Monthly Archives: October 2015

বাংলায় টাইপিং – কম্পিউটার এবং মোবাইল

Published by:

আমরা সফটওয়্যার ডেভেলপারদের ধন্যবাদ দেয়া উচিত। তাদের অক্লান্ত পরিশ্রমের ফলস্বরুপ আমরা আজ কম্পিউটার এবং মোবাইলে সাবলীলভাবে বাংলা লিখতে পারছি। কম্পিউটারে কয়েকবছর আগেও বাংলা লিখার পদ্ধতি ছিল। তবে এখন বেশিরভাগ হয়েছে ফোনেটিক। ফোনেটিকের সুবিধে হলো আপনাকে বিশেষ কোন কিবোর্ড লেয়াউট মুখস্ত করে রাখা লাগেনা। বাংলায় “আমি” লিখতে হলে কেবল “ami” চেপে ফোনেটিক টাইপিং করা সম্ভব। ফোনেটিকের পাশাপাশি আরো ছিল – বিজয়, বৈশাখী, ন্যশনাল, মুনির, ইউনিজয়, প্রভাব, ইত্যাদি। এগুলো ছিল প্রোপ্রায়েটারী এবং লেয়াউটটা ছিল ভিন্নরকম। খুব সহজেই মুখস্ত না করে টাইপিং করার সুবিধা থাকায় ফোনেটিক পদ্ধতি অত্যন্ত জনপ্রিয়। আজ কম্পিউটার এবং মোবাইলে কিভাবে বাংলা টাইপিং করবেন তার সম্পর্কে লিখছি.

কম্পিউটারে বাংলা লিখনঃ

অভ্র কিবোর্ড (Avro Keyboard) – এ মূহুর্তে অভ্র কিবোর্ড সেরা। যদিও এটি ফুল ওয়ার্ড প্রসেসর নয়, তবুও এটার সুবিধা হচ্ছে আপনি কম্পিউটারের যেকোন এপ্লিকেশনের সাথে এটি ব্যবহার করতে পারবেন। এটি একটি সিস্টেম প্লাগিনের মত কাজ করে। অর্থাৎ কিবোর্ডে একটি কি চেপে বাংলা/ইংলিশে মোড পরিবর্তন করা হয়। ফলে মাইক্রোসফট ওয়ার্ড, এক্সেল, আউটলুক, পাওয়ার পয়েন্ট, যেকোন ব্রাউজার ইত্যাদিতেই বাংলা লিখা সম্ভব। অভ্রর রয়েছে বিশাল এক সাপোর্ট কমিউনিটি। এছাড়াও অভ্র কিবোর্ড পাওয়া যাবে – উইন্ডোজ, ম্যকিন্টোশ, লিনাক্সের জন্য। আপনি চাইলে ইউএসবি ড্রাইভে এর পোর্টেবল ভার্সন ইন্সটল না করেই সরাসরি ব্যবহার করতে পারবেন। Avro Keyboard is highly recommended for computers.

বাংলা ওয়ার্ড (BanglaWord) – এটি একটি ফুল ওয়ার্ড প্রসেসিং সফটওয়ার। ফোনেটিকের মাধ্যমে সহজেই বাংলা ওয়ার্ড প্রসেসিং করতে পারবেন। যদিও এটি অনেকদিন আপডেট হয়নি, তবুও কাজ করে। এর দুটি ভার্সন রয়েছে। ফ্রী ভার্সনে কোন টাইম লিমিট বা কোন অপূর্নতা নেই। আরেকটি কমার্শিয়াল ভার্সন। দুটোই হুবহু একি। এর ডাউনলোড লিঙ্ক পেতে হলে আপনাকে Google এর শরনাপন্ন হতে হবে কারন মূল বাংলাওয়ার্ড সাইটের ডাউনলোড লিঙ্কগুলো অকেজো।

