Monthly Archives: October 2015

এড ব্লকার প্লাগিন – ফায়ারফক্স / ক্রোম ব্রাউজার

Published by:

ওপেরা, ক্রোম এবং ফায়ারফক্স অত্যন্ত জনপ্রিয় ব্রাউজার। বর্তমানে সর্বাধিক প্রচলিত ব্রাউজার হচ্ছে যথাক্রমে – ক্রোম, ফায়ারফক্স, ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার, ওপেরা। ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার ছাড়া আর বাকি সবগুলো এমনকি আপনার মোবাইল প্লাটফর্মেও পাবেন। ডেস্কটপ ভার্সনে নিরাপদে ব্রাউজিং এর জন্য আপনারা দুটো পদক্ষেপ নিতে পারেন। এক – ম্যকাফি সাইট এডভাইজর (McAfee SiteAdvisor) ইন্সটল করে নেবেন, দুই – একটি ভালো এড ব্লকার (যেমন – ঘোস্টারী / Ghostery) ইন্সটল করে নেবেন। এগুলো দুটোই আপনাকে সুরক্ষিত রাখবে। সাইট এডভাইজর আপনাকে ম্যলওয়ার সাইটে ঢোকার আগেই সতর্কবানী দেখাবে, আর ঘোস্টারীর মাধ্যমে আপনি ওয়েবসাইটের বিরক্তিকর এড দেখা থেকে বেচে যাবেন। ডেস্কটপে এই প্লাগিন দুটো মোটামুটি সব ব্রাউজারেই ইন্সটল হবে। কাজেই আজি ইন্সটল করে সুরক্ষিত করুন। এবারে মোবাইলে কিভাবে সুরক্ষিত থাকবেন?

এন্ড্রয়েড – ক্রোম এবং ফায়ারফক্স দুটোই আছে এই প্লাটফর্মে তবে শুধু ফায়ারফক্স এ ঘোস্টারী প্লাগিন ইন্সটল হবে। আপাতত ক্রোম এ প্লাগিন সাপোর্ট নেই।

আইওএস – আইওএস এ ফায়ারফক্স ব্রাউজার নেই। এতে আছে ক্রোম, সাফারী এবং অন্য কিছু থার্ড-পার্টী ব্রাউজার। এগুলোর কোন কোনটার মধ্যে হয়ত নিজস্ব এড ব্লকিং থাকতে পারে। অবশ্য আইওএস ৯ এ সাফারীতে কিছু এড ব্লকিং যুক্ত হয়েছে।

# টেকবাংলা কন্ট্রিবিউটর #

Published by:

টেকবাংলায় লেখার জন্য কয়েকজন বন্ধু খুঁজছি। এটা সম্পুর্ণ ভলান্টারি। বিশেষ কোন অভিজ্ঞতার প্রয়োজন নেই। কেবল বাংলা টাইপিং করতে পারলেই চলবে। আমি নিজেও সহায়তা করতে পারবো কিছুটা। যাই হোক, আপনাদের মধ্যে কেউ আগ্রহী হয়ে থাকলে আমার সাথে যোগাযোগ করুন। আমার ইমেইল <nyn333@outlook.com>

এছাড়া অন্য সাইটের সাথে লিঙ্ক বদলাবদলিতে আগ্রহী। সেক্ষেত্রেও যোগাযোগ করুন।

কন্ট্রিবিউটর হতে চাইলে প্রথমে লগিন করুন এখানে গিয়ে, তারপর আমাকে ইমেইল করুন। আপনার জিমেইল, ফেসবুক, টুইটার, লিঙ্কডইন, ইন্সটাগ্রাম, আমাজন বা মাইক্রোসফট লাইভ একাউন্ট দিয়েও লগিন করে নিতে পারবেন।

কর্পোরেট অফিস / বিজনেসের আইটি ট্রেনিং

Published by:

অনেক বই পড়ে শিখে থাকেন, অনেকে আবার ক্লাস এ পড়ে শিখতে চান, আবার অনেকে নিজের সুবিধামত বিভিন্ন শিক্ষামূলক ভিডিও দেখে শিখে থাকেন। যারা আইটিতে কাজ করেন, তারা জানেনে আইটি বইয়ের দাম প্রচুর, ইন ক্লাস ট্রেনিং এ যাওয়া ভাগ্যের ব্যাপার কারন সেটা আরো বেশি খরচ। অনেকের অফিসের ডাইরেক্টর বা ম্যনেজার তাদের আইটি স্টাফদের বিভিন্ন ট্রেনিং এ পাঠিয়ে থাকেন। কিন্তু এর অসুবিধে হলো মাত্র একজন বা দুইজন এর সুবিধা পান। কিন্তু যদি আপনার বড় একদল আইটি স্টাফ থাকে, তাহলে অন্যদের কি হবে? এতো গেল ক্লাস ট্রেনিং এর কথা। আবার ধরুন নেটওয়ার্কিং এর উপর একটা দুটো বই কিনবেন। এগুলো সাধারনত ৫০০+ এর বেশি পেজ এ ভরা। আর সবাই তো পুরো বই পড়েনা। হয়ত প্রয়োজনীয় কয়েকটি চ্যপ্টার পড়ে বইয়ের প্রয়োজন ফুরিয়ে যায়। কয়েকদিন পড়ে যদি অন্য কোন টপিকের বই চেয়ে বসেন, স্বভাবতই আপনার ম্যনেজার বাঁকা চোখে তাকাবে। তাহলে কি করা যায়? এই দুটোরই সমাধান আছে যেটি সাশ্রয়ী এবং পুনরায় ব্যবহারযোগ্য। অর্থাৎ ইন ক্লাস ট্রেনিং এ যাবার বদলে আপনার অফিস থেকে প্লুরালসাইট (Pluralsight) এবং সাফারীবুকস (Safari Books) নেয়া হয়, তাহলে দুটোরি সমাধান হয়ে যাবে এবং আপনার সম্পূর্ন আইটি স্টাফরা এর সুবিধা নিতে পারবে। যেহেতু এগুলো ভিডিও ট্রেনিং অন ডিমান্ড, সেহেতু অফিস স্টাফরা তাদের সময়, বারবার ভিডিও দেখে শিখে নিতে পারবে যেটা ক্লাস এ সম্ভব নয়। এছাড়া সাফারীবুকস এ থাকবে বইয়ের ইলেক্ট্রনিক ভার্সন। প্ল্যান অনুযায়ী এসব প্রিন্ট করে নেয়া যাবে তবে ব্রাউজার এবং স্মার্টফোনে ই-বুক পড়া যাবে। প্লুরালসাইটে এ রয়েছে আইটির হরেক রকম টপিকের উপর ভিডিও ট্রেনিং – সার্ভার, ইমেইল, ভিএমওয়্যার, মাইক্রোসফট, সিট্রিক্স, নেট ওয়ার্ক, লিনাক্স ইত্যাদি। আর সাফারী তে রয়েছে আইটির উপর লেখা হাজার হাজার বইয়ের ইলেক্ট্রনিক ভার্সন। এগুলো কিন্তু আবার ব্যক্তিগত খরচায় নেয়া সম্ভব। ওয়েবসাইটে গিয়ে দেখুন কোন প্ল্যানটি আপনার জন্য বা আপনার অফিসের জন্য প্রযোজ্য।

