডিকেটেড ভার্চুয়াল হোস্ট – এটাই হচ্ছে হোস্ট। এখানে সব ভার্চুয়াল মেশিন থাকবে। এই মেশিনটী পাওয়ারফুল হতে হবে। অবস্য সেটা আপনার উপরে নির্ভর করছে। আপনি কত পরিসরে এই ল্যাব তৈরি করতে চান? দিন যথেস্ট র‍্যাম, এসএসডী ডিস্ক, এবং প্রসেসিং পাওয়ার। আপনারা চাইলে পুরনো ডেস্কটপ বা অন্য মেশিন কে ভার্চুয়াল হোস্টে পরিনত করতে পারেন তবে মনে রাখবেন, স্পিনিং ডিস্কে পারফর্ম্যন্স অত্যন্ত খারাপ হয়। যাই হোক, এই ভার্চুয়াল হোস্টটিও যুক্ত হবে আপনার ফিজিকাল রাউটারের সাথে। আপনার মুল ডেস্কটপ এবং ভার্চুয়াল হোস্ট এই ফিজিকাল রাউটারের মাধ্যমে যোগাযোগ করবে।

হার্ডওয়্যরের পর লাগবে সফটওয়ার। চলে আসুন vmware ওয়েবসাইটে যেখানে রেজিস্ট্রেশন (ফ্রী) করে নামিয়ে নিতে পারেন সব প্রয়োজনীয় সফটওয়ার। আমাদের নূন্যতম যেটা লাগবে সেটা হচ্ছে ESXi Hypervisor, vSphere Client. এরপর চাইলে আমরা ভিসেন্টার ডাউনলোড করতে পারি তবে সেটা অপশোনাল। মূলত হাইপারভাইজর ডাউনলোড করার পর সিডি বা ইউএসবি ডিস্কে সেটা কপি করে ইন্সটল করতে হবে ভার্চুয়াল হোস্টে। এটা অনেকটা উইন্ডোজ ইন্সটল করার মতো, তবে এটি আরো দ্রুত এবং সিম্পল। আপনার ফিজিকাল রাউটারে যুক্ত করার পর এটি ডিএইসসিপির মাধ্যমে একটি আইপি এড্রেস পাবে। এটি দেখার জন্য লগিন করতে পারেন আপনার রাউটারে। এবার ভিস্ফিয়ার ক্লায়েন্ট ইন্সটল করুন আপনার ডেস্কটপ বা ল্যপটপে। এটি দিয়ে আমরা ভার্চুয়াল হোস্ট ম্যনেজ করবো। ইন্সটল করে খোলার পরে একটি লগিন স্ক্রীন আসবে যেখানে আপনাকে আইপি এড্রেস এবং লগিন ইনফরমেশন দিতে হবে। আইপি এড্রেস পাবেন আপনার রাউটার থেকে, আর লগিন ইনফরমেশন পাবেন হাইপারভাইজর ইন্সটল করার সময়।

উইন্ডোজ ১০ এ ভার্চুয়ালাইজেশন

Published by:

উইন্ডোজের সর্বশেষ সংস্করণ ১০। এতে এসেছে নতুন অনেক ফিচার। উইন্ডোজ ৭ এর পর মাইক্রোসফট সেই আইকনিক “স্টার্ট” বাতিল করার পর অনেক সমালোচনার মুখে পড়েছিল। যাই হোক, উইন্ডোজ ৭ থেকে শুরু করে উইন্ডোজে ভার্চুয়ালাইজেশন সাপোর্ট যুক্ত হয়। ১০ এর আগের ভার্সনগুলোতে এই ফিচার এনেবল করে নিতে হয়। যারা আগ্রহী, তারা নিশ্চয় জানেন কিভাবে সেটা এনেবল করতে হয়। আস্তে আস্তে সবকিছুই ভার্চুয়াল হয়ে যাচ্ছে। এই ধারাবাহিকতার সূত্র ধরে উইন্ডোজ ১০ এ এই ফিচার রাখা হয়েছে। চাইলে নেস্টেড ভার্চুয়ালাইজেশন ও করা যাবে। অর্থাৎ একটি ভিএম এর ভিতর আরেকটি ভিএম চালু রাখা। অবশ্য যেকোন ভার্চুয়ালাইজেশন করতে হলে লাগবে প্রযোজ্য হার্ডওয়্যার সাপোর্ট। আপনার ইন্টেল প্রসেসরে থাকতে হবে VT-x সাপোর্ট। উইন্ডোজ ১০ আছে ডায়নামিক মেমরি সাপোর্ট। কিন্তু নেস্টেড ভারচুয়ালে এ ফিচারটি পাওয়া যাবেনা। আগ্রহী বন্ধুরা চোখ রাখতে পারেন মাইক্রোসফট উইন্ডোজের ১০ এর লেটেস্ট বিল্ড এর উপরে।

