উইন্ডোজ ১০ এ ভার্চুয়ালাইজেশন

Published by:

Share with:


উইন্ডোজের সর্বশেষ সংস্করণ ১০। এতে এসেছে নতুন অনেক ফিচার। উইন্ডোজ ৭ এর পর মাইক্রোসফট সেই আইকনিক “স্টার্ট” বাতিল করার পর অনেক সমালোচনার মুখে পড়েছিল। যাই হোক, উইন্ডোজ ৭ থেকে শুরু করে উইন্ডোজে ভার্চুয়ালাইজেশন সাপোর্ট যুক্ত হয়। ১০ এর আগের ভার্সনগুলোতে এই ফিচার এনেবল করে নিতে হয়। যারা আগ্রহী, তারা নিশ্চয় জানেন কিভাবে সেটা এনেবল করতে হয়। আস্তে আস্তে সবকিছুই ভার্চুয়াল হয়ে যাচ্ছে। এই ধারাবাহিকতার সূত্র ধরে উইন্ডোজ ১০ এ এই ফিচার রাখা হয়েছে। চাইলে নেস্টেড ভার্চুয়ালাইজেশন ও করা যাবে। অর্থাৎ একটি ভিএম এর ভিতর আরেকটি ভিএম চালু রাখা। অবশ্য যেকোন ভার্চুয়ালাইজেশন করতে হলে লাগবে প্রযোজ্য হার্ডওয়্যার সাপোর্ট। আপনার ইন্টেল প্রসেসরে থাকতে হবে VT-x সাপোর্ট। উইন্ডোজ ১০ আছে ডায়নামিক মেমরি সাপোর্ট। কিন্তু নেস্টেড ভারচুয়ালে এ ফিচারটি পাওয়া যাবেনা। আগ্রহী বন্ধুরা চোখ রাখতে পারেন মাইক্রোসফট উইন্ডোজের ১০ এর লেটেস্ট বিল্ড এর উপরে।

বিস্তারিত / সুত্রঃ Windows Insider Preview: Nested Virtualization

আইওএস ৯ জেলব্রেক হয়েছে

Published by:

Share with:


এপল আইওএস অত্যন্ত জনপ্রিয় এতে সন্দেহ নেই। ফাংশান তুলনামূলক কম থাকা সত্ত্বেও এটি অনেক জনপ্রিয়। কিন্তু প্লাটফর্মটি বেশ লকড-ডাউন হবার কারনে অনেকে ব্যবহার করেন না। আবার কিছু ব্যবহারকারী আইওএস এ আরেকটু স্বাধীনতা পেতে চান। তাদের জন্যই এ “জেলব্রেক” পদ্ধতি। এই জেলব্রেক মূলত কি? এটি তেমন কিছুই নয়, এটি কেবল সুপারইউজার অনুমতি লাভ করা যেটা সাধারনত দেয়া হয়না। আইওএস এ জেলব্রেকের পর চাইলে এপল এপস্টোরের বাইরে থেকেও এপ্লিকেশন ইন্সটল করা যায়। ভিন্ন এপ্লিকেশন ইন্সটল ছাড়াও আরো দু’একটি সুবিধা পাওয়া যায় জেলব্রেকের পরে। তবে কিছু কিছু ক্ষেত্রে জেলব্রেকের পরে ফোন আনস্টেবল হয়ে যায়, ফোনের ওয়ার‍্যেন্টি আর থাকেনা, সিকিউরটি কম্প্রোমাইজড হয়ে যায়। এসব বিবেচনা করে আবার অনেকেই জেলব্রেক করা থেকে বিরত থাকেন। যাই হোক, যারা জেলব্রেক করতে চান, তাদের জন্য সুখবর। পাংগু (Pangu) এর মাধ্যমে আইওএস ৯ থেকে শুরু করে ৯.০.২ পর্যন্ত জেলব্রেক করা যায়। আপাতত কেবল উইন্ডোজে ভার্সনে পাংগু ইন্সটল করে আপনার আইফোন জেলব্রেক করতে হবে।

