Daily Archives: October 12, 2015

ভিএমওয়্যার ভার্চুয়ালাইজেশন টার্মিনোলোজি ২

Published by:

1. VM: ভার্চুয়াল মেশিন। খুব সোজা! গেস্ট বলা হয়ে থাকে। গেস্ট ওএস – উইন্ডোজ, লিনাক্স, ইউনিক্স, ম্যকিন্টোশ ইত্যাদি।

2. ESXi: ভিএমওয়্যরের ভিস্ফিয়ার হাইপারভাইজর। হোস্টগুলোতে ইএসএক্সআই ইন্সটল করা হয়।

3. vmkernel: ভিএম কার্ণেল টি অপারেটিং সিস্টেম যার দ্বারা ইএসএক্সআই পরিচালিত। এটি ভার্চুয়াল মেশিনগুলোকে স্টোরেজ এবং নেটওয়ার্কে যুক্ত করে।

4. VMFS: ইএসএক্সআই হোস্টের ভার্চুয়াল মেশিন ফাইল সিস্টেম। এটি একটি ক্লাস্টার্ড ফাইল সিস্টেম।

5. iSCSI: ইথারনেট বেজড শেয়ারড স্টোরেজ প্রোটোকল।

6. SAS: লোকাল ডিস্ক টাইপ, সাধারণত SATA.

7. FCoE: ফাইবার চ্যনেল ওভার ইথারনেট, একটি নেটওয়ার্কিং এবং স্টোরজে টেকনোলজী।

8. HBA: ফাইবার চ্যনেল স্টোরেজের হোস্ট বাস এডাপ্টার।

9. IOPs: প্রতি সেকেন্ডের ইনপুট/আউটপুট। একটি ডিস্কের পারফর্ম্যন্স যাচাই করার জন্য।

10. VM Snapshot: একটি পয়েন্ট ইন টাইম রেপ্রেজেন্টেশন। অর্থাত একটি ভিএম এর তাৎক্ষণিক সেভড কপি।

11. ALUA: Asymmetrical logical unit access, a storage array feature. Duncan Epping explains it well.

12. NUMA: নন-ইউনিফর্ম মেমরি এক্সেস, যখন লোকেশন এর উপর নির্ভর করে একাধিক প্রসেসর কে এই মেমরি রিসোর্স দেয়া হয়।

13. Virtual NUMA: উপরে বর্ণিত নুমা কে ভার্চুয়ালাইজ করে, ভিএমওয়্যার হার্ডওয়্যার ভার্সন ৮।

14. LUN: লজিকাল ইউনিট নাম্বার। এর দ্বারা শেয়ারড স্টোরেজ (আইস্কাজি/ফাইবার চ্যনেল) কে আইডেন্টিফাই করা হয়।

15. pRDM: Physical mode raw device mapping, presents a LUN directly to a VM.

16. vRDM: Virtual mode raw device mapping, encapsulates a path to a LUN specifically for one VM in a VMDK.

17. SAN: স্টোরেজ এরিয়া নেটওয়ার্ক। ব্লক প্রোটোকল ব্যবহার (ফাইবার চ্যনেল/আইস্কাজি) করা হয় এতে।

18. NAS: Network attached storage, a shared storage technique for file protocols (NFS).

19. NFS: নেটওয়ার্ক ফাইলে সিস্টেম। ফাইল বেসড স্টোরেজ প্রটোকল।

20. DAS: ডাইরেক্ট এটাচড স্টোরেজ। ডিস্কগুলো সরাসরি হোস্ট এর সাথে যুক্ত।

21. VAAI: vStorage APIs for Array Integration, the ability to offload I/O commands to the disk array.

22. SSD: সলিড স্টেট ডিস্ক। এটি নন-রোটেশনাল ডিস্ক যেটি ট্র্যডিশনাল স্পিনিং ডিস্কের চেয়ে অনেকগুনে দ্রুত।

23. VSAN: Virtual SAN, a new VMware announcement for making DAS deliver SAN features in a virtualized manner.

24. vSwitch: একটি ভার্চুয়াল সুইচ। এটি ভিএমগুলোকে ফিজিকাল নেটওয়ার্কের সাথে যুক্ত করে।

25. vDS: ভি-নেটওয়ার্ক ডিস্ট্রিবিউটেড সুইচ, ভার্চুয়াল সুইচের উন্নত ভার্সন। এতে আরো ফিচার রয়েছে।

26. ISO: ইমেজ ফাইল (ছবি নয় কিন্তু)। এটি সাধারনত আইসো ৯৬৬০ ফাইল সিস্টেম থেকে তৈরি অপ্টিকাল ড্রাইভ থেকে।

27. vSphere Client: ভিস্ফিয়ার ক্লায়েন্ট দ্বারা আপনি ভিসেন্টারে, হোস্ট এ, ভার্চুয়াল মেশিনের সাথে যুক্ত হতে পারেন। ওয়েব বেজড ভার্সন থিক ক্লায়েন্ট কে রিপ্লেস করবে। নতুন সব ফিচার ওয়েব ভার্সনে যুক্ত হয়, থিক ক্লায়েন্ট এ তেমন কোন আপডেট হয়না। অনেকে কিছুটা স্লো হবার কারনে ওয়েব ভার্সন পছন্দ করেন না। এছাড়া ইন্টারফেস বেশ ভিন্ন!

