Monthly Archives: October 2015

উইন্ডোজ ডোমেইন/ফরেস্ট ফাংশান লেভেল ডাউনগ্রেড

Published by:

বন্ধুরা, আজ ভুলবশত আমি মূল ডোমেইন কন্ট্রোলার সেটাপ করার সময় সেটার ফাংশনাল লেভেল ২০১২ সিলেক্ট করেছিলাম। বস্তুত এটা কোন সমস্যা নয় এবং এটি কোন কিছুতে তেমন একটা প্রভাব ফেলেনা। কিন্তু আমাকে যে কারনে এটা ট্রাবলশুট করতে হয়েছে সেটা হলো, আমার ডিসি১ হলো উইন্ডোজ ২০১২ এবং ডিসি২ হচ্ছে ঊইন্ডোজ ২০০৮। যদি দুটি সার্ভারাই ২০১২ হতো, তাহলেও কোন সমস্যা ছিলনা। উইন্ডোজ সার্ভার ২০১২ ডোমেইন ফাংশান লেভেল ২০১২ এবং তার নিচে সাপোর্ট করে কিন্তু উইন্ডোজ ২০০৮ এর মাধ্যমে ডোমেইন লেভেল ২০১২ সাপোর্ট পাওয়া যায়না। আমার তো মেজাজ খারাপ ছিল। এখন কি আবার নতুন করে আরেকটা সার্ভার বিল্ড করতে হবে? আমি আসলেই চাইছি একটা ২০১২ এবং একটা ২০০৮ সার্ভার রাখতে আমার ল্যব এ। তাহলে কি করা যায় এখন?

পাওয়ারশেল এর মাধ্যমে সমাধান পেয়ে গেলাম। আসলে এটা তেমন জটিল কিছুনা। এডমিনিস্ট্রিটর হয়ে পাওয়ারশেল (Powershell) খুলুনঃ

১। পাওয়ারশেল এ এক্টিভ ডাইরেকটরী ইম্পোর্ট করুন নিন্মোক্ত কমান্ডের মাধ্যমেঃ

Import-Module -Name ActiveDirectory

২। বর্তমান ফাংশাল লেভেল চেক করুন নিচের কমান্ড দিয়েঃ

Get-ADForest | Format-Table Name , ForestMode

৩। এবারে লেভেল ২০১২ থেকে ২০০৮ এ ডাউনগ্রেড করুন ফরেস্ট এবং ডোমেইন লেভেল। এখানে আবার home.lab এর জায়গায় আপনার নিজের ডোমেইন/ফরেস্টের নাম হবে! নিচে কিন্তু দুটি কমান্ড।

Set-ADForestMode –Identity “home.lab” –ForestMode Windows2008Forest
Set-ADDomainMode –Identity “home.lab” –DomainMode Windows2008Domain

৪। আবারো চেক করে নিন ঠিকমতো ডাউনগ্রেড হয়েছে কিনাঃ

Get-ADForest | Format-Table Name , ForestMode

ভিএমওয়্যারের ইন্টারনাল নেটওয়ার্ক তৈরি

Published by:

বন্ধুরা, আগে লিখেছিলাম কিভাবে উইন্ডোজ ডোমেইন কন্ট্রোলার কিভাবে ইন্সটল করবো এবং ভিএমওয়্যার সফটওয়্যার নিয়ে। আজ লিখছি কিভাবে ইন্টারনাল নেটওয়ার্ক তৈরি করবেন তা নিয়ে। আগে আসুন দেখি কেন দরকার এই ইন্টারনাল নেটওয়ার্ক।

আপনার ভার্চুয়াল হোস্ট যুক্ত থাকবে আপনার ফিজিকাল রাউটারের সাথে। এটা ছাড়া আপনি হোস্টের ভেতরে থাকা ভার্চুয়াল মেশিনগুলো ম্যনেজ করতে পারবেন না। কিন্তু আবার দেখুন, ভেতরের সেই ভার্চুয়াল মেশিনগুলোর কিন্ত কোন ইন্টারনেট এক্সেস দরকার নেই। সেগুলো একটি অন্যটির সাথে যোগাযোগ করতে পারলেই আমাদের জন্য যথেস্ট। এই ভার্চুয়াল মেশিনগুলোর সাথে আপনার ফিজিকাল রাউটারের কোণ সম্পর্ক থাকবেনা। কিন্তু এগুলো একে অন্যের সাথে যোগাযোগ করার জন্য চাই আরেকটি নেটওয়ার্ক। তা না হলে ইন্টার-কমিউনিকেশন সম্ভব হবেনা। তাই আমরা আগেই ইন্সটল করেছি উইন্ডোজ ডিএইচসিপি সার্ভার। এই সার্ভার সব ক্লায়েন্ট কে দেবে একটি করে আইপি এড্রেস। আমাদের তৈরি ডিএইচসিপি সার্ভার আবার কিন্তু ডিএনএস সার্ভার হিসেবেও কাজ করবে। তাহলে ব্যপারটা আরো সহজ হয়ে গেল। নেটওয়ার্কিং এর জন্য ডিএনএস অতি গুরুত্তপূর্ন। একবার ডোমেইন কন্ট্রোলার, ডিএনএস এবং ডিএইচসিপি সার্ভার ঠিকভাবে সেটাপ করে নিলে পরে সেটা অনেক কাজে আশবে। এছাড়া এই একি কাজ বারবার আমাদের রিপিট করা লাগবেনা।