টি-বাংলা ওয়ার্ড প্রসেসর (T-Bangla Word Processor) – এটি জাভা বেসড ফোনেটিক/ইউনিজয় ওয়ার্ড প্রসেসর। যেহেতু জাভা বেসড, এটি উইন্ডোজ, ম্যক, এবং লিনাক্সে চলবে। চাইলে কিবোর্ড লেয়াউট পরিবর্তন করা সম্ভব। এর ডেভেলপার একুশের ওয়েবসাইটে এর পাশাপাশি আরো পাওয়া যাবে ফন্ট, ওয়েবসাইট বাংলা টুলস ইত্যাদি।

মোবাইলে বাংলা লিখনঃ

এন্ড্রয়েড – রিদ্মিক কিবোর্ড (Ridmik Keyboard) – এন্ড্রয়েডের সেরা বাংলা কিবোর্ড রিদ্মিক। খুবি লাইটওয়েট, ফাস্ট, ফ্রী, রিসোর্স খায়না বললেই চলে। সহজেই ইংলিশ/বাংলা মোডে পরিবর্তন করা যায় স্পেস বার স্লাইডিং করে। এতে ইংলিশ, বাংলা ফোনেটিক, প্রভাত, ন্যশনাল লেয়াউট রয়েছে। যেহেতু এটি এন্ড্রয়েড সিস্টেম কিবোর্ড, সেহেতু যেকোন এপ এ আপনি বাংলা টাইপ করতে পারবেন। এসএমএস, ফেসবুক, ভাইবার, ইমেইল, হোয়াটসএপ সবকিছুতে বাংলা লিখতে পারবেন। গুগল প্লে স্টোরে এর পাশাপাশি আরো কিছু বাংলা কিবোর্ড পাওয়া যাবে তবে সেগুলোর মধ্যে আরেকটি ভালো কিবোর্ড হোলো – Mayabi Keyboard. এ দুটোই আপাতত সেরা এন্ড্রয়েড বাংলা কিবোর্ড। রিদ্মিক ১ নম্বরে, মায়বী ২ এ।

আইওএস (Ridmik) – আইওএস ৮ এর আগ পর্যন্ত আইফোনে বাংলা লিখা খুবি বিরক্তিকর ছিল। বাংলা লিখার জন্য সম্পুর্ন আলাদা একটা এপ ইন্সটল করা লাগতো, সেখানে বাংলা লিখে সেটা কপি করে তারপর অন্যত্র পেস্ট করা লাগতো। আইওএস ৮ এ যখন অল্টারনেটিভ কিবোর্ড সাপোর্ট যুক্ত হয়, তখন এ সমস্যার সমাধান হয়। রিদ্মিক নিয়ে নতুন কিছু বলার নেই যেহেতু একটু আগেই সেটা বর্ণনা করলাম। আইওএস এ ইন্সটল করে নিতে পারেন রিদ্মিক। আইটিউনসে এপ স্টোরে গিয়ে সার্চ করলেই পেয়ে যাবেন রিদ্মিক। আইওএস এ অল্টারনেটিভ কিবোর্ডে যে সমস্যা দেখেছি সেটা হলো মাঝে মাঝে আইফোন তার ডিফল্ট কিবোর্ডে চেঞ্জ হয়ে যায়। তখন আবার আপনাকে সেটিংস এ গিয়ে অল্টারনেটিভ কিবোর্ড সিলেক্ট করতে হয়। এটা কিন্তু রিদ্মিকের সমস্যা নয়, এটা যেকোন নন এপল কিবোর্ডে হয়।

নেথ সার্ভার (NethServer) 6.6

Published by:

যারা এন্টারপ্রাইজ রেড হ্যট লিনাক্স ব্যবহার করেন, তারা জানেন যে আরেকটি ডিস্ট্রিবিউশন সেন্টোস মূলত রেডহ্যটের উপর ভিত্তি করেই নির্মিত। আবার এই সেন্টোসের উপর ভিত্তি করে নির্মিত হয় আরো অনেক লিনাক্স ডিস্ট্রিবিউশন। তার মধ্যে এমন একটি হল নেথ সার্ভার। নাম থেকেই অনুমান করে নিতে পারেন এর কাজ মূলত সার্ভার কে কেন্দ্র করে। সার্ভারের বিভিন্ন রোল রয়েছে এতে। স্বল্প খরচে ছোটখাট প্রতিষ্ঠানের জন্য নেথ সার্ভার বেশ প্রযোজ্য। এর মূল ফাংশানের মধ্যে রয়েছে – মেইল সার্ভার, ওয়েব সার্ভার, ফায়ারওয়াল, ওয়েব ফিল্টার, ভিপিএন সার্ভার ইত্যাদি। এছাড়াও সহজেই ওয়েবভিত্তিক ইন্টারফেস দিয়ে এটি এডমিনিস্ট্রেশন করা যায়।

নেথ সার্ভার (NethServer) লিঙ্কঃ

স্ক্রীনশটঃ

সাইটএডভাইজর (McAfee SiteAdvisor)

Published by:

McAfee SiteAdvisor (ম্যকাফি সাইট এডভাইজর)

বিশ্বখ্যাত এন্টিভাইরাস কোম্পানী ম্যকাফি আপনাদের বিনামূল্যে দিচ্ছে – সাইট এডভাইজর। এই সাইট এডভাইজরের কাজ কি? এটি মুলত কেবল একটি ব্রাউজার প্লাগিন। ইন্টারনেটে রয়েছে হাজার হাজার ওয়েবসাইট কিন্তু অনেক ওয়েবসাইট আপনার ডেস্কটপের জন্য ক্ষতিকারক। এগুলো পপ-আপ্ এড থেকে শুরু করে বিভিন্ন অনাকাংখিত প্রোগ্রাম ইন্সটল করে ফেলে। এসব থেকে আপনাকে প্রটেকশন দেবে সাইট এডভাইজর। আপনি কোন ক্ষতিকর ওয়েবসাইটে ঢোকার আগেই সতর্কবানী দেখাবে। জেনে রাখুন, আপনাকে কোনভাবেই ব্লক বা মনিটর করা হবেনা। এটি কেবল এডভাইস দেবে। আপনি চাইলে উপদেশ উপেক্ষা করেও যেকোন ওয়েবসাইটে যেতে পারেন।

আরেকটি বিশেষ ফিচার হলো, সাইট সার্চিং করলে আপনি পাশেই গ্রীন ইন্ডিকেটর দেখবেন, যার মানে হলো সাইটটী নিরাপদ। আজি এটি ইন্সটল করে নিন উপরের লিঙ্ক থেকে।

ভার্চুয়ালাইজেশনের ফ্রী টুলস

Published by:

পড়ূন – ভার্চুয়ালাইজেশন কি এবং কেন?

ভার্চুয়ালাইজেশন কি, কেন, কিভাবে ইত্যাদি নিয়ে একটু পরে লিখছি। কিন্তু আপাতত এখানে কিছু টুলস এর তালিকা দিচ্ছি যেগুলো আমাদের কাজে আসবে পরবর্তী টিউটোরিয়ালে। এখানে আমি চারটি টুলস লিস্ট করলাম। দুটি সার্ভার বেসড, দুটি ডেস্কটপ বেসড। মানে হলো, সার্ভার বেসড টুলস এর জন্য ডেডিকেটেড পাওয়ারফুল ডেস্কটপ বা সার্ভার হলে ভাল হয়। আর যে দুটো ডেস্কটপ বেসড, সেগুলো উইন্ডোজের ভেতরেই চলবে তবে যথেস্ট সিপিইউ, আর র‍্যম থাকলে বেশ হয়। এসএসডী থাকলে তো কোন কথাই নেই। সবকিছু হবে অত্যন্ত দ্রুত।

ডেস্কটপ টুলস (এগুলো উইন্ডোজের মধ্যেই ইন্সটল হবে) – এর সুবিধা হচ্ছে, এই ভার্চুয়াল সিস্টেমগুলো খুবি পোর্টেবল। তবে সার্ভারের মত ফ্লেক্সিবল না। এছাড়াও এগুলোর জন্য কোন মেশিন ডেডিকেট করা লাগেনা। আপনার যদি আলাদা সিস্টেম  না থাকে যেটিকে সার্ভারে পরিনত করা যাবেনা, তাহলে এখান থেকে একটি ইন্সটল করুন।