28. vSphere Web Client: ওয়েব বেসড ভিস্ফিয়ার ক্লায়েন্ট যেটি দিয়ে ভিস্ফিয়ার অব্জেক্টগুলো ম্যনেজ করা হয়।

29. Host Profiles: পুর্বেই কনফিগার করা প্রোফাইল যা কোণ হোস্ট এ প্রয়োগ করা যায়। একাধিক হোস্ট থাকলে, একি কনফিগারেশন বারবার করা লাগেনা।

30. Auto Deploy: অটো-ডিপ্লয়ের মাধ্যমে কোন সার্ভারে আপনি ইএসএক্স অটোমেটিকালি ইন্সটল করে নিতে পারবেন নেটওয়ার্কে।

31. VUM: ভিস্ফিয়ার আপডেট ম্যনেজার। এর মাধ্যমে বিভিন্ন আপডেট প্রয়োগ করা হয়। হোস্ট, ভার্চুয়াল মেশিনের প্যচ, প্রডাক্ট আপডেট করা সম্ভব।

32. vCLI: ভিস্ফিয়ারের কমান্ড লাইন ইন্টারফেস। এর মাধ্যমে হোস্ট এবং ভিসেন্টার সার্ভারে কমান্ড চালানো যায়।

33. vSphere HA: হাই-এভেলেবিলিটি, যদি কোন ভিএম ফেইল হয়, তখন সেটি ভিমোশন হয়ে অন্য আরেকটি হোস্ট থেকে চালু হবে।

34. vCenter Server Heartbeat: Will keep the vCenter Server available in the event a host fails which is running vCenter.

35. Virtual Appliance: প্রি-প্যকেজড ভার্চুয়াল মেশিন যেটি সাধারণত এক বা একাধিক এপ্লিকেশন হোস্ট করে।

36. vCenter Server: সার্ভার এপ্লিকেশন যেটি সেন্ট্রালী সব হোস্ট, ভার্চুয়াল মেশিন, ডাটাস্টোর ইত্যাদি ম্যনেজ করতে সক্ষম। উইন্ডোজ ভার্সন এবং লিনাক্স এপ্লায়েন্স দুটি ফ্ল্যভারে পাওয়া যায়।

37. vCSA: ভিসেন্টার সার্ভারের এপ্লায়েন্স ভার্সন। উইন্ডোজ ভার্সনের সাথে পার্থক্য নেই বললেই চলে এবং এপ্লায়েন্স মেইন্টেন করা আরো সহজ। ফিচারের দিক থেকে সবি একি।

38. vCloud Director: Application to pool vCenter environments and enable self-deployment of VMs.

39. vCloud Automation Center: IT service delivery through policy and portals,get familiar with vCAC.

40. VADP: ডাটা প্রটেকশনের জন্য এই এপিআই ব্যবহার করা হয়। ব্যকাপ রিলেটেড।

41. MOB: ম্যনেজড অবজেক্ট রেফারেন্স এর মাধ্যমে ভিসেন্টার প্রতিটি অবজেক্ট কে ক্লাসিফাই করে।

42. DNS: ডোমেইন নেম সার্ভিস। নেটওয়ার্কিং এর ক্ষেত্রে অতি গুরুত্বপূর্ণ একটি জিনিশ। এটি নেম রেজুলোশন প্রটোকল। যদিও এটি সরাসরি ভিএমওয়্যার বা ভার্চুয়ালাইজেশনেরে সাথে সরাসরি যুক্ত নয়, কিন্তু অনেককিছুই এই ডিএনএস এর উপর নির্ভর করে। কাজেই এটি সঠিকভাবে সেটাপ করা জরুরী।

43. vSphere: ভার্চুয়াল মেশিন, ইএসএক্সআই হোস্ট, এবং ভিসেন্টার এর সংগ্রহ কে ভিস্ফিয়ার বলা যায়।

44. SSH to ESXi host: এসএসএইচ দ্বারা হোস্টের সাথে যুক্ত হওয়া যায়। এছাড়া ডিসিইউআই (DCUI) থাকলে আরো সুবিধা হয়। যদি ভিস্ফিয়ার ক্লায়েন্ট বা ওয়েবে হোস্টের সাথে যুক্ত না হতে পারেন, তাহলে এসএসএইচ দিয়ে বিভিন্ন ট্রাবলশুটিং করতে পারেন।

45. vCenter Linked Mode: বিভিন্ন ভিসেন্টার সার্ভারগুলোকে একত্রে একটি পুল এ রাখার পদ্ধতি।

46. vMotion: ভার্চুয়াল মেশিন এক হোস্ট থেকে অন্য হোস্ট এ মুভ করাকে ভিমোশন বলা হয়। ভিমোশন এবং স্টোরেজ ভিমোশন কিন্তু আলাদা!

