Bootable Rescue CDs

Published by:

Share with:


Antivirus Rescue CDs
Avira Rescue System (http://dlpro.antivir.com/package/rescue_system/common/en/rescue_system-common-en.iso)
Dr Web Live CD (http://www.freedrweb.com/livecd)
F-Secure Rescue CD (http://www.f-secure.com/en_EMEA-Labs/security-threats/tools/rescue-cd/)
Kaspersky Rescue 10 (http://devbuilds.kaspersky-labs.com/devbuilds/RescueDisk10/)
Panda Safe CD (http://www.pandasecurity.com/resources/tools/SafeCD.iso)
AVG Rescue CD (http://www.avg.com/us-en/avg-rescue-cd)
eScan (hhttp://update1.mwti.net/download/tools/escanrd.iso)
G Data BootCD (https://www.gdatasoftware.com/support/main-subjects/upgrade-service/download.html)
VBA Rescue (http://www.anti-virus.by/en/vba32rescue.shtml)
BitDefender Rescue CD (http://download.bitdefender.com/rescue_cd/)
PC Tools’ Alternative Operating System Scanner (http://www.pctools.com/aoss/)
Microsoft Standalone System Sweeper (http://connect.microsoft.com/systemsweeper)

Malware Removal Toolkits
Hiren’s bootcd (http://www.hiren.info/pages/bootcd)
OTLPE (http://forums.majorgeeks.com/showthread.php?t=216844)
UBCD4Win PE (http://www.ubcd4win.com/)
Winbuild PE discs (http://reboot.pro/forum/22/)
Ubuntu Malware Removal Toolkit (http://sourceforge.net/projects/ubuntu-mrt/)

বেসিক নেটওয়ার্ক ট্রাবলশুটিং কমান্ড

Published by:

Share with:


ping – পিং কমান্ড দিয়ে নেটওয়ার্কে কোন হোস্ট লাইভ আছে কিনা দেখা যায়। ট্রাবলশুটিং এর জন্য সবচে মৌলিক এই কমান্ড। সবকিছু মুলত পিং দিয়েই শুরু করা হয়। সিন্টাক্স ping 128.228.100.10 এই কমান্ড দেবার পরে যদি রিসপন্স আসে, তাহলে বোঝা যাবে যে সেই অন্য হোস্টটি নেটওয়ার্কে লাইভ আছে। এখানে বলাবাহুল্য, রিসপন্স না পেলেও কিন্তু অন্য হোস্ট নেটওয়ার্কে এ লাইভ থাকতে পারে। এর কারণ হলো অনেক নেটওয়ার্কে PING কমান্ড ব্লক করা থাকে ফায়ারওয়ালে। কাজেই এটি মনে রাখা উচিত।

nslookup – ডিএনএস বা অন্য নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত সমস্যা সমাধানের জন্য nslookup অনেক জরুরী একটা কমান্ড। এনএসলুকাপ দিয়ে ফরোয়ার্ড এবং রিভার্স লুকাপ করে ডিএনএস ট্রাবলশুটিং করা হয়। ধরুন একটি হোস্ট থেকে একটি নেটওয়ার্ক এড্রেস রিসল্ভ হচ্ছেনা। সেক্ষেত্রে সেই হোস্ট থেকে এই কমান্ড দিয়ে ফরোয়ার্ড এবং রিভার্স রেকর্ড দেখে কিছু আইডিয়া পাওয়া যায়। ধরুন- এড্রেস ধরলাম www.google.com এবং এর আইপি 167.206.12.93 এবার ফরোয়ার্ড লুকাপ টেস্ট করুন nslookup www.google.com তারপর দেখুন কি হয়। এবার রিভার্স লুকাপ করুন nslookup 167.206.12.93 তারপর দুটোর আউটপুট তুলনা করে দেখুন। ডিএনএস ঠিকভাবে সেটাপ করা থাকলে দুভাবেই এড্রেস রিসল্ভ হবে।

tracert –

ipconfig –

বিবিধ নেটওয়ার্ক এবং সিস্টেম ট্রাবলশুটিং টুলসঃ

WireShare:

Microsoft Network Monitor:

SysInternal Suite:

উইন্ডোজ স্টার্টাপ কে আরো দ্রুত করা

Published by:

Share with:


উইন্ডোজ ৭ বা ৮ ব্যবহারকারীরা হয়ত লক্ষ্য করেছেন যে কম্পিউটার চালু করার পরে অনেকগুলো প্রোগ্রাম একসাথে শুরু হয়ে যায়। এগুলোর কোনটাই হয়ত আপনি চান নি। মূলত এগুলো স্বয়ংক্রিয়ভাবে স্টার্টাপ সেটিং এ যুক্ত হয়ে নিজে নিজেই চালু হয়ে যায় কম্পিউটার অন করার পরে। এর সুবিধার চেয়ে অসুবিধা বেশি। কারন আপনার কম্পিউটারের মেমরি ব্যবহার করে এগুলো, তদুপরি কিছুটা ধীরগতির হয়ে যায়। এর সমাধান আছে অবশ্য। অনেক সফটওয়্যার সেটিংস এ গিয়ে এই অটো-স্টার্টাপ অপশন ডিসেবল করে দেয়া যায়। কিন্তু কিছু প্রোগ্রাম ঠিকি চালু হয়ে যায় কিন্তু সেটিংস এ আপনাকে এ অপশন অফার করেনা। আপনি চাইলে প্রতিটি প্রোগ্রামের সেটিংস এ গিয়ে খুঁজে দেখতে পারেন। তবে এটা ছাড়াও আরো একটি জায়গা থেকে এসব ডিসেবল করা যায়। সেটা উইন্ডোজ এ বিল্ট ইন। মূলত এখান থেকেই চাইলে সব কিছু নিয়ন্ত্রণ করতে পারেন। এভাবে করলে আর আলাদাভাবে প্রতিটি প্রোগ্রামের সেটিংস এ যাবার প্রয়োজন নেই।

Start > Run > msconfig লিখে এন্টার চাপুন। এবারে দেখবেন ছোট একটি প্রোগ্রাম চালু হয়েছে। সেখানে বেশ কয়েকটি ট্যব রয়েছে। এবারে Startup ট্যব এ চাপুন। এই ট্যব এ আসার পরে অনেক কিছু দেখতে পাবেন। যেমন – স্টার্টাপ আইটেম, কমান্ড, লোকেশন ইত্যাদি। এখানে কিন্তু কিছু গুরুত্বপূর্ণ আইটেম আছে। যদি আপনি এখান থেকে কিছু মডিফাই করেন, তাহলে বেশ সতর্কতার সাথে করবেন। কেবলমাত্র ১০০% নিশ্চিত হয়ে আপনি এখান থেকে এক বা একাধিক আইটেম ডিসেবল করতে পারেন। যেগুলো আপনার পরিচিত মনে হচ্ছেনা, সেগুলো ছোঁবেন না। কারন উল্টোপালটা কিছু ডিসেবল করে হয়ত উইন্ডোজ এ সমস্যা দেখা দিতে পারে। তাই সতর্ক থাকবেন এখানে। নিশ্চিত হবার পরে আপনি কেবল টিক চিহ্ন টি উঠিয়ে দেবেন। আনসিলেক্ট করার পরে নিচের Apply বা OK বাটনে চাপুন। এবার এই কনফিগারেশন সেভ হয়ে যাবে। এরপর যখন আপনি কম্পিউটার রিস্টার্ট করবেন, দেখবেন সেসব অনাকাংখিত প্রোগ্রামগুলো আর অটোমেটিক স্টার্ট হচ্ছেনা। বলাবাহুল্য, আমরা কিন্তু কেবল এগুলোর স্টার্টাপ টা পরিবর্তন করেছি। এসব প্রোগ্রাম এখনো কিন্তু কম্পিউটারে ইন্সটল করা আছে। সম্পূর্ণভাবে রিমুভ করতে চাইলে আপনাকে কন্ট্রোল প্যানেলে গিয়ে আনইন্সটল করে নিতে হবে।

কন্টাক্ট এবং ক্যলেন্ডার ম্যানেজমেন্ট

Published by:

Share with:


পরিচিত লোকজন ছাড়াও আমরা নতুন কারু সাথে পরিচয় হওয়া লোকেদের নাম্বার আমরা সাধারণত আমাদের ফোন এ সেভ করি। কোন সমস্যা নেই এতে। কিন্তু আপনার সাধের এই ফোন নষ্ট হয়ে গেল, বা চুরি হয়ে গেল, বা হারিয়ে গেল। এবার কি হবে? আপনার ফোন তো গেলোই তার সাথে সেখানে সেভ করা সব তথ্যগুলোও চলে গেল। সবার ফোন নাম্বার হারালেন আপনি, সবার ছবি হারালেন। আপনি কিভাবে অতি সহজেই এই সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে পারেন? আমি ধরে নিচ্ছি আপনার হ্যন্ডসেটটি একটি আধুনিক অপারেটিং সিস্টেম রান করে যেমন এন্ড্রয়েড বা উইন্ডোজ মোবাইল, ব্ল্যকবেরী বা আইওএস। আপনার নিশ্চয় আউটলুক ইমেইল, ইয়াহু মেইল, বা জিমেইল ইত্যাদি রয়েছে। আমরা সেখানেই সব কিছু করে নেব। বিস্তারিত আলোচনায় যাবার আগে ক্যলেন্ডার সম্পর্কে একটূ বলে নেই। গুরুত্বপূর্ণ দিনগুলো – জন্মদিন, বিবাহবার্ষিকী, ডাক্তারের এপয়েন্টমেন্ট, জব ইন্টারভিউ ইত্যাদি জিনিসগুলো ক্যলেন্ডারে সেভ করতে হবে। এটা আবার কোন ক্যলেন্ডার? ভড়কে যাবেন না। আপনার ইমেইল একাউন্টের সাথে এই ক্যলেন্ডার ফিচারটিও আছে। আপনার যদি কয়েকটী ইমেইল একাউন্ট থাকে, তাহলে আপনি বেছে নিন কোন একাউন্ট আপনার মেইন একাউন্ট। আমরা সেটাতেই সব কিছু সেটাপ করে নেব। মূলত আপনি আপনার প্রিয় ইমেইল একাউন্টে কম্পিউটারে লগিন করে সব তথ্য (কন্টাক্ট, ক্যলেন্ডার ইভেন্ট ইত্যাদি) সেভ করে নেবেন। আধুনিক সব ইমেইল প্রোভাইডার এসব ফিচার দিয়ে থাকে। আপনার প্রোভাইডার এর ইন্সট্রাকশন দেখতে পারেন এ বিষয়ে। আপনার ফোন এ যদি ২০০ টি নাম্বার সেভ করা থাকে, তাহলে কি আপনাকে জিমেইলে (বা অন্য ইমেইল একাউন্টে) লগিন করে কি ২০০ বার টাইপিং করে সেভ করা লাগবে? ভয় পাবেন না। এন্ড্রয়েড ফোন এ আপনি কন্টাক্টগুলো ফোন থেকে “এক্সপোর্ট” করে একটা ফাইল হিসেবে সেভ করে নিতে পারেন। এরপর জিমেইলে সেই ফাইলটী “ইম্পোর্ট” করে নিন। সঠিকভাবে করার পরে আপনার ২০০ কন্টাট ইনফরমেশন জিমেইলে কোন টাইপিং ছাড়াই সেভ হয়ে যাবে। যাই হোক, এবার তো আপনি বর্তমান ২০০ কন্টাক্ট সেভ করে নিলেন। ধরুন আজকে নতুন কারো সাথে পরিচিত হলেন। তার নাম্বার কি ফোন এ সেভ করবেন নাকি জিমেইলে? উত্তর হবে – অবশ্যই জিমেইল। কারন অনেক। এক হলো আপনার ফোনের যাই হোক, একবার জিমেইলে সেভ করে নিলে, সেই কন্টাক্ট আর হারাবেনা। আরো একটি সুবিধা হলো আপনার যদি মাল্টিপল ডিভাইস থাকে (একাধিক হ্যন্ডসেট বা ট্যাবলেট), যখনি আপনি একি জিমেইল দিয়ে লগিন করবেন, তখন সব কন্টাক্ট আপনার সেই ডিভাইসে চলে আসবে। আলাদাভাবে ৫ টি হ্যন্ডসেট এ সেভ করা লাগেনা। এটাও অনেক বড় সুবিধা। কন্টাক্ট এর মত একিভাবে আপনি বিভিন্ন ক্যলেন্ডার ইভেন্ট সেভ করে নিন জিমেইল এ। সিঙ্ক করার পর আপনার সব ডিভাইসে কন্টাক্ট এবং ক্যলেন্ডার ইভেন্ট চলে আসবে।

ইন্টারনেট ব্রাউজারে প্রাইভেসী রক্ষার উপায়

Published by:

Share with:


বন্ধুরা, আগেই কুকিজ নিয়ে একটু লিখেছিলাম। কুকিজ হচ্ছে কিছু টেক্সট ফাইল যেগুলো আপনি বিভিন ওয়েবসাইটে যাবার পরে কম্পিউটারে সেভ হয়ে থাকে। উল্লেখ্য, ভিন্ন অপারেটিং সিস্টেম এবং ভিন্ন ব্রাউজারে কুকিজ গুলো বিভিন্ন ডাইরেক্টরিতে সেভ করা থাকে। কুকিজ প্রযুক্তিটা খারাপ না কিন্তু একে এবিউজ করা যায়। সচেতন ওয়েবসাইট এডমিন আপনার কম্পিউটারে কুকি সেট করলেও তা এমনভাবে করবে যা একদিন বা একটা নির্দিষ্ট সময় পরে অকেজো হয়ে পড়ে বা ডিলিট হয়ে যাবে। আবার কিছু কুকিজ স্থায়ীভাবে থেকে যাবার চেষ্টা করবে এবং আপনার ব্রাউজিং এক্টিভিটি মনিটরিং করবে। এগুলো বেশিরভাগই টার্গেটেড এডভার্টাইজিং এর জন্য ব্যবহার করা হয়। এছাড়াও আপনি একটি সাইট ভিজিট করলেও, আরেকটি সম্পূর্ণ ভিন্ন সাইটও কিন্তু আপনার কম্পিউটারে কুকি সেট করতে পারে যদি আপনার ভিজিট করা সেই সাইটে অন্য থার্ড পার্টি সাইটের লিঙ্ক থাকে। এটা ঘটে আপনারি অজান্তে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে কিন্তু আপনি চাইলে এটা কন্ট্রোল করতে পারেন যদিও ঠিক কোন সাইট তা আপনার অজানা রয়ে যাবে কিন্তু আপনি ব্রাউজারে সেটিং করে দিলে এই থার্ড পার্টি কুকিজ আর সেভ হবেনা আপনার কম্পিউটারে। দু’একটি ক্ষেত্র ছাড়া, আপনি থার্ড পার্টি কুকি বন্ধ করলেও কোন সমস্যা হবেনা। আপনার প্রয়োজনীয় একটি সাইট যদি থার্ড পার্টি কুকিজ ব্যবহার করে থাকে, তাহলে আপনি চাইলে কেবলমাত্র সেই সাইটটিকে ট্রাস্টেড হিসেবে গন্য করে তা থেকে কুকিজ এক্সেপ্ট করতে পারেন।