BOINC – দান করুন আপনার কম্পিউটার স্মার্টফোনের শক্তি

Published by:

Share with:


এটাও কি হয়? আপনার অব্যবহৃত স্মার্টফোনের প্রসেসিং পাওয়ার দান করতে পারেন মানবতার কাজে। অনেকে বিভিন্ন মানবতার সেবায় কিছু অর্থ দান করতে চান বা কিছুটা সময় দিতে চান। কিন্তু অনেকক্ষেত্রে সেটা সম্ভবপর হয়ে ঊঠেনা বিভিন্ন কারনে। তাহলে অন্তত এভাবে আপনারা ট্যবলেট, কম্পিউটার, বা ফোনের শক্তি দান করতে পারেন বিভিন্ন প্রজেক্টে। ইউনিভার্সিটি অফ বার্কেলীর একটি ডিস্ট্রিবিউটেড কম্পিউটিং প্লাটফর্ম BOINC. এর মাধ্যমে আপনার ডিভাইসে প্রয়োজনীয় সফটওয়্যার ইন্সটল করে তারপর নিজের পছন্দমতো প্রজেক্টে দান করতে পারেন আপনার ডিভাইসের ক্ষমতা। আমাদের ডিভাইসের প্রসেসর কিন্তু প্রায়শ আইডল পড়ে থাকে। এই আইডল সময়টাকে কাজে লাগিয়ে সহয়তা করুন। বিভিন্ন ধরনের প্রজেক্ট রয়েছে যেমন – রোগ ব্যাধীর রিসার্চ, জলবায়ুর গবেষণা, মহাকাশে পালসার ডিসকভারী, ফিজিক্স, এস্ট্রোনমী, কেমিস্ট্রি ইত্যাদি। পিসির মাধ্যমে সব প্রজেক্টে যোগদান করা যাবে, এরপর রয়েছে ম্যকিন্টোশ কম্পিউটার। লিনাক্স কম্পিউটার এবং এন্ড্রয়েড ফোনের মাধ্যমেও সাহায্য করতে পারেন। উইন্ডোজ এবং আইওএস ফোনে আপাতত সম্ভব নয়। এরপর আপনাকে আপনার প্রজেক্ট পছন্দ করে নিতে হবে।

এন্ড্রয়েডের অসাধারন কিছু এপস ১

Published by:

Share with:


অনেকের কাছে আজকাল এন্ড্রয়েড ফোন দেখা যায়। দেখা যায় বেশিরভাগ ব্যবহারকারীরা এর ফুল পটেনশিয়াল উপলব্ধি করেন না। শুধু কলিং, টেক্সটিং, ফেসবুক এর মত গুটিকয়েক কাজে ব্যবহার করে থাকেন। দেখা যাক আরো কি কি করা যেতে পারে। নিন্মের প্রায় সব এপ্লিকেশন সরাসরি গুগল প্লে এপ স্টোরেই পাওয়া যাবে ফ্রী তে।

এয়ারড্রয়েড (Airdroid): অসাধারন একটি এপ। আপনার লোকাল ওয়াইফাই নেটওয়ার্কে এয়ারড্রয়েডের মাধ্যমে প্রায় সব কিছুই করতে পারবেন ফোন না ধরেই। সেটা ছাড়াও ইন্টারনেটের মাধ্যমেও এসব করা সম্ভব। যেকোন কম্পিউটারে কোন কেবল ছাড়াই ব্যকাপ, ফাইল ট্রান্সফার, ছবি/ভিডিও দেখা, এপ ইন্সটল করা যায়। ধরুন আপনার বন্ধুর বাসায় গিয়ে ফোনে কিছু ফাইল ঢুকাবেন বা বন্ধুকে ফোন থেকে কিছু ফাইল কম্পিউটারে ট্রান্সফার করবেন কিন্তু কেবল টা যে নেই? কোন সমস্যা নেই। এয়ারড্রয়েডে ওয়াইফাই অন করে ট্রান্সফার করুন কেবল ছাড়াই। নেটওয়ার্ক স্পীড ভালো হলে ফোনের ক্যমেরা থেকেই ভিডিও স্ট্রিমিং করতে পারবেন। আরেকটি বিশেষ ব্যপার হলো, আপনি ফোন না ধরেই এসএমএস পাঠানো, রিপ্লাই সবি করতে পারবেন। ধরুন আপনি ফোন বাসায় রেখে অফিসে চলে গেছেন। কিন্তু এয়ারড্রয়েড একাউন্ট সেট করে নিলে অফিসে বসে বসে ফোনের এসএমএস পড়া/পাঠানো দুটোই করতে পারবেন। বলতে গেলে প্রায় ৮০% কাজ ফোন না ধরেই, ওয়াইফাই দিয়ে সেরে ফেলা যায়।

