ভিএমওয়ার ল্যব তৈরি ১

Published by:

Share with:


বন্ধুরা, ধারাবাহিকভাবে লিখবো বাসায় কিভাবে একটি ভার্চুয়াল ল্যব তৈরি করবেন।  (চাইলে এখন এই ব্লগের “ভার্চুয়ালাইজেশন‘ সেকশনে গিয়ে আরো কিছু প্রাথমিক ধারনা নিতে পারেন) এখানে কিছু হাইলেভেল ওভারভিউ দেয়া হলো। আমি আশা করছি আপনাদের সম্যক ধারনা আছে এ বিষয়ে।

আমাদের সিনারিও হবে এমনঃ

আপনার একটি মুল ডেস্কটপ বা ল্যপটপ থাকবে। মুলত এখান থেকেই আপনি সবকিছু কন্ট্রোল করবেন। এটাই হবে আপনার কমান্ড এন্ড কন্ট্রোল স্টেশন। এটি আপনার ফিজিকাল রাউটারের সাথে যুক্ত থাকবে।

ডেডিকেটেড ভার্চুয়াল হোস্ট – এটাই হচ্ছে হোস্ট। এখানে সব ভার্চুয়াল মেশিন থাকবে। এই মেশিনটী পাওয়ারফুল হতে হবে। অবস্য সেটা আপনার উপরে নির্ভর করছে। আপনি কত পরিসরে এই ল্যাব তৈরি করতে চান? দিন যথেস্ট র‍্যাম, এসএসডী ডিস্ক, এবং প্রসেসিং পাওয়ার। আপনারা চাইলে পুরনো ডেস্কটপ বা অন্য মেশিন কে ভার্চুয়াল হোস্টে পরিনত করতে পারেন তবে মনে রাখবেন, স্পিনিং ডিস্কে পারফর্ম্যন্স অত্যন্ত খারাপ হয়। যাই হোক, এই ভার্চুয়াল হোস্টটিও যুক্ত হবে আপনার ফিজিকাল রাউটারের সাথে। আপনার মুল ডেস্কটপ এবং ভার্চুয়াল হোস্ট এই ফিজিকাল রাউটারের মাধ্যমে যোগাযোগ করবে।

হার্ডওয়্যরের পর লাগবে সফটওয়ার। চলে আসুন vmware ওয়েবসাইটে যেখানে রেজিস্ট্রেশন (ফ্রী) করে নামিয়ে নিতে পারেন সব প্রয়োজনীয় সফটওয়ার। আমাদের নূন্যতম যেটা লাগবে সেটা হচ্ছে ESXi Hypervisor, vSphere Client. এরপর চাইলে আমরা ভিসেন্টার ডাউনলোড করতে পারি তবে সেটা অপশোনাল। মূলত হাইপারভাইজর ডাউনলোড করার পর সিডি বা ইউএসবি ডিস্কে সেটা কপি করে ইন্সটল করতে হবে ভার্চুয়াল হোস্টে। এটা অনেকটা উইন্ডোজ ইন্সটল করার মতো, তবে এটি আরো দ্রুত এবং সিম্পল। আপনার ফিজিকাল রাউটারে যুক্ত করার পর এটি ডিএইসসিপির মাধ্যমে একটি আইপি এড্রেস পাবে। এটি দেখার জন্য লগিন করতে পারেন আপনার রাউটারে। এবার ভিস্ফিয়ার ক্লায়েন্ট ইন্সটল করুন আপনার ডেস্কটপ বা ল্যপটপে। এটি দিয়ে আমরা ভার্চুয়াল হোস্ট ম্যনেজ করবো। ইন্সটল করে খোলার পরে একটি লগিন স্ক্রীন আসবে যেখানে আপনাকে আইপি এড্রেস এবং লগিন ইনফরমেশন দিতে হবে। আইপি এড্রেস পাবেন আপনার রাউটার থেকে, আর লগিন ইনফরমেশন পাবেন হাইপারভাইজর ইন্সটল করার সময়।

উইন্ডোজ ১০ সয়ংক্রিয়ভাবে আপডেট

Published by:

Share with:


মাইক্রোসফটের সর্বশেষ কনজুমার অপারেটিং সিস্টেম উইন্ডোজ ১০। অনেক নতুন ফিচার রয়েছে এতে কোন সন্দেহ নেই। তবে আবার অনেক ইউজাররাই উইন্ডোজ ৭ বা ৮ এ থেকে যেতে চান। বলাবাহুল্য, মাইক্রোসফট সম্পুর্ণ বিনামূল্যে উইন্ডোজ ১০ সরবরাহ করছে। লিগাল লাইসেন্সধারী যে কেউ চাইলেই উইন্ডোজ ১০ ডাউনলোড করে নিতে পারেন। এর পাশাপাশি মাইক্রোসফট চাইছে যেভাবেই হোক, সবাই ১০ এ আপগ্রেড করে নিক। এজন্য তারা উইন্ডোজ আপডেটের মাধ্যমে অটোমেটিক ইন্সটলার ফাইলগুলো ডাউনলোড করে নিচ্ছে যাতে সহজেই আপডেট করা যাবে। তবে বন্ধুরা, সতর্ক থাকবেন। অজান্তেই হয়ত ১০ এ আপগ্রেড হয়ে যাবে। তাই উইন্ডোজ আপডেট করার সময় ঠিক কোন কোন আপডেট ইন্সটল হচ্ছে তার দিকে নজর দেবেন। বিশেষ এই আপডেট ফাইলের সাইজ অন্তত ৩ গিগাবাইট। এছাড়া বর্ণনা দেখবেন লেখা থাকবে “Upgrade to Windows 10“।  কিছু ইউজার বিরক্ত হয়ে মাইক্রোসফটের কাছে নালিশ দিয়েছেন। অনেকের হয়ত পর্যাপ্ত স্পেস থাকেনা। সেখানে ৫/৬ গিগাবাইট অযাচিত ডাউনলোড করে স্পেস বরাদ্দ করার প্রয়োজনীয়তা অনেকে দেখেন না। আত্মপক্ষ সমর্থন করে মাইক্রোসফট বলেছে এটা তাদের অনাকাংখিত ভুল। তবে যারা চাইবে, তারা নিজ দায়িত্বে আপডেট করে নিতে পারবে।

এড ব্লকার প্লাগিন – ফায়ারফক্স / ক্রোম ব্রাউজার

Published by:

Share with:


ওপেরা, ক্রোম এবং ফায়ারফক্স অত্যন্ত জনপ্রিয় ব্রাউজার। বর্তমানে সর্বাধিক প্রচলিত ব্রাউজার হচ্ছে যথাক্রমে – ক্রোম, ফায়ারফক্স, ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার, ওপেরা। ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার ছাড়া আর বাকি সবগুলো এমনকি আপনার মোবাইল প্লাটফর্মেও পাবেন। ডেস্কটপ ভার্সনে নিরাপদে ব্রাউজিং এর জন্য আপনারা দুটো পদক্ষেপ নিতে পারেন। এক – ম্যকাফি সাইট এডভাইজর (McAfee SiteAdvisor) ইন্সটল করে নেবেন, দুই – একটি ভালো এড ব্লকার (যেমন – ঘোস্টারী / Ghostery) ইন্সটল করে নেবেন। এগুলো দুটোই আপনাকে সুরক্ষিত রাখবে। সাইট এডভাইজর আপনাকে ম্যলওয়ার সাইটে ঢোকার আগেই সতর্কবানী দেখাবে, আর ঘোস্টারীর মাধ্যমে আপনি ওয়েবসাইটের বিরক্তিকর এড দেখা থেকে বেচে যাবেন। ডেস্কটপে এই প্লাগিন দুটো মোটামুটি সব ব্রাউজারেই ইন্সটল হবে। কাজেই আজি ইন্সটল করে সুরক্ষিত করুন। এবারে মোবাইলে কিভাবে সুরক্ষিত থাকবেন?

এন্ড্রয়েড – ক্রোম এবং ফায়ারফক্স দুটোই আছে এই প্লাটফর্মে তবে শুধু ফায়ারফক্স এ ঘোস্টারী প্লাগিন ইন্সটল হবে। আপাতত ক্রোম এ প্লাগিন সাপোর্ট নেই।

আইওএস – আইওএস এ ফায়ারফক্স ব্রাউজার নেই। এতে আছে ক্রোম, সাফারী এবং অন্য কিছু থার্ড-পার্টী ব্রাউজার। এগুলোর কোন কোনটার মধ্যে হয়ত নিজস্ব এড ব্লকিং থাকতে পারে। অবশ্য আইওএস ৯ এ সাফারীতে কিছু এড ব্লকিং যুক্ত হয়েছে।

# টেকবাংলা কন্ট্রিবিউটর #

Published by:

Share with:


টেকবাংলায় লেখার জন্য কয়েকজন বন্ধু খুঁজছি। এটা সম্পুর্ণ ভলান্টারি। বিশেষ কোন অভিজ্ঞতার প্রয়োজন নেই। কেবল বাংলা টাইপিং করতে পারলেই চলবে। আমি নিজেও সহায়তা করতে পারবো কিছুটা। যাই হোক, আপনাদের মধ্যে কেউ আগ্রহী হয়ে থাকলে আমার সাথে যোগাযোগ করুন। আমার ইমেইল <nyn333@outlook.com>

এছাড়া অন্য সাইটের সাথে লিঙ্ক বদলাবদলিতে আগ্রহী। সেক্ষেত্রেও যোগাযোগ করুন।

কন্ট্রিবিউটর হতে চাইলে প্রথমে লগিন করুন এখানে গিয়ে, তারপর আমাকে ইমেইল করুন। আপনার জিমেইল, ফেসবুক, টুইটার, লিঙ্কডইন, ইন্সটাগ্রাম, আমাজন বা মাইক্রোসফট লাইভ একাউন্ট দিয়েও লগিন করে নিতে পারবেন।

কর্পোরেট অফিস / বিজনেসের আইটি ট্রেনিং

Published by:

Share with:


অনেক বই পড়ে শিখে থাকেন, অনেকে আবার ক্লাস এ পড়ে শিখতে চান, আবার অনেকে নিজের সুবিধামত বিভিন্ন শিক্ষামূলক ভিডিও দেখে শিখে থাকেন। যারা আইটিতে কাজ করেন, তারা জানেনে আইটি বইয়ের দাম প্রচুর, ইন ক্লাস ট্রেনিং এ যাওয়া ভাগ্যের ব্যাপার কারন সেটা আরো বেশি খরচ। অনেকের অফিসের ডাইরেক্টর বা ম্যনেজার তাদের আইটি স্টাফদের বিভিন্ন ট্রেনিং এ পাঠিয়ে থাকেন। কিন্তু এর অসুবিধে হলো মাত্র একজন বা দুইজন এর সুবিধা পান। কিন্তু যদি আপনার বড় একদল আইটি স্টাফ থাকে, তাহলে অন্যদের কি হবে? এতো গেল ক্লাস ট্রেনিং এর কথা। আবার ধরুন নেটওয়ার্কিং এর উপর একটা দুটো বই কিনবেন। এগুলো সাধারনত ৫০০+ এর বেশি পেজ এ ভরা। আর সবাই তো পুরো বই পড়েনা। হয়ত প্রয়োজনীয় কয়েকটি চ্যপ্টার পড়ে বইয়ের প্রয়োজন ফুরিয়ে যায়। কয়েকদিন পড়ে যদি অন্য কোন টপিকের বই চেয়ে বসেন, স্বভাবতই আপনার ম্যনেজার বাঁকা চোখে তাকাবে। তাহলে কি করা যায়? এই দুটোরই সমাধান আছে যেটি সাশ্রয়ী এবং পুনরায় ব্যবহারযোগ্য। অর্থাৎ ইন ক্লাস ট্রেনিং এ যাবার বদলে আপনার অফিস থেকে প্লুরালসাইট (Pluralsight) এবং সাফারীবুকস (Safari Books) নেয়া হয়, তাহলে দুটোরি সমাধান হয়ে যাবে এবং আপনার সম্পূর্ন আইটি স্টাফরা এর সুবিধা নিতে পারবে। যেহেতু এগুলো ভিডিও ট্রেনিং অন ডিমান্ড, সেহেতু অফিস স্টাফরা তাদের সময়, বারবার ভিডিও দেখে শিখে নিতে পারবে যেটা ক্লাস এ সম্ভব নয়। এছাড়া সাফারীবুকস এ থাকবে বইয়ের ইলেক্ট্রনিক ভার্সন। প্ল্যান অনুযায়ী এসব প্রিন্ট করে নেয়া যাবে তবে ব্রাউজার এবং স্মার্টফোনে ই-বুক পড়া যাবে। প্লুরালসাইটে এ রয়েছে আইটির হরেক রকম টপিকের উপর ভিডিও ট্রেনিং – সার্ভার, ইমেইল, ভিএমওয়্যার, মাইক্রোসফট, সিট্রিক্স, নেট ওয়ার্ক, লিনাক্স ইত্যাদি। আর সাফারী তে রয়েছে আইটির উপর লেখা হাজার হাজার বইয়ের ইলেক্ট্রনিক ভার্সন। এগুলো কিন্তু আবার ব্যক্তিগত খরচায় নেয়া সম্ভব। ওয়েবসাইটে গিয়ে দেখুন কোন প্ল্যানটি আপনার জন্য বা আপনার অফিসের জন্য প্রযোজ্য।