বিস্তারিত / সুত্রঃ Windows Insider Preview: Nested Virtualization

ভিএমওয়্যার ভার্চুয়ালাইজেশন টার্মিনোলোজি ২

Published by:

1. VM: ভার্চুয়াল মেশিন। খুব সোজা! গেস্ট বলা হয়ে থাকে। গেস্ট ওএস – উইন্ডোজ, লিনাক্স, ইউনিক্স, ম্যকিন্টোশ ইত্যাদি।

2. ESXi: ভিএমওয়্যরের ভিস্ফিয়ার হাইপারভাইজর। হোস্টগুলোতে ইএসএক্সআই ইন্সটল করা হয়।

3. vmkernel: ভিএম কার্ণেল টি অপারেটিং সিস্টেম যার দ্বারা ইএসএক্সআই পরিচালিত। এটি ভার্চুয়াল মেশিনগুলোকে স্টোরেজ এবং নেটওয়ার্কে যুক্ত করে।

4. VMFS: ইএসএক্সআই হোস্টের ভার্চুয়াল মেশিন ফাইল সিস্টেম। এটি একটি ক্লাস্টার্ড ফাইল সিস্টেম।

5. iSCSI: ইথারনেট বেজড শেয়ারড স্টোরেজ প্রোটোকল।

6. SAS: লোকাল ডিস্ক টাইপ, সাধারণত SATA.

7. FCoE: ফাইবার চ্যনেল ওভার ইথারনেট, একটি নেটওয়ার্কিং এবং স্টোরজে টেকনোলজী।

8. HBA: ফাইবার চ্যনেল স্টোরেজের হোস্ট বাস এডাপ্টার।

9. IOPs: প্রতি সেকেন্ডের ইনপুট/আউটপুট। একটি ডিস্কের পারফর্ম্যন্স যাচাই করার জন্য।

10. VM Snapshot: একটি পয়েন্ট ইন টাইম রেপ্রেজেন্টেশন। অর্থাত একটি ভিএম এর তাৎক্ষণিক সেভড কপি।

11. ALUA: Asymmetrical logical unit access, a storage array feature. Duncan Epping explains it well.

12. NUMA: নন-ইউনিফর্ম মেমরি এক্সেস, যখন লোকেশন এর উপর নির্ভর করে একাধিক প্রসেসর কে এই মেমরি রিসোর্স দেয়া হয়।

13. Virtual NUMA: উপরে বর্ণিত নুমা কে ভার্চুয়ালাইজ করে, ভিএমওয়্যার হার্ডওয়্যার ভার্সন ৮।

14. LUN: লজিকাল ইউনিট নাম্বার। এর দ্বারা শেয়ারড স্টোরেজ (আইস্কাজি/ফাইবার চ্যনেল) কে আইডেন্টিফাই করা হয়।

15. pRDM: Physical mode raw device mapping, presents a LUN directly to a VM.

16. vRDM: Virtual mode raw device mapping, encapsulates a path to a LUN specifically for one VM in a VMDK.