টাস্কার (Tasker): টাস্কার আরেকটি দারুন এপ পাওয়ার ইউজারদের জন্য। এর মূল ফাংশান হোলো অটোমেশন। টাস্কার শিখতে একটু সময় লাগতে পারে। তবে একবার এর মর্ম বুঝতে পারলে এর ক্ষমতা টের পাবেন। এটা দিয়ে কি করতে পারি, এ প্রশ্ন না করে আপনি উলটো বলবেন যে টাস্কার দিয়ে কি করা যায়না? টাস্কারের রয়েছে দুটো ভাগ – কন্টেক্সট এবং টাস্ক। কন্টেক্সট টা হচ্ছে কি, কিসের নির্ভর করে, টাইম, লোকেশন, ক্যলেন্ডার ইত্যাদি। টাস্ক হলো কি কাজ করবে, ফোন সাইলেন্ট করবে, মেসেজ পাঠাবে, কাউকে কল দেবে ইত্যাদি। ধরুন আপনার বন্ধুর জন্মদিন জানুয়ারীর ১২ তারিখ। রাত ১২টায় তাকে শুভেচ্ছা এসএমএস পাঠাতে চান। বেশ, টাস্কের এটি ডিফাইন করে দিন সেই মতো। ১২ তারিখ রাত বারোটায় আপনার মেসেজ চলে যাবে যখন আপনি ঘুমিয়ে থাকবেন। তারপর ধরুন রাত ১০টা থেকে সকাল ৬টা পর্যন্ত ফোন ভাইব্রেশন এ রাখতে চান এবং ডাটা/ওয়াইফাই কানেকশান অফ করে দিতে চান। টাস্কারে সেভাবে একটি টাস্ক ডিফাইন করুন। প্রতিদিন সেই সময়ে সব নেট কানেকশান বন্ধ হয়ে যাবে। আবার ধরুন অফিসে মিটিং এ যাচ্ছেন, টাস্কারে আপনি চাইলে অটোমেটিকভাবে ফোন ভাইব্রেশনে বা সাইলেন্টে পাঠিয়ে দিতে পারেন যেটা আপনার ক্যলেন্ডারের উপর নির্ভর করবে। তারপর আরো ধরুন আপনি ড্রাইভিং করছেন সে সময় কল বা এসএমএস এলো, টাস্কার চাইলে একটা অটো রিপ্লাই দিতে পারে আপনার হয়ে। অতএব দেখতেই পাচ্ছেন টাস্কারের কোন প্রিডিফাইন্ড ফাংশান নেই। আপনাকেই জানাতে হবে যে টাস্কারের মাধ্যমে আপনি কি করতে চান।