উইন্ডোজ ১০ এ ভার্চুয়ালাইজেশন

Published by:

উইন্ডোজের সর্বশেষ সংস্করণ ১০। এতে এসেছে নতুন অনেক ফিচার। উইন্ডোজ ৭ এর পর মাইক্রোসফট সেই আইকনিক “স্টার্ট” বাতিল করার পর অনেক সমালোচনার মুখে পড়েছিল। যাই হোক, উইন্ডোজ ৭ থেকে শুরু করে উইন্ডোজে ভার্চুয়ালাইজেশন সাপোর্ট যুক্ত হয়। ১০ এর আগের ভার্সনগুলোতে এই ফিচার এনেবল করে নিতে হয়। যারা আগ্রহী, তারা নিশ্চয় জানেন কিভাবে সেটা এনেবল করতে হয়। আস্তে আস্তে সবকিছুই ভার্চুয়াল হয়ে যাচ্ছে। এই ধারাবাহিকতার সূত্র ধরে উইন্ডোজ ১০ এ এই ফিচার রাখা হয়েছে। চাইলে নেস্টেড ভার্চুয়ালাইজেশন ও করা যাবে। অর্থাৎ একটি ভিএম এর ভিতর আরেকটি ভিএম চালু রাখা। অবশ্য যেকোন ভার্চুয়ালাইজেশন করতে হলে লাগবে প্রযোজ্য হার্ডওয়্যার সাপোর্ট। আপনার ইন্টেল প্রসেসরে থাকতে হবে VT-x সাপোর্ট। উইন্ডোজ ১০ আছে ডায়নামিক মেমরি সাপোর্ট। কিন্তু নেস্টেড ভারচুয়ালে এ ফিচারটি পাওয়া যাবেনা। আগ্রহী বন্ধুরা চোখ রাখতে পারেন মাইক্রোসফট উইন্ডোজের ১০ এর লেটেস্ট বিল্ড এর উপরে।

বিস্তারিত / সুত্রঃ Windows Insider Preview: Nested Virtualization

আইওএস ৯ জেলব্রেক হয়েছে

Published by:

এপল আইওএস অত্যন্ত জনপ্রিয় এতে সন্দেহ নেই। ফাংশান তুলনামূলক কম থাকা সত্ত্বেও এটি অনেক জনপ্রিয়। কিন্তু প্লাটফর্মটি বেশ লকড-ডাউন হবার কারনে অনেকে ব্যবহার করেন না। আবার কিছু ব্যবহারকারী আইওএস এ আরেকটু স্বাধীনতা পেতে চান। তাদের জন্যই এ “জেলব্রেক” পদ্ধতি। এই জেলব্রেক মূলত কি? এটি তেমন কিছুই নয়, এটি কেবল সুপারইউজার অনুমতি লাভ করা যেটা সাধারনত দেয়া হয়না। আইওএস এ জেলব্রেকের পর চাইলে এপল এপস্টোরের বাইরে থেকেও এপ্লিকেশন ইন্সটল করা যায়। ভিন্ন এপ্লিকেশন ইন্সটল ছাড়াও আরো দু’একটি সুবিধা পাওয়া যায় জেলব্রেকের পরে। তবে কিছু কিছু ক্ষেত্রে জেলব্রেকের পরে ফোন আনস্টেবল হয়ে যায়, ফোনের ওয়ার‍্যেন্টি আর থাকেনা, সিকিউরটি কম্প্রোমাইজড হয়ে যায়। এসব বিবেচনা করে আবার অনেকেই জেলব্রেক করা থেকে বিরত থাকেন। যাই হোক, যারা জেলব্রেক করতে চান, তাদের জন্য সুখবর। পাংগু (Pangu) এর মাধ্যমে আইওএস ৯ থেকে শুরু করে ৯.০.২ পর্যন্ত জেলব্রেক করা যায়। আপাতত কেবল উইন্ডোজে ভার্সনে পাংগু ইন্সটল করে আপনার আইফোন জেলব্রেক করতে হবে।