47. Storage vMotion: ভার্চুয়াল মেশিন এক ডাটাস্টোর থেকে অন্য ডাটাস্টোরে মুভ করাকে স্টোরেজ ভিমোশন বলা হয়। স্টোরেজ ভিমোশন এবং ভিমোশন কিন্তু আলাদা!

48. vSphere DRS: ডিস্ট্রিবিউটেড রিসোর্স স্কেজুলার সার্ভিস ভার্চুয়াল মেশিনের পারফর্ম্যন্স কন্ট্রোল করে থাকে।

49. vSphere SDRS: স্টোরেজ ডিআরএস যেটি ভার্চুয়াল মেশিন পুলের ফ্রী স্পেস এবং ডাটাস্টোর লেটেন্সী ম্যনেজ করে।

50. Storage DRS Cluster: এসডিআরএস অবব্জেক্টগুলোকে (যেমন – ভলিউম, ভার্চুয়াল মেশিন, কনফিগারেশন ইত্যাদি) একত্রে স্টোরেজে ডিআরএস ক্লাস্টার বলা হয়।

ব্যকবক্স (BackBox Linux) লিনাক্স ৪.৪

Published by:

আপনারা জানেন লিনাক্স একটি ওপেন সোর্স কম্পিউটার অপারেটিং সিস্টেম। বিভিন্ন ডেভেলপার এবং কোম্পানী এটিকে বিভিন্নভাবে কাজে লাগাচ্ছে। তেমনি একটি প্রজেক্ট ব্যকবক্স লিনাক্স। এর মূল উদ্দেশ্য সিকিউরিটি রিসার্চ। ইতালিয়ান ডেভেলপারদের উবুন্তু নির্ভর ব্যকবক্স (BackBox Linux) মোটামুটি ভালোই জনপ্রিয়। তবে নিরাপত্তা রিসার্চারদের কাছে সবচে জনপ্রিয় ক্যালি (Kali Linux) যেটি আগে ব্যকট্র্যক (BackTrack Linux) হিসেবে পরিচত ছিল। ব্যকবক্সের সর্বশেষ সংস্করণ ভার্সন ৪.৪। এর ব্যবহার সহজ, নিয়মিত আপডেট হয়। উবুন্তুর আদলে তৈরি হলেও ব্যকবক্সের রয়েছে নিজস্ব সফটওয়্যার রিপোজিটরি এবং সিকিউরিটি রিলেটেড অসংখ্য টুলস। সাধারন ব্যবহারের পাশাপাশি এটিকে আপনি বিভিন্ন কাজে ব্যবহার করতে পারেন যেমন – পেন টেস্টিং, ইনসিডেন্ট রিসপন্স, কম্পিউটার ফরেনজিক, ইন্টেলিজেন্স গ্যাদারিং। ভার্সন ৪.৪ এর কার্নেল ৩.১৯।

ব্যকবক্স লিনাক্স স্ক্রীনশটঃ https://www.backbox.org

মোবাইল – কি কিনবো? কি কেনা উচিত? শপিং গাইড

Published by:

বেশিরভাগ ব্যক্তিগত মোবাইল আজকাল একটি স্ট্যাটাস সিম্বল। কেউ কেউ আছেন স্বল্পদামী মোবাইল ব্যবহার করেন, কেউ নামি-দামী মোবাইল সেট পছন্দ করেন, কেউ বাহ্যিক আকারের কারনে ব্যবহার করেন, কেউ কেউ ফাংশানের জন্য ব্যবহার করে থাকেন। যার যা পছন্দ এবং প্রয়োজন সেভাবে তার মোবাইল সেট সিলেক্ট করে থাকেন। এখানে রাইট বা রং এর কিছুই নেই। সবকিছুর মূলে অবশ্য বাজেট। আমি দশ হাজার টাকার মোবাইল কিনবো নাকি ষাট হাজার টাকার মোবাইল কিনবো সেটা আমার উপরেই। বাজেট ঠিক হবার পরে কি কি ফিচার দেখা উচিত তা নিয়ে লিখছিঃ