17. SAN: স্টোরেজ এরিয়া নেটওয়ার্ক। ব্লক প্রোটোকল ব্যবহার (ফাইবার চ্যনেল/আইস্কাজি) করা হয় এতে।

18. NAS: Network attached storage, a shared storage technique for file protocols (NFS).

19. NFS: নেটওয়ার্ক ফাইলে সিস্টেম। ফাইল বেসড স্টোরেজ প্রটোকল।

20. DAS: ডাইরেক্ট এটাচড স্টোরেজ। ডিস্কগুলো সরাসরি হোস্ট এর সাথে যুক্ত।

21. VAAI: vStorage APIs for Array Integration, the ability to offload I/O commands to the disk array.

22. SSD: সলিড স্টেট ডিস্ক। এটি নন-রোটেশনাল ডিস্ক যেটি ট্র্যডিশনাল স্পিনিং ডিস্কের চেয়ে অনেকগুনে দ্রুত।

23. VSAN: Virtual SAN, a new VMware announcement for making DAS deliver SAN features in a virtualized manner.

24. vSwitch: একটি ভার্চুয়াল সুইচ। এটি ভিএমগুলোকে ফিজিকাল নেটওয়ার্কের সাথে যুক্ত করে।

25. vDS: ভি-নেটওয়ার্ক ডিস্ট্রিবিউটেড সুইচ, ভার্চুয়াল সুইচের উন্নত ভার্সন। এতে আরো ফিচার রয়েছে।

26. ISO: ইমেজ ফাইল (ছবি নয় কিন্তু)। এটি সাধারনত আইসো ৯৬৬০ ফাইল সিস্টেম থেকে তৈরি অপ্টিকাল ড্রাইভ থেকে।

27. vSphere Client: ভিস্ফিয়ার ক্লায়েন্ট দ্বারা আপনি ভিসেন্টারে, হোস্ট এ, ভার্চুয়াল মেশিনের সাথে যুক্ত হতে পারেন। ওয়েব বেজড ভার্সন থিক ক্লায়েন্ট কে রিপ্লেস করবে। নতুন সব ফিচার ওয়েব ভার্সনে যুক্ত হয়, থিক ক্লায়েন্ট এ তেমন কোন আপডেট হয়না। অনেকে কিছুটা স্লো হবার কারনে ওয়েব ভার্সন পছন্দ করেন না। এছাড়া ইন্টারফেস বেশ ভিন্ন!

28. vSphere Web Client: ওয়েব বেসড ভিস্ফিয়ার ক্লায়েন্ট যেটি দিয়ে ভিস্ফিয়ার অব্জেক্টগুলো ম্যনেজ করা হয়।

29. Host Profiles: পুর্বেই কনফিগার করা প্রোফাইল যা কোণ হোস্ট এ প্রয়োগ করা যায়। একাধিক হোস্ট থাকলে, একি কনফিগারেশন বারবার করা লাগেনা।

30. Auto Deploy: অটো-ডিপ্লয়ের মাধ্যমে কোন সার্ভারে আপনি ইএসএক্স অটোমেটিকালি ইন্সটল করে নিতে পারবেন নেটওয়ার্কে।

31. VUM: ভিস্ফিয়ার আপডেট ম্যনেজার। এর মাধ্যমে বিভিন্ন আপডেট প্রয়োগ করা হয়। হোস্ট, ভার্চুয়াল মেশিনের প্যচ, প্রডাক্ট আপডেট করা সম্ভব।

32. vCLI: ভিস্ফিয়ারের কমান্ড লাইন ইন্টারফেস। এর মাধ্যমে হোস্ট এবং ভিসেন্টার সার্ভারে কমান্ড চালানো যায়।

33. vSphere HA: হাই-এভেলেবিলিটি, যদি কোন ভিএম ফেইল হয়, তখন সেটি ভিমোশন হয়ে অন্য আরেকটি হোস্ট থেকে চালু হবে।

34. vCenter Server Heartbeat: Will keep the vCenter Server available in the event a host fails which is running vCenter.

35. Virtual Appliance: প্রি-প্যকেজড ভার্চুয়াল মেশিন যেটি সাধারণত এক বা একাধিক এপ্লিকেশন হোস্ট করে।

36. vCenter Server: সার্ভার এপ্লিকেশন যেটি সেন্ট্রালী সব হোস্ট, ভার্চুয়াল মেশিন, ডাটাস্টোর ইত্যাদি ম্যনেজ করতে সক্ষম। উইন্ডোজ ভার্সন এবং লিনাক্স এপ্লায়েন্স দুটি ফ্ল্যভারে পাওয়া যায়।

37. vCSA: ভিসেন্টার সার্ভারের এপ্লায়েন্স ভার্সন। উইন্ডোজ ভার্সনের সাথে পার্থক্য নেই বললেই চলে এবং এপ্লায়েন্স মেইন্টেন করা আরো সহজ। ফিচারের দিক থেকে সবি একি।

38. vCloud Director: Application to pool vCenter environments and enable self-deployment of VMs.

39. vCloud Automation Center: IT service delivery through policy and portals,get familiar with vCAC.

40. VADP: ডাটা প্রটেকশনের জন্য এই এপিআই ব্যবহার করা হয়। ব্যকাপ রিলেটেড।

41. MOB: ম্যনেজড অবজেক্ট রেফারেন্স এর মাধ্যমে ভিসেন্টার প্রতিটি অবজেক্ট কে ক্লাসিফাই করে।

42. DNS: ডোমেইন নেম সার্ভিস। নেটওয়ার্কিং এর ক্ষেত্রে অতি গুরুত্বপূর্ণ একটি জিনিশ। এটি নেম রেজুলোশন প্রটোকল। যদিও এটি সরাসরি ভিএমওয়্যার বা ভার্চুয়ালাইজেশনেরে সাথে সরাসরি যুক্ত নয়, কিন্তু অনেককিছুই এই ডিএনএস এর উপর নির্ভর করে। কাজেই এটি সঠিকভাবে সেটাপ করা জরুরী।

43. vSphere: ভার্চুয়াল মেশিন, ইএসএক্সআই হোস্ট, এবং ভিসেন্টার এর সংগ্রহ কে ভিস্ফিয়ার বলা যায়।

44. SSH to ESXi host: এসএসএইচ দ্বারা হোস্টের সাথে যুক্ত হওয়া যায়। এছাড়া ডিসিইউআই (DCUI) থাকলে আরো সুবিধা হয়। যদি ভিস্ফিয়ার ক্লায়েন্ট বা ওয়েবে হোস্টের সাথে যুক্ত না হতে পারেন, তাহলে এসএসএইচ দিয়ে বিভিন্ন ট্রাবলশুটিং করতে পারেন।

45. vCenter Linked Mode: বিভিন্ন ভিসেন্টার সার্ভারগুলোকে একত্রে একটি পুল এ রাখার পদ্ধতি।

46. vMotion: ভার্চুয়াল মেশিন এক হোস্ট থেকে অন্য হোস্ট এ মুভ করাকে ভিমোশন বলা হয়। ভিমোশন এবং স্টোরেজ ভিমোশন কিন্তু আলাদা!

47. Storage vMotion: ভার্চুয়াল মেশিন এক ডাটাস্টোর থেকে অন্য ডাটাস্টোরে মুভ করাকে স্টোরেজ ভিমোশন বলা হয়। স্টোরেজ ভিমোশন এবং ভিমোশন কিন্তু আলাদা!

48. vSphere DRS: ডিস্ট্রিবিউটেড রিসোর্স স্কেজুলার সার্ভিস ভার্চুয়াল মেশিনের পারফর্ম্যন্স কন্ট্রোল করে থাকে।

49. vSphere SDRS: স্টোরেজ ডিআরএস যেটি ভার্চুয়াল মেশিন পুলের ফ্রী স্পেস এবং ডাটাস্টোর লেটেন্সী ম্যনেজ করে।

50. Storage DRS Cluster: এসডিআরএস অবব্জেক্টগুলোকে (যেমন – ভলিউম, ভার্চুয়াল মেশিন, কনফিগারেশন ইত্যাদি) একত্রে স্টোরেজে ডিআরএস ক্লাস্টার বলা হয়।