ইউনিফাইড রিমোট (Unified Remote): আরো একটি দারুন এপ এটি। আপনার ফোনের স্ক্রীন কে একটি ওয়ারলেস কিবোর্ড/মাউসে পরিণত করতে পারেন। এর জন্য অবশ্য আপনার ডেস্কটপ বা ল্যপটপে ছোট্ট একটি প্রোগ্রাম ইন্সটল করা লাগবে। এরপর এপ ইন্সটল করে দূরে থেকেই কন্ট্রোল করুন আপনার পিসি। বেসিক কিবোর্ড মাউস ছাড়াও এর আরো অনেক ফাংশান রয়েছে। এছাড়াও আপনার ফোনে যদি IR blaster বা ইনফ্রারেড থাকে, তাহলে এটি দিয়ে আপনার টিভি, কেবল, ডিভিডি প্লেয়ার ইত্যাদি কন্ট্রোল করতে পারবেন।

আজ এই তিনটি নিয়ে লিখলাম। পরে আরো কিছু যোগ করবো।

ভিএমওয়্যার ভার্চুয়ালাইজেশন টার্মিনোলোজি ২

Published by:

Share with:


1. VM: ভার্চুয়াল মেশিন। খুব সোজা! গেস্ট বলা হয়ে থাকে। গেস্ট ওএস – উইন্ডোজ, লিনাক্স, ইউনিক্স, ম্যকিন্টোশ ইত্যাদি।

2. ESXi: ভিএমওয়্যরের ভিস্ফিয়ার হাইপারভাইজর। হোস্টগুলোতে ইএসএক্সআই ইন্সটল করা হয়।

3. vmkernel: ভিএম কার্ণেল টি অপারেটিং সিস্টেম যার দ্বারা ইএসএক্সআই পরিচালিত। এটি ভার্চুয়াল মেশিনগুলোকে স্টোরেজ এবং নেটওয়ার্কে যুক্ত করে।

4. VMFS: ইএসএক্সআই হোস্টের ভার্চুয়াল মেশিন ফাইল সিস্টেম। এটি একটি ক্লাস্টার্ড ফাইল সিস্টেম।

5. iSCSI: ইথারনেট বেজড শেয়ারড স্টোরেজ প্রোটোকল।

6. SAS: লোকাল ডিস্ক টাইপ, সাধারণত SATA.

7. FCoE: ফাইবার চ্যনেল ওভার ইথারনেট, একটি নেটওয়ার্কিং এবং স্টোরজে টেকনোলজী।

8. HBA: ফাইবার চ্যনেল স্টোরেজের হোস্ট বাস এডাপ্টার।

9. IOPs: প্রতি সেকেন্ডের ইনপুট/আউটপুট। একটি ডিস্কের পারফর্ম্যন্স যাচাই করার জন্য।

10. VM Snapshot: একটি পয়েন্ট ইন টাইম রেপ্রেজেন্টেশন। অর্থাত একটি ভিএম এর তাৎক্ষণিক সেভড কপি।

11. ALUA: Asymmetrical logical unit access, a storage array feature. Duncan Epping explains it well.

12. NUMA: নন-ইউনিফর্ম মেমরি এক্সেস, যখন লোকেশন এর উপর নির্ভর করে একাধিক প্রসেসর কে এই মেমরি রিসোর্স দেয়া হয়।

13. Virtual NUMA: উপরে বর্ণিত নুমা কে ভার্চুয়ালাইজ করে, ভিএমওয়্যার হার্ডওয়্যার ভার্সন ৮।

14. LUN: লজিকাল ইউনিট নাম্বার। এর দ্বারা শেয়ারড স্টোরেজ (আইস্কাজি/ফাইবার চ্যনেল) কে আইডেন্টিফাই করা হয়।

15. pRDM: Physical mode raw device mapping, presents a LUN directly to a VM.

16. vRDM: Virtual mode raw device mapping, encapsulates a path to a LUN specifically for one VM in a VMDK.