ক্যমেরা – ছবি তোলা কে না পছন্দ করেন। ছবি অমূল্য। আপনার ফোন পাল্টাতে পারবেন এক নিমিষেই কিন্তু হারিয়ে যাওয়া ছবি আর পাবেন না। জীবনের সুন্দর মূহুর্তগুলো ক্যমেরাবন্দী করার জন্য ভালো ক্যমেরা চাই। মেগাপিক্সেলের পাশাপাশি লেন্স কোয়ালিটি অনেক গুরুত্বপূর্ণ। বর্তমানে খুব কম স্মার্টফোনেই অপটিকাল ইমেজ স্ট্যাবিলাইজেশন (OIS) রয়েছে। নোকিয়া/মাইক্রোসফটের আগামী কিছু ফোনে এ ফিচার থাকার কথা রয়েছে। তাই পছন্দের মোবাইলে জেনে নিন ক্যমেরা কার তৈরি, রিভিউ কেমন, কোয়ালিটি কেমন। প্রফেশনাল ফটোগ্রাফারদের দ্বারা লেখা ফোন ক্যমেরা রিভিউ দেখুন ডিপিরিভিউ (DP Review) এবং সেরা ক্যমেরা তালিকা দেখুন ডিএক্সও মার্ক (DxO Mark) এ। বর্তমানে সেরা দশ ক্যমেরা ফোন হলো (এক থেকে দশ) –

সনি এক্সপেরিয়া জি৫ > স্যমসাং এস৬ এজ > গুগল নেক্সাস ৬পি > এলজি জি৪ > স্যমসাং নোট ৪ > মোটোরলা এক্স স্টাইল > সনি এক্সপেরিয়া জি৩+ > এপল আইফোন ৬+ > এপল আইফোন ৬ > স্যমসাং এস৫

স্টোরেজ – আইফোনে এ স্টোরেজ ফিক্সড। কাজেই আইফোন কেনার আগে এ স্টোরেজ নিয়ে একটু ভেবে দেখবেন। এন্ড্রয়েড এবং উইন্ডোজ ফোনের স্টোরেজ ক্যপাসিটি মেমরি কার্ড দিয়ে খুব সহজেই এবং সস্তায় বাড়ানো যায় যেটা আইফোনে সম্ভব নয়। আপনি ফোন এ কি কি রাখতে চান? এক গাদা ফাইল? পোর্টেবল পেন ড্রাইভ বা হার্ড ড্রাইভ হিসেবে ব্যবহার করতে চান? ছবি? গান? ভিডিও? প্রশ্ন করুন নিজেকে। এন্ড্রয়েড স্টোরেজ এবং আইওএস স্টোরেজ নিয়ে বিস্তারিত জানতে এগুলো পড়ে নিন।

নেটওয়ার্ক – আপনি আপনার ডিভাইসটি কোথায় ব্যবহার করবেন? বাংলাদেশ? আমেরিকা? সেখানে ৩জি বা ৪জি নেটওয়ার্কের কোন কোন ফ্রিকোয়েন্সীতে চলে? আপনার সার্ভিস কোন ব্যন্ড এ চলে? আপনার সম্ভাব্য ফোনে সেই ব্যন্ডগুলো আছে তো? এসব তথ্য পাবেন ফোনের টেকনিকাল স্পেসিফিকেশন পেজ এ। ফোন ডাটাবেজ পিডিএডিবি (PDAdb) থেকেও পেতে পারেন এসব তথ্য। এছাড়াও ফোন এরেনা (PhoneArena) তে পাবেন আরো অনেক তথ্য এবং রিভিউ।

ব্যটারি লাইফ – আজকাল স্মার্টফোনে কেবল শুধু কথাই নয়, ছবি তোলা থেকে শুরু করে চ্যাটিং, ব্যঙ্কিং, শপিং সবকিছু হয়ে থাকে। আর এসবের জন্য চাই ভালো, দীর্ঘমেয়দী ব্যটারি লাইফ। বর্তমানে ফোনগুলো গড়ে একদিন চলে নরমাল্ ব্যবহারে। এখন আপনি যদি খুব হেভি ইউজার হয়ে থাকেন, তাহলে আপনার এটা নিয়ে চিন্তা করা উচিত। সব সময় আপনি চার্জারের আশেপাশে থাকবেন? আলাদা ব্যটারী বা চার্জার সঙ্গে নিয়ে ঘুরবেন? আজকাল অবশ্য কিছু পোর্টেবল ব্যটারী “জুস প্যক” পাওয়া যায়। এগুলো দেখতে অনেকটা মোবাইল সেটের মতই, যেগুলো থেকে ইউএসবি তার দিয়ে আপনার মোবাইল রিচার্জ করা সম্ভব। হেভি ইউজারদের জন্য এটি আরেকটি বিকল্প।

সর্বশেষে একটা কথা বলতে চাই। সেটা হলো যারা পাওয়ার ইউজার আছেন, তাদের কাছে এন্ড্রয়েড প্লাটফর্ম পছন্দ হবে। এতে প্রচুর অপশন/ফিচার রয়েছে যেগুলো আইওএস এ কল্পনাতীত। আইওএস পাওয়ার ইউজারদের জন্য ভীষণভাবে লিমিটেড। মনে রাখবেন, “এন্ড্রয়েড” কোন ফোন নয়, এটা একটা প্লাটফর্ম। এন্ড্রয়েডে পাঁচ হাজার টাকার ফোন আছে আবার পঞ্চাশ হাজার টাকার ফোন ও আছে। এখন কেউ যদি স্বল্পদামী এন্ড্রয়েড ব্যবহার করে বলে থাকে যে এন্ড্রুয়েড ফালতু, স্লো, এটা কেবল তাদের অজ্ঞতারই প্রকাশ। এন্ড্রয়েড ব্যবহার খুবি সহজ। আপনি যেভাবে মন চায় সেভাবে পার্সোনালাইজড এবং কন্ট্রোল করতে পারবেন। এন্ড্রয়েড ভালো না লাগলে মাইক্রোসফট উইন্ডোজ ফোন অথবা এপল আইফোন নিতে পারেন। এগুলোর ব্যবহার ও সহজ। তবে উইন্ডোজে এ এপ্লিকেশন সংখ্যা একটু কম। যদিও উইন্ডোজ ১০ রিলিজের পর এটি অনেক বেড়ে যাবে। উইন্ডোজ বা আইওএস এগুলো কোনটাই এন্ড্রয়েডের মত ফিচার রিচ বা ফ্লেক্সিবল নয়। আপনি যদি শুধু গুটিকয়েক কাজের জন্য স্মার্টফোন নিয়ে থাকেন তাহলে আপনি এন্ড্রয়েড, আইওএস বা উউন্ডোজেই যান না কেন, সেটা খুব একটা প্রভাব ফেলবেনা। যখনি আপনি আপনার মত ইচ্ছেমত কিছু করতে যাবেন, তখনি আপনি এন্ড্রয়েডের ফ্লেক্সিবিলিটি আর আইওএস এর লিমিটেশন বুঝতে পারবেন।

স্টোরেজ নিয়ে কিছু কথা – এন্ড্রয়েড

Published by:

পড়ুন – স্টোরেজ নিয়ে কিছু কথা – আইওএস

এন্ড্রয়েডের আকর্ষণীয় একটি ফিচার হলো এসডি কার্ডের ব্যবহার। সব স্মার্টফোনেই নির্দিষ্ট একটি স্টোরেজ দেয়া থাকে। ছবি, গান, এপস ইত্যাদির কারনে অনেকের স্পেস খুব সহজেই ফুরিয়ে যায়। অত্যন্ত সস্তা হওয়ায় অনেকে এন্ড্রয়েডের স্টোরেজ ক্যপাসিটি বাড়ান এসডি কার্ড যুক্ত করে। এসডি কার্ড বিভিন্ন সাইজে এবং দামে পাওয়া যায়। ২০১৫ তে ১২৮গিগ এসডি কার্ডের দাম আমেরিকান ৭০ ডলারের মত, ৩২গিগ পাওয়া যায় ১৫ ডলারে, ৬৪ গিগ এর দাম ২০ থেকে ২৫ ডলার। যাই হোক, মূল বিষয় আরেকটি। জনপ্রিয় আইফোনে স্টোরেজ বরাবরি ফিক্সড। কোনভাবেই এটি আপগ্রেড করা যাবেনা। একমাত্র ভিন্ন মডেল আইফোন নিয়ে স্টোরেজ পালটানো যাবে। আজকের ব্লগের মূল বিষয় হলো স্মার্টফোনের যে স্পেস টা দেয়া হচ্ছে, এটা কে কিভাবে দিচ্ছে, কিভাবে সেটাকে কাজে লাগানো সম্ভব তা নিয়ে আলোচনা করবো। ফোন স্টোরেজে এক্সেস থাকলে আপনি এটাকে পোর্টেবল হার্ড ড্রাইভ হিসেবে ইউজ করতে পারেন। আপনার দরকারী ফাইল পত্তর, গান, যা ইচ্ছে তাই ঢুকিয়ে রাখতে পারবেন।

একটা উদাহরন দেই। ধরুন এন্ড্রয়েড একটি ব্যঙ্ক। এখানে আপনি কিছু টাকা জমা রেখে এলেন টেলারের কাছে। এবার সেই নির্দিষ্ট টেলার থাকুক বা না থাকুক, আপনার টাকা কিন্তু রয়েই যাবে ব্যঙ্কে। এবার এন্ড্রয়েডের সাথে এটিকে মিলিয়ে নি। এন্ড্রয়েডে ফাইল এবং এপ আলাদা আলাদা। অর্থাৎ আপনার এপ যেখানেই যাবে যাক, আপনার ফাইলগুলো ইন্ট্যাক্ট থাকবে। এন্ড্রয়েডের স্টোরেজে সরাসরি প্রবেশ করা যায়। অবশ্য অপারেটিং সিস্টেমের কিছু নির্দিষ্ট স্পেস আছে যেখানে ইউজার প্রবেশ নিষিদ্ধ। এই কনসেপ্ট টা একদম পিসির মতো। আপনার ফাইল এক জায়গায় থাকবে, এপ্লিকেশন অন্য জায়গায়। আইওএস এ “এপ এর ভেতর ফাইল / files inside app” ঢোকানো লাগে, আর সেই এপ ডিলিট হয়ে গেলে সব ফাইলও হারিয়ে যাবে চিরতরে। আইওএস এ এটি অত্যন্ত লিমিটেড এবং বিপদজনক। ভুলবশপ আপনার এপ ডিলিট হতেই পারে, তাই বলে আপনার ফাইলগুলো ডিলিট হবে কেন? এটা কেবল আইওএস এই হয়।

এন্ড্রয়েড কিটক্যট (৪.৪) থেকে শুরু করে স্টোরজের জন্য এমটিপি প্রটোকল ব্যবহার করা শুরু করেছে। জেলিবিন ভার্সন (৪) এ ইউসবি ম্যাস স্টোরজে প্রটোকলে ছিল। এটাতে সুবিধে ছিল যে প্লাগিন করার পরে এটি একটি ড্রাইভ লেটারে পরিণত হতো। একদম একটা পেন ড্রাইভ/ইউএসবি ড্রাইভের মত। ড্রাইভ লেটার থাকার কারনে উইন্ডোজ ভিত্তিক অনেক সুবিধে পাওয়া যেতো। যেমন আপনি চাইলে কোন ব্যাচ ফাইল রান করে ফোনের সব ফাইল কপি করে নিতে পারেন, ফোন থেকে কম্পিউটারে বা কম্পিউটার থেকে ফোনে। এমটিপি প্রটোকলে যদিও ফাইল সংরক্ষণের ব্যবস্থা আছে, মুল সমস্যা হলো এটায় কোন ড্রাইভ লেটার থাকেনা। ফোন থেকে কোন ফাইল খুললে সেটা একবার লোকাল কপি তৈরি করবে, আবার সেটা ডিলিট করবে। একটু স্লো এবং প্রসেসিং নষ্ট করে। আর কোন অটোমেশন স্ক্রীপ্ট কম্পিউটার থেকে চালানো যায়না। গুগলের যুক্তি হলো এমটিপিতে ডাটা করাপশন হয়না। তবে যে প্রটোকলই ব্যবহৃত হোক না কেন, আইওএস এর মত লিমিটেড নয়। আপনি চাইলে যেকোন ফাইল/গান/ছবি একদম যা ইচ্ছে তাই এন্ড্রয়েড ফোনে স্টোর করে রাখতে পারবেন। নতুন এন্ড্রয়েড ভার্সনে স্টোরজে প্রটোকল ভিন্ন হলেও স্টোরেজ এখনো ইউজারের কন্ট্রোলে চলে। এমন নয় যে সাধারন ইউজার কে এভাবে ফাইল ম্যনেজার দিয়ে ঢুকে জটিল কিছু করা লাগবে। যারা চায়, তারা এক্সেস করবে স্টোরেজে এ। যারা চায়না তারা স্বাভাবিকভাবেই এন্ড্রয়েড স্মার্ট ফোন ব্যবহার করবে। মোট কথা হলো ইউজার অপশন রয়েছে।

শেয়ারিং এর জন্য এন্ড্রয়েডের চেয়ে আর ভালো কোন অপশন নেই আপাতত। যেহেতু আপনি বিভিন্ন ফাইল ম্যনেজারের মাধ্যমে এন্ড্রয়েড স্পেস টা দেখতে পাচ্ছেন, আপনি চাইলে সেখান থেকে যেকোন ফাইল ব্লু-টুথ, এনফসি, ইমেইল, স্কাইপ, নেটওয়ার্ক, ইত্যাদির মাধ্যমে শেয়ার করতে পারবেন। এছাড়াও ধরুন ফেসবুকে কোন ছবি পছন্দ হোলো, সেটি আপনি সরাসরি সেখান থেকেই অন্য এপ যেমন ভাইবার, হোয়াটসএপ, ইমেইল ইত্যাদিতে শেয়ার করতে পারবেন।

নিচের ছবিতে দেখতে পাচ্ছেন “Solid Explorer” এপ দিয়ে কিভাবে এন্ড্রয়েড স্টোরেজ ম্যনেজ করা হচ্ছে। এটি ছাড়াও এন্ড্রয়েদের অন্যতম সেরা আরেকটি ফাইল ম্যনেজার হচ্ছে “ES File Explorer“. দুটোই পাবেন গুগল প্লে এপ স্টোর এ।

স্টোরেজ নিয়ে কিছু কথা – আইওএস

Published by:

পড়ুন – স্টোরেজ নিয়ে কিছু কথা – এন্ড্রয়েড

আমরা আমাদের ফোনের স্টোরেজ ক্যপাসিটি নিয়ে বড়াই করে থাকি। আসুন আজকে আমরা এপল আইওএস স্টোরেজ নিয়ে কিছু কথা বলি।

আইওএস (আইফোন) – প্রথমত এর স্টোরেজ এ ইউজার এক্সেস নেই। অর্থাৎ আপনার আইফোনে যতই গিগ থাকুক না কেন, সেটা আপনি ইচ্ছেমত ব্যবহার করতে পারবেন না। আপনি চাইলেই যেকোন কম্পিউটারে নিয়ে প্লাগিন করে সরাসরি ফাইল/ছবি/তথ্য কম্পিউটার থেকে আইফোনে বা আইফোন থেকে কম্পিউটারে নিতে পারবেন না। এটা সম্পুর্নরুপে একটা আর্টিফিশিয়াল লিমিটেশন। এর কোন টেকনিকাল ভিত্তি নেই। এপলের অজুহাত “নিরাপত্তার” খাতিরে আপনাকে আপনার পয়সায় কেনা স্টোরেজ আপনার ইচ্ছেমত ব্যবহার করতে দিচ্ছেনা। ভাবুন তো গাড়ী কোম্পানীগুলো যদি বলে তোমাকে ঘন্টায় ১০ মাইলের বেশি বেগে চালাতে দেয়া হবেনা নিরাপত্তার খাতিরে, বা তারা যদি বলে যে রাস্তায় তোমাকে গাড়ী চালাতে দেয়া হবেনা কারন দূর্ঘটনা হতে পারে, তাহলে আপনার কেমন লাগবে? ব্যপারটা এমন নয় যে কেবলমাত্র স্টোরজে এক্সেস বন্ধ করে আইওএস একদম ১০০% নিরাপদ। বাস্তব হলো কোন সফটওয়্যারই ১০০% নিঁখুত নয়। কেউ না কেউ কোন এক পদ্ধতি বের করবেই। কাজেই স্টোরেজ এ এক্সেস বন্ধ করাটার কারণ বাণিজ্যিক। আপনারা জানেন আইফোন এর পাশাপাশি এপল মিউজিক বিক্রয় করে থাকে। আপনাকে সরাসরি স্টোরেজ এক্সেস দিলে আপনি হয়ত সেই কেনা ফাইলগুলো বন্ধুদের সাথে শেয়ার করবেন। মূলত এ কারনেই স্টোরেজে এ ঢুকতে দেয়া হয়না। সারমর্ম হলো, আইফোনের স্টোরজে সম্পুর্ণ শুধু গান আর ছবি তোলার জন্য। অন্য কোন কাজের জন্য এটাকে ব্যবহার করা খুবি দূরূহ।

আর এই স্টোরেজ এক্সেস না থাকার কারনে ব্লু-টুথ, এনএফসি ইত্যাদির মাধ্যমে সব ধরনের শেয়ারিং ও বন্ধ সেই একি “নিরাপত্তার” অজুহাতে। অতএব চাইলেই আপনি আপনার বন্ধুর আইফোনে কিছু পাঠাতেও পারবেন না আবার তাদের থেকে কিছু নিতেও পারবেন না। আপনি আপনার এন্ড্রয়েড থেকে যেকোন ফাইল (ছবি, গান, পিডিএফ যা ইচ্ছে তাই) আপনার আইফোন বন্ধুকে ইমেইল করে পাঠাতে পারবেন কিন্তু সে অনূরুপ করতে পারবেনা। সে কেবল ছবি ইমেইল করে পাঠাতে পারবে। এভাবে ইন্টারনেটের মাধ্যমে কেবল ছবিই পাঠাতে পারবে আপনার কাছে। ভেবে দেখুন, পক্ষান্তরে আইফোনে যদি সঠিক ব্লু-টুথ সাপোর্ট থাকতো, তাহলে আপনারা সাথে সাথে ছবি শেয়ার করতে পারতেন। ফোন টু ফোন ডাইরেক্ট কানেকশান, কোন ইন্টারনেট লাগেনা কিন্তু আইফোনে এখন আপনার বন্ধুকে সেই ছবি ইন্টারনেটে আপলোড করতে হবে, সেই ছবি আপনার কাছে এলে আপনাকে আবার সেটা ডাউনলোড করতে হবে। আবার দুজনের ইন্টারনেট কানেকশান ও লাগবে।

আরো একটি ব্যাপার হোলো, আইফোনের এপ স্টোরেজ স্যন্ডবক্সড। একটা উদাহরন দেই। ধরুন আইফোন আইওএস একটি ব্যঙ্ক। এক, এখানে শুধু টাকাই জমা দিতে পারবেন। দুই, এই ব্যঙ্কে যদিও বিভিন্ন টেলার রয়েছে, কিন্তু এদের একের অন্যের সাথে কোন যোগাযোগ নেই। এরা একি ব্যঙ্কের, কিন্তু সম্পূর্ণ আলাদা আলাদা। তিন, আপনি একদিন ব্যঙ্কে গিয়ে টাকা রেখে আসলেন নির্দিষ্ট একজন টেলারের কাছে। যতদিন ঠিক সেই টেলার থাকছে, ততদিন আপনার কোন সমস্যা হবেনা। ধরুন কোন কারনে তার চাকরী চলে গেছে। এবার কি হবে? এর মানে হোলো, টেলারের সাথে সাথে আপনার যে টাকা, সেটাও জলে গেলো। ওই টাকা আর ফেরত আসবেনা। এবার আসুন আমরা আইওএস এর সাথে এটিকে মিলিয়ে নেই। আইওএস এ কিছু কিছু এপ এ কেবলমাত্র আইটিউনসের মাধ্যমে ফাইল ঢুকানো যায়। যেমন আইফোনে এডবি রিডার ইন্সটল করলে, আপনি আইটিউনসে কানেক্ট করে কয়েকটা পিডিএফ ফাইল ঢুকাতে পারবেন। এই পিডিএফ ফাইলগুলো কিন্তু আইফোনের অন্য কোন এপ এ দেখা যাবেনা। কেবলমাত্র এডবি রিডারেই দেখা যাবে। আপনি একদিন ভুলবশত এডবি রিডার এপ টি ডিলিট করে দিলেন। এবারে এডবি রিডার তো ডিলিট হোলোই, এরসাথে পুর্বের ঢোকানো সব ফাইলও এর সাথে ডিলিট হয়ে যাবে। একবার চিন্তা করুন যদি সেই ফাইলগুলো খুব গুরুত্তপূর্ণ হয়ে থাকে, তাহলে কি হবে? “এপ এর ভেতরে ফাইল / files inside app”, এভাবেই আইওএস এ নির্দিষ্ট কিছু ফাইল ঢোকানো হয়। এখন আবার এমন ভাববেন না যে আপনি চাইলেই যেকোন ফাইল ঢুকাতে পারবেন ইচ্ছেমত। লিমিটেড কিছু ফাইল ঢোকানো যাবে কিন্তু এপ ডিলিট হয়ে যাবার সম্ভাবনা তো থাকছেই, সাথে ফাইলগুলোও ডিলিট হবে কিন্তু। আপনি যদি গভীরভাবে ব্যপারটা চিন্তা করেন, এটা কিন্তু মারাত্মক হতে পারে, বিশেষত যখন ডিলিট হওয়া ফাইলগুলো আপনার জন্য খুবি দরকারী। নিন্মের ছবিতে দেখুন, এপগুলো আলাদা আলাদা, একে অন্যের সম্পর্কে জানেনা এবং তারা ডিলিট হয়ে গেলে তাদের ভেতরের যেসব ফাইল, সবি ডিলিট হয়ে যাবে। এন্ড্রয়েডে ফাইল এবং এপ আলাদা আলাদা। অর্থাৎ আপনার এপ যেখানেই যাবে যাক, আপনার ফাইলগুলো ইন্ট্যাক্ট থাকবে। মানে ধরুন আপনার সেই ব্যঙ্কের টেলার চলে গেল, কিন্তু আপনার টাকা ঠিকি থাকবে।

ক্লাউড এ যাবেন? ক্লাউড সার্ভিসগুলো (একমাত্র এপল আইক্লাউড ছাড়া) সব প্ল্যাটফর্ম এগনোস্টিক। ঠিক আছে আপনার ক্লাউড একাউন্টে যেকোন ফাইল আপলোড/স্টোর করে রাখতে পারবেন। কিন্তু আইফোনের স্যন্ডবক্সিং এর কারনে সেটা কোন কাজেই আসবেনা। এছাড়া ক্লাউড সার্ভিস ইন্টারনেটের উপর নির্ভর করে। প্রয়োজনে প্রতিবার ফাইল ডাউনলোড করা, আবার আপলোড করাতে ফোনের ব্যাটারীর পাশাপাশি ইন্টারনেট ও খরচ হচ্ছে। সব মিলিয়ে এটা কোন সমাধান নয়। ক্লাউডের প্রয়োজন আছে, অনেক ক্ষেত্রে ক্লাউড সার্ভিস ভীষণ কাজের কিন্ত সব কিছুর জন্য নয়।

অনেক আইফ্যান (iFan) রা আমাদের “এসব ফিচার দরকার নেই” বা “কেউ এসব ইউজ করেনা”। তারা কিন্তু কখনো করে দেখাতে পারেনা। সবকিছুতেই তাদের যুক্তি এ দুটি। এখন কথা হচ্ছে তারা পারেনা বলেই করেনা, নাকি আসলেই মুখ রক্ষার জন্য এই অজুহাত? ফিচার থাকলে তা কাজে আসে, ইচ্ছে হোলো ইউজ করলাম, না করলে করলাম না কিন্তু যখন কোন অপশনই নেই, তখন লেম এক্সকিউজ বের করা ছাড়া উপায় থাকেনা।