VMWare Workstation Player – রেজিস্টার করে এই ফ্রী সফটওয়্যারটি নামিয়ে নিন।

VirtualBox – এটিও ফ্রি। সরাসরি নামানো যাবে।

সার্ভার টুলস (ফুল ডেডিকেটেড সিস্টেম লাগবে, ডেস্কটপ কে সার্ভারে কনভার্ট করতে হবে) – এসবে কোন ইন্টারফেস থাকেনা। অর্থাত এগুলো ইন্সটল করে, নেটওয়ার্কে যুক্ত করে পরে অন্য কোন ডেস্কটপ বা ল্যপটপ থেকে এই সার্ভারগুলো ম্যনেজ করতে হবে। যেসব ভার্চুয়াল সিস্টেম ইন্সটল হবে, সেগুল সার্ভারেই থাকবে।

vSphere Hypervisor -এটি ভিএমওয়্যার ভিস্ফিয়ার হাইপারভাইজর।

Microsoft HyperV – মাইক্রোসফট হাইপার-ভি।

আইফোন ৬এস/+ এখন সিম ফ্রী পাওয়া যাচ্ছে

Published by:

আইফোনের সর্বশেষ সংস্করন – আইফোন ৬এস এবং ৬এস+। গতকাল থেকে উত্তর আমেরিকার বাজারে এখন থেকে এটি পাওয়া যাচ্ছে সিম ফ্রী, আনলকড। আমেরিকায় সাধারনত মোবাইলগুলো অপারেটর লকড থাকে কারন ক্রেতারা ফোন এর জন্য ফুল পেমেন্ট করেন না। অর্থাৎ আপনি চাইলে লকড ভার্সন মাত্র ১৯৯ ডলারে নিতে পারবেন, কিন্তু আপনার মোবাইল অপারেটর ফোনটি লক করে রাখবে এবং অন্তত দুই বছর তাদের সার্ভিস নিতে হবে। অবশ্য ক্রেতারা এখন পালটে যাচ্ছেন। বর্তমানে অনেক ক্রেতাই ফুল পেমেন্ট করে তাদের ফোন কিনে থাকেন যাতে কোনরুপ কন্ট্রাক্টে যেতে না হয়। ৬এস পাবেন চারটি ভিন্ন রঙে – সিলভার, গোল্ড, রোজ গোল্ড এবং স্পেস গ্রে। অনেকেই ধারনা করেছিল যে অন্তত বেস মডেলটি ৩২গিগাবাইট থেকে শুরু হবে। অর্থাৎ ৩২, ৬৪, ১২৮ গিগাবাইট হবে ফোনগুলো। কিন্তু এপল তাদের বাণিজ্যিক কারনে অত্যন্ত সুচারুভাবে ৩২গিগাবাইট মডেলটী রিলিজ করেনি। কারন ৩২ মডেল থাকলে অনেক ক্রেতাই ৬৪ বা ১২৮ মডেলগুলো কিনবেন না। কিন্তু এখন ১৬গিগবাইট মডেল কিনতে গিয়ে অনেক ক্রেতাই চিন্তা করবেন যে না, আমি ১০০ ডলার বেশি দিয়ে ৬৪ গিগাবাইট মডেলটাই কিনি। ৩২ গিগ মডেল বের না করার কোন টেকনিকাল কারন নেই। এপলের সর্বমোট $210 এর মত খরচ পরে প্রতিটি আইফোন তৈরি করতে।

আইফোন ৬এস এর মুল্য – ১৬ গিগাবাইট $649, ৬৪ গিগাবাইট $749 এবং ১২৮ গিগাবাইট $849

আইফোন ৬এস+ এর মুল্য – ১৬ গিগাবাইট $749, ৬৪ গিগাবাইট $849 এবং ১২৮ গিগাবাইট $949