vswitch-internal-network

ঊপরের ছবিটি লক্ষ্য করুন। আমি vSphere Client দিয়ে কানেক্ট হয়েছি আমার ভার্চুয়াল হোস্টের সাথে। হোস্টের আইপি 192.168.1.123 যেখানে আপনারা দুটি ভার্চুয়াল মেশিন দেখতে পাচ্ছেন (DC1 এবং DC2). এই দুটী ডোমেইন কন্ট্রোলার দিয়ে আমি পুর্বে তৈরি করেছিলাম একটিভ ডাইরেক্টরী। যাই হোক, আপনাকে যেটা করতে হবে এখন, সেটা হচ্ছে – ভার্চুয়াল হোস্টের নাম বা আইপিএ এড্রেসের উপর ক্লিক করুন। এরপর উপরে দেখবেন Configuration ট্যাব, সেখান থেকে Hardware সেকশানে পাবেন Networking যেখানে হবে আমাদের কাজ। বাই ডিফল্ট হয়ত সেখানে দেখবেন vSwitch0 যেটি ফিজিকাল এডাপ্টারের মাধ্যমে আপনার ফিজিকাল নেটওয়ার্ক/রাউটারের সাথে যুক্ত। আমরা মূলত এখানে বাড়তি একটি ফেক নেটওয়ার্ক সুইচ তৈরি করবো যেটির মাধ্যমে ইন্টারনালি ভার্চুয়াল মেশিনগুলো কমিউনিকেট করবে। ভড়কে যাবেন না যদি আমার স্ক্রীনশটের সাথে আপনার সাথে হুবহু না মিলে। সাধারনত ডিফল্ট এডাপ্টারের নাম থাকে vmnic0 যেটি ডিফল্ট vSwitch0 এর সাথে থাকে। সঠিকভাবে করার পরে দেখবেন আপনার ভার্চুয়াল হোস্টে দুটি স্ট্যান্ডার্ড সুইচ তৈরি হবে যথাক্রমে – vSwitch0 এবং vSwicth1. এই ভিসুইচ২ হবে আমাদের ফেক/ইন্টারনাল নেটওয়ার্ক সুইচ। এটির মাধ্যমে ডিসি১ এবং ডিসি২ নেটওয়ার্ক ক্লায়েন্টদের আইপি এড্রেস এবং ডিএনএস ইনফরমেশন দেবে। ভিসুইচ১ তৈরির জন্য উপরে ডান দিকে ক্লিক করুনঃ

Add Networking… চাপুন

Connection Types – Virtual Machine সিলেক্ট করে নেক্সট এ চাপুন

Create a vSphere standard switch সিলেক্ট করে নেক্সট এ আসুন। এখানে লক্ষ্য করবেন আপনাকে এক/একাধিক এডাপ্টার সিলেক্ট করতে হবে।

Network Label: এ নাম দিন, আমি দিয়েছি Internal Network. আপনাকে প্রিভিউ দেখাবে স্ক্রীনের নিন্মের অংশে।

এবার নেক্সট এ গিয়ে ফিনিশ করুন ভার্চুয়াল সুইচ তৈরি।

সবকিছু ঠিকঠাকমত সম্পন্ন করে থাকলে আপনি দেখবেন দুটি সুইচ তৈরি হয়েছে আমার দেয়া স্ক্রীণশট এর মত। সুইচ তৈরির পরে আপনি চাইলে তার Properties দেখতে পারেন, তবে সেসব কোন কিছু পরিবর্তনের প্রয়োজন নেই। সব ডিফল্টে রেখে দিন। আগামী পর্বে দেখাবো কিভাবে ডিসি১ এবং ডিসি২ কিভাবে এই সুইচ কে ইউটিলাইজ করবে।

উইন্ডোজের এক্টিভ ডিরেকটোরি সার্ভিস

Published by:

বন্ধুরা, একটিভ ডিরেকটরী সম্পর্কে হয়ত এক-আধটু জানেন আপনারা। এর মাধ্যমে অনেক কিছু করা সম্ভব। আইটির মূল ভিত্তি হচ্ছে একটিভ ডাইরেক্টরী। এটাকে কেন্দ্র করেই বাকী সবকিছু নেটওয়ার্কে নির্ধারিত হয়। কাজে এর গুরুত্ব অনুধাবন করতে পারছেন হয়ত। ধারাবাহিকভাবে এই ব্লগে আমি ভার্চুয়ালাইজেশন নিয়ে লিখব। কিন্তু তার আগে আমাদের একটা একটিভ ডাইরেক্টোরী সেটাপ করে নিতে হবে। মুলত ডিএনএস, ডিএইচসিপি, সিংগেল সাইন অন ইত্যাদির জন্য এটা আগে করে নিতে হবে।

উইন্ডোজ ২০০৮ এবং ২০১২ তে প্রথমে আপনাক সার্ভার ম্যনেজার থেকে এই “Active Directory Domain Services” রোলগুলো ইন্সটল করে নিতে হবে। ভার্সন ২০০৩ এ এসব কাজ আগে অনেক কঠিন ছিল কিন্তু মাইক্রোসফট অতি সহজ করে দিয়েছে। রোলগুলো ইন্সটল করার পরে আপনাকে dcpromo.exe রান করতে হবে। এছাড়া এটা আপনি সার্ভার ম্যনেজার থেকেও করতে পারেন। এই উইজার্ড কিছু জিনিশ চেক করে আপনাকে রিপোর্ট দেবে। ডিসিপ্রোমো রান করার পর কম্পিউটার রিবুট হবে। এখানে উল্লেক্ষ্য, দুইটি জিনিস আপনাকে পছন্দ করে দিতে হবে। ডোমেইন নেম, এবং ডিএসআরএম পাসওয়ার্ড। ডোমেইন নামের জন্য যেকোন কিছু সিলেক্ট করতে পারেন। আমি করেছি home.lab। অর্থাৎ, আমি এই ডোমেইনে যেটাই যোগ করি, সেটার সাফিক্স হবে home.lab যেমন ধরুন আমি একটি মেইল সার্ভার যোগ করবো, সেটার হোস্ট নেম mail. এবার তা ডোমেইনে যুক্ত করার পর এফকিউডিএন (FQDN – Fully Qualified Domain Name) হবে mail.home.lab। এবার কিছুটা বুঝতে পারছেন? আপনার যদি কেবল একটিমাত্র সার্ভার থাকে এক্টিভ ডিরেক্টরীতে, তাহলে সব ফিজমো (FSMO) রোলসগুলো একি সার্ভারে থাকবে। এই ফিজমো রোলগুলো হচ্ছে এক্টিভ ডাইরকেটরীর প্রান। বড় বড় আইটি শপে বা এনভাইরনমেন্টে অনেকগুলো ডোমেইন কন্ট্রোলার থাকে যেগুলোতে একটি/দুটী করে রোল রাখা হয়। এটি করা হয় যাতে এক সার্ভারের উপর বেশি চাপ না পড়ে। এছাড়াও ডোমেইন কন্ট্রোলারগুলো কিন্তু সব সময় রেপ্লিকেশন করতে থাকে। ফলে একটি সার্ভার অফলাইনে গেলেও তেমন একটা প্রভাব পড়েনা।

ভিএমওয়ার ল্যব তৈরি ১

Published by:

বন্ধুরা, ধারাবাহিকভাবে লিখবো বাসায় কিভাবে একটি ভার্চুয়াল ল্যব তৈরি করবেন।  (চাইলে এখন এই ব্লগের “ভার্চুয়ালাইজেশন‘ সেকশনে গিয়ে আরো কিছু প্রাথমিক ধারনা নিতে পারেন) এখানে কিছু হাইলেভেল ওভারভিউ দেয়া হলো। আমি আশা করছি আপনাদের সম্যক ধারনা আছে এ বিষয়ে।

আমাদের সিনারিও হবে এমনঃ

আপনার একটি মুল ডেস্কটপ বা ল্যপটপ থাকবে। মুলত এখান থেকেই আপনি সবকিছু কন্ট্রোল করবেন। এটাই হবে আপনার কমান্ড এন্ড কন্ট্রোল স্টেশন। এটি আপনার ফিজিকাল রাউটারের সাথে যুক্ত থাকবে।

ডেডিকেটেড ভার্চুয়াল হোস্ট – এটাই হচ্ছে হোস্ট। এখানে সব ভার্চুয়াল মেশিন থাকবে। এই মেশিনটী পাওয়ারফুল হতে হবে। অবস্য সেটা আপনার উপরে নির্ভর করছে। আপনি কত পরিসরে এই ল্যাব তৈরি করতে চান? দিন যথেস্ট র‍্যাম, এসএসডী ডিস্ক, এবং প্রসেসিং পাওয়ার। আপনারা চাইলে পুরনো ডেস্কটপ বা অন্য মেশিন কে ভার্চুয়াল হোস্টে পরিনত করতে পারেন তবে মনে রাখবেন, স্পিনিং ডিস্কে পারফর্ম্যন্স অত্যন্ত খারাপ হয়। যাই হোক, এই ভার্চুয়াল হোস্টটিও যুক্ত হবে আপনার ফিজিকাল রাউটারের সাথে। আপনার মুল ডেস্কটপ এবং ভার্চুয়াল হোস্ট এই ফিজিকাল রাউটারের মাধ্যমে যোগাযোগ করবে।

হার্ডওয়্যরের পর লাগবে সফটওয়ার। চলে আসুন vmware ওয়েবসাইটে যেখানে রেজিস্ট্রেশন (ফ্রী) করে নামিয়ে নিতে পারেন সব প্রয়োজনীয় সফটওয়ার। আমাদের নূন্যতম যেটা লাগবে সেটা হচ্ছে ESXi Hypervisor, vSphere Client. এরপর চাইলে আমরা ভিসেন্টার ডাউনলোড করতে পারি তবে সেটা অপশোনাল। মূলত হাইপারভাইজর ডাউনলোড করার পর সিডি বা ইউএসবি ডিস্কে সেটা কপি করে ইন্সটল করতে হবে ভার্চুয়াল হোস্টে। এটা অনেকটা উইন্ডোজ ইন্সটল করার মতো, তবে এটি আরো দ্রুত এবং সিম্পল। আপনার ফিজিকাল রাউটারে যুক্ত করার পর এটি ডিএইসসিপির মাধ্যমে একটি আইপি এড্রেস পাবে। এটি দেখার জন্য লগিন করতে পারেন আপনার রাউটারে। এবার ভিস্ফিয়ার ক্লায়েন্ট ইন্সটল করুন আপনার ডেস্কটপ বা ল্যপটপে। এটি দিয়ে আমরা ভার্চুয়াল হোস্ট ম্যনেজ করবো। ইন্সটল করে খোলার পরে একটি লগিন স্ক্রীন আসবে যেখানে আপনাকে আইপি এড্রেস এবং লগিন ইনফরমেশন দিতে হবে। আইপি এড্রেস পাবেন আপনার রাউটার থেকে, আর লগিন ইনফরমেশন পাবেন হাইপারভাইজর ইন্সটল করার সময়।

উইন্ডোজ ১০ সয়ংক্রিয়ভাবে আপডেট

Published by:

মাইক্রোসফটের সর্বশেষ কনজুমার অপারেটিং সিস্টেম উইন্ডোজ ১০। অনেক নতুন ফিচার রয়েছে এতে কোন সন্দেহ নেই। তবে আবার অনেক ইউজাররাই উইন্ডোজ ৭ বা ৮ এ থেকে যেতে চান। বলাবাহুল্য, মাইক্রোসফট সম্পুর্ণ বিনামূল্যে উইন্ডোজ ১০ সরবরাহ করছে। লিগাল লাইসেন্সধারী যে কেউ চাইলেই উইন্ডোজ ১০ ডাউনলোড করে নিতে পারেন। এর পাশাপাশি মাইক্রোসফট চাইছে যেভাবেই হোক, সবাই ১০ এ আপগ্রেড করে নিক। এজন্য তারা উইন্ডোজ আপডেটের মাধ্যমে অটোমেটিক ইন্সটলার ফাইলগুলো ডাউনলোড করে নিচ্ছে যাতে সহজেই আপডেট করা যাবে। তবে বন্ধুরা, সতর্ক থাকবেন। অজান্তেই হয়ত ১০ এ আপগ্রেড হয়ে যাবে। তাই উইন্ডোজ আপডেট করার সময় ঠিক কোন কোন আপডেট ইন্সটল হচ্ছে তার দিকে নজর দেবেন। বিশেষ এই আপডেট ফাইলের সাইজ অন্তত ৩ গিগাবাইট। এছাড়া বর্ণনা দেখবেন লেখা থাকবে “Upgrade to Windows 10“।  কিছু ইউজার বিরক্ত হয়ে মাইক্রোসফটের কাছে নালিশ দিয়েছেন। অনেকের হয়ত পর্যাপ্ত স্পেস থাকেনা। সেখানে ৫/৬ গিগাবাইট অযাচিত ডাউনলোড করে স্পেস বরাদ্দ করার প্রয়োজনীয়তা অনেকে দেখেন না। আত্মপক্ষ সমর্থন করে মাইক্রোসফট বলেছে এটা তাদের অনাকাংখিত ভুল। তবে যারা চাইবে, তারা নিজ দায়িত্বে আপডেট করে নিতে পারবে।