17. SAN: স্টোরেজ এরিয়া নেটওয়ার্ক। ব্লক প্রোটোকল ব্যবহার (ফাইবার চ্যনেল/আইস্কাজি) করা হয় এতে।

18. NAS: Network attached storage, a shared storage technique for file protocols (NFS).

19. NFS: নেটওয়ার্ক ফাইলে সিস্টেম। ফাইল বেসড স্টোরেজ প্রটোকল।

20. DAS: ডাইরেক্ট এটাচড স্টোরেজ। ডিস্কগুলো সরাসরি হোস্ট এর সাথে যুক্ত।

21. VAAI: vStorage APIs for Array Integration, the ability to offload I/O commands to the disk array.

22. SSD: সলিড স্টেট ডিস্ক। এটি নন-রোটেশনাল ডিস্ক যেটি ট্র্যডিশনাল স্পিনিং ডিস্কের চেয়ে অনেকগুনে দ্রুত।

23. VSAN: Virtual SAN, a new VMware announcement for making DAS deliver SAN features in a virtualized manner.

24. vSwitch: একটি ভার্চুয়াল সুইচ। এটি ভিএমগুলোকে ফিজিকাল নেটওয়ার্কের সাথে যুক্ত করে।

25. vDS: ভি-নেটওয়ার্ক ডিস্ট্রিবিউটেড সুইচ, ভার্চুয়াল সুইচের উন্নত ভার্সন। এতে আরো ফিচার রয়েছে।

26. ISO: ইমেজ ফাইল (ছবি নয় কিন্তু)। এটি সাধারনত আইসো ৯৬৬০ ফাইল সিস্টেম থেকে তৈরি অপ্টিকাল ড্রাইভ থেকে।

27. vSphere Client: ভিস্ফিয়ার ক্লায়েন্ট দ্বারা আপনি ভিসেন্টারে, হোস্ট এ, ভার্চুয়াল মেশিনের সাথে যুক্ত হতে পারেন। ওয়েব বেজড ভার্সন থিক ক্লায়েন্ট কে রিপ্লেস করবে। নতুন সব ফিচার ওয়েব ভার্সনে যুক্ত হয়, থিক ক্লায়েন্ট এ তেমন কোন আপডেট হয়না। অনেকে কিছুটা স্লো হবার কারনে ওয়েব ভার্সন পছন্দ করেন না। এছাড়া ইন্টারফেস বেশ ভিন্ন!

28. vSphere Web Client: ওয়েব বেসড ভিস্ফিয়ার ক্লায়েন্ট যেটি দিয়ে ভিস্ফিয়ার অব্জেক্টগুলো ম্যনেজ করা হয়।

29. Host Profiles: পুর্বেই কনফিগার করা প্রোফাইল যা কোণ হোস্ট এ প্রয়োগ করা যায়। একাধিক হোস্ট থাকলে, একি কনফিগারেশন বারবার করা লাগেনা।

30. Auto Deploy: অটো-ডিপ্লয়ের মাধ্যমে কোন সার্ভারে আপনি ইএসএক্স অটোমেটিকালি ইন্সটল করে নিতে পারবেন নেটওয়ার্কে।

31. VUM: ভিস্ফিয়ার আপডেট ম্যনেজার। এর মাধ্যমে বিভিন্ন আপডেট প্রয়োগ করা হয়। হোস্ট, ভার্চুয়াল মেশিনের প্যচ, প্রডাক্ট আপডেট করা সম্ভব।

32. vCLI: ভিস্ফিয়ারের কমান্ড লাইন ইন্টারফেস। এর মাধ্যমে হোস্ট এবং ভিসেন্টার সার্ভারে কমান্ড চালানো যায়।

33. vSphere HA: হাই-এভেলেবিলিটি, যদি কোন ভিএম ফেইল হয়, তখন সেটি ভিমোশন হয়ে অন্য আরেকটি হোস্ট থেকে চালু হবে।

34. vCenter Server Heartbeat: Will keep the vCenter Server available in the event a host fails which is running vCenter.

35. Virtual Appliance: প্রি-প্যকেজড ভার্চুয়াল মেশিন যেটি সাধারণত এক বা একাধিক এপ্লিকেশন হোস্ট করে।

36. vCenter Server: সার্ভার এপ্লিকেশন যেটি সেন্ট্রালী সব হোস্ট, ভার্চুয়াল মেশিন, ডাটাস্টোর ইত্যাদি ম্যনেজ করতে সক্ষম। উইন্ডোজ ভার্সন এবং লিনাক্স এপ্লায়েন্স দুটি ফ্ল্যভারে পাওয়া যায়।

37. vCSA: ভিসেন্টার সার্ভারের এপ্লায়েন্স ভার্সন। উইন্ডোজ ভার্সনের সাথে পার্থক্য নেই বললেই চলে এবং এপ্লায়েন্স মেইন্টেন করা আরো সহজ। ফিচারের দিক থেকে সবি একি।

38. vCloud Director: Application to pool vCenter environments and enable self-deployment of VMs.

39. vCloud Automation Center: IT service delivery through policy and portals,get familiar with vCAC.

40. VADP: ডাটা প্রটেকশনের জন্য এই এপিআই ব্যবহার করা হয়। ব্যকাপ রিলেটেড।

41. MOB: ম্যনেজড অবজেক্ট রেফারেন্স এর মাধ্যমে ভিসেন্টার প্রতিটি অবজেক্ট কে ক্লাসিফাই করে।

42. DNS: ডোমেইন নেম সার্ভিস। নেটওয়ার্কিং এর ক্ষেত্রে অতি গুরুত্বপূর্ণ একটি জিনিশ। এটি নেম রেজুলোশন প্রটোকল। যদিও এটি সরাসরি ভিএমওয়্যার বা ভার্চুয়ালাইজেশনেরে সাথে সরাসরি যুক্ত নয়, কিন্তু অনেককিছুই এই ডিএনএস এর উপর নির্ভর করে। কাজেই এটি সঠিকভাবে সেটাপ করা জরুরী।

43. vSphere: ভার্চুয়াল মেশিন, ইএসএক্সআই হোস্ট, এবং ভিসেন্টার এর সংগ্রহ কে ভিস্ফিয়ার বলা যায়।

44. SSH to ESXi host: এসএসএইচ দ্বারা হোস্টের সাথে যুক্ত হওয়া যায়। এছাড়া ডিসিইউআই (DCUI) থাকলে আরো সুবিধা হয়। যদি ভিস্ফিয়ার ক্লায়েন্ট বা ওয়েবে হোস্টের সাথে যুক্ত না হতে পারেন, তাহলে এসএসএইচ দিয়ে বিভিন্ন ট্রাবলশুটিং করতে পারেন।

45. vCenter Linked Mode: বিভিন্ন ভিসেন্টার সার্ভারগুলোকে একত্রে একটি পুল এ রাখার পদ্ধতি।

46. vMotion: ভার্চুয়াল মেশিন এক হোস্ট থেকে অন্য হোস্ট এ মুভ করাকে ভিমোশন বলা হয়। ভিমোশন এবং স্টোরেজ ভিমোশন কিন্তু আলাদা!

47. Storage vMotion: ভার্চুয়াল মেশিন এক ডাটাস্টোর থেকে অন্য ডাটাস্টোরে মুভ করাকে স্টোরেজ ভিমোশন বলা হয়। স্টোরেজ ভিমোশন এবং ভিমোশন কিন্তু আলাদা!

48. vSphere DRS: ডিস্ট্রিবিউটেড রিসোর্স স্কেজুলার সার্ভিস ভার্চুয়াল মেশিনের পারফর্ম্যন্স কন্ট্রোল করে থাকে।

49. vSphere SDRS: স্টোরেজ ডিআরএস যেটি ভার্চুয়াল মেশিন পুলের ফ্রী স্পেস এবং ডাটাস্টোর লেটেন্সী ম্যনেজ করে।

50. Storage DRS Cluster: এসডিআরএস অবব্জেক্টগুলোকে (যেমন – ভলিউম, ভার্চুয়াল মেশিন, কনফিগারেশন ইত্যাদি) একত্রে স্টোরেজে ডিআরএস ক্লাস্টার